যশোরে তৃতীয় দিনে গণপরিবহন ধর্মঘট, পথে ঘাটে চরম দুর্ভোগে

যশোর প্রতিনিধি:

যশোরে তৃতীয় দিনে গণপরিবহন ধর্মঘট, পথে ঘাটে চরম দুর্ভোগে

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে যশোরে তৃতীয় দিনে পণ্য ও গণপরিবহন ধর্মঘট চলছে। পথে ঘাটে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। হেঁটে এবং দফায় দফায় ছোট যানবাহন পরিবর্তন করে ছুটতে হচ্ছে গন্তব্যে। এতে ভোগান্তি বাড়ছে।

গত তিন দিন ধরে বেনাপোল বন্দর থেকে আমদানি, রপ্তানি পণ্য ও যাত্রী পরিবহন বন্ধ রয়েছে। ফলে বেনাপোল বন্দর এলাকায় যেমন পণ্যজট তৈরি হয়েছে তেমনি গন্তব্যে যেতে না পেরে আটকা পড়েছে পাসপোর্টধারীসহ সাধারণ যাত্রীরা।

এদিকে ধর্মঘটের কারণে আমদানি পণ্য পরিবহন বন্ধ থাকায় শিল্প কলকারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহতের আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা। দ্রুত সমাধানের মাধ্যমে চলমান সমস্যা নিরসনের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

স্বামীর সঙ্গে গাঁজা বিক্রি করতো স্ত্রীও, র‌্যাবের হাতে ধরা

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

স্বামীর সঙ্গে গাঁজা বিক্রি করতো স্ত্রীও, র‌্যাবের হাতে ধরা

মাদারীপুরে ১২ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৮, সিপিসি-৩ মাদারীপুর ক্যাম্পের একটি বিশেষ দল।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) সকালে কোম্পানী অধিনায়ক স্কোয়াড্রন লীডার মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে সদর উপজেলার আছমত আলী খান সেতুর টোল প্লাজার সামনে থেকে স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে গাঁজাও উদ্ধার করে র‌্যাব।

প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে র‌্যাব জানায়, গোয়েন্দা সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার সকাল ৬টার দিকে শরীয়তপুর-মাদারীপুর মহাসড়কের আছমত আলী খান সেতুর টোল প্লাজার সামনে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় জিএস ট্রাভেলস নামের একটি বাস তল্লাশী করে মো. নুর নবী (৬৫) এবং তার স্ত্রী খালেদা বেগমকে (৪৫) গাঁজাসহ হাতে নাতে গ্রেফতার করে র‌্যাব সদস্যরা।

গ্রেফতারকৃতরা চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুন্ড থানার হাসনাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। এসময় আটককৃত স্বামী-স্ত্রীর কাছ থেকে ১২কেজি গাঁজা, ১টি মোবাইল, ১টি সীমকার্ডসহ মাদক ক্রয়-বিক্রয়কৃত ২ হাজার ৮‘শ টাকা উদ্ধার করা হয়।

আসামিদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাব জানতে পারে, তারা স্বামী-স্ত্রী উভয় যোগসাজসে দীর্ঘদিন ধরে চাঁদপুর ঘাট ব্যবহার করে গোপালগঞ্জ জেলাসহ অন্যান্য স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য পরিবহন করে আসছিল। আসামিদেরকে উদ্ধারকৃত গাঁজা ও অন্যান্য আলামতসহ মাদারীপুর সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মাদারীপুর সদর মডেল থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরও পড়ুন


১৫ মামলাসহ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানের ফাঁসির দাবি

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

সাতক্ষীরার খাজরা ইউপি চেয়ারম্যানের কুশপুত্তলিকা দাহ

১৫ মামলাসহ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানের ফাঁসির দাবি

মনিরুল ইসলাম মনি, সাতক্ষীরা

১৫ মামলাসহ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় চেয়ারম্যানের ফাঁসির দাবি

খুন, গুম, ধর্ষণ, ত্রাণ আত্মসাৎ ও আওয়ামী লীগ নেতা শরবত আলী হত্যাসহ ১৫ মামলার আসামী সাতক্ষীরা আশাশুনি উপজেলার খাজরা ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের ফাঁসি এবং আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কারের দাবিতে ফুঁসে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন ইউনিয়নবাসী।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে শত শত এলাকাবাসী মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ এবং বিক্ষোভ মিছিল করে তার কুশপুত্তলিকা দাহ করে।

মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশে খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রুহুল কুদ্দুসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন বীর মুুক্তিযোদ্ধা শাহবুদ্দিন সরদার, ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা অশীথ ঘোষ, মাসুদর রহমান প্রিন্স,সিরাজুল ইসলাম, গনেষ মন্ডল, জাকিরুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন প্রমূখ।

মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের বাবা মোজাহার উদ্দিন সরকারের গেজেটভূক্ত একজন কুখ্যাত রাজাকার। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় শাহনেওয়াজ ডালিমের পিতা মোজাহার উদ্দিন গদাইপুর গ্রামের নওশের আলী সরদারকে মেলেটারি ও রাজাকার ক্যম্পে তুলে নিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে। ইউপি চেয়ারম্যান ডালিমও তার পিতার মত ঘের দখলকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ নেতা শরবত মোল্লাকে হত্যা করে। তার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ নেতা শরবত, টুম্পা ধর্ষণ ও হত্যাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে।

অবিলম্বে সন্ত্রাসী দুর্নীতিবাজ ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমকে গ্রেফতারসহ আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার এবং মহান স্বাধীনতার বিজয়ের এই মাসে রাজাকার সন্তানকে ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় নৌকা প্রতিকের মনোনয়ন না দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষণ করেন। বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধ শেষে ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিমের কুশপুত্তলিকাদাহ করেন বিক্ষোভকারীরা। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কারসহ স্বাধীনতার বিজয়ের মাসে একজন রাজাকারের সন্তান হিসাবে শাহনেওয়াজ ডালিমের খাজরা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ দলীয় নৌকার মনোনয়ন না দেওয়ার দাবি জানিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল কারে দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করেন।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা খাজরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রুহুল কুদ্দুস মোল্লা। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, আশাশুনি উপজেলার সরকারি গেজেটভূক্ত রাজাকারের তালিকায় ১২ নং ক্রমিকে ও সংশোধিত তালিকায় ১৭৬ নং ক্রমিকে ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ  ডালিমের পিতা মোজাহার উদ্দিন সরদারের নাম তালিকা ভূক্ত রয়েছে। তার বড় ভাই আব্দুল আলিম আশাশুনি উপজেলা বিএনপির আহবায়ক ছিলেন। তার অপর ভাই জুলফিকার জুলি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও অপর ভাই আব্দুস সালাম বাচ্চু, উপজেলা বিএনপির কার্য নির্বাহী পরিষদের সদস্য। ১৪ বছর আগে শাহনেওয়াজ ডালিম তার আপন ফুফাত ভাই আশাশুনি উপজেলার চাপড়া গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাশেদ আহম্মেদ খোকার মৎস্য ঘেরের কর্মচারী ছিলেন। ডালিম আপদমস্তক বিএনপি পরিবারের লোক হয়ে স্থানীয় এমপির হাত ধরে ২০০৮-২০০৯ সালে আশাশুনি উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে যুগ্ম আহবায়ক হিসাবে পদার্পণ করেন। পরবর্তীতে আশাশুনি থানা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও  যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের পদ পেয়ে যান।

রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে চাকরি তদবির থেকে শুরু করে টেন্ডারবাজী, ঘের দখল, ঘের মালিক ও সংখ্যালঘু ঘের মালিকদের হারীর টাকা আত্মসাৎ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হয়ে টি.আর, জি.আর, কাবিখা, কাবিটা, বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতাসহ বিভিন্ন ভূয়া তালিকা দিয়ে টাকা উত্তোলন ও আত্মসাৎ এবং বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ না করে লক্ষ লক্ষ উত্তোনের মাধ্যমেই অল্প দিনেই ফুলে ফেপে কোটিপতি বনে যান রাজাকারপুত্র ইউপি চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম। চেয়ারম্যান হয়ে ৮ নং খাজরা ইউনিয়নে গড়ে তোলেন নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী।

তিনি আরও জানান ক্রীড়া সংগঠক গনমূখী ক্লাবের মুক্তির চিংড়ী ঘের লীজ নিয়ে ৩০ বিঘা জমির হারির টাকা পরিশোধ না করে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। তার বাহিনী কর্তৃক ২০২০ সালের ৯ এপ্রিল খাজরা ইউনিয়নের গদাইপুর বিলে মঞ্জুরুল মোল্লার চিংড়ী ঘেরের দুই কর্মচারীকে বেঁধে মাছ লুটের ঘটনায় ডালিমের চেয়ারম্যানের ভাই আহসান হাবিব টগর গদাইপুর মাছের সেটে লুটকৃত মাছ বিক্রি করতে গেলে শরবত মোল্লার সাথে বাকবিতন্ডা হয়। এর জের ধরে চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ ডালিম ও তার ভাই আহসান হাবিব টগরের নেতৃত্বে লোকজন সংগঠিত করে তার সন্ত্রাসী বাহিনী আওয়ামী লীগ নেতা শরবত মোল্লাকে হত্যা করে। সম্প্রতি খাজরা ইউনিয়নে মুসলমান অধ্যুষিত ৬ নং ওয়ার্ডের চেউটিয়া গ্রামের ১০৮ জন হিন্দু পরিবারের ভূয়া নাম দিয়ে এবং ৪ নং ওয়ার্ডের দেবশিয়া ও পাশ্যেমারি গ্রামের হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় মুসলমান পরিবারের ভুয়া তালিকা প্রস্তুত করেন এভাবে ৯টি ওয়ার্ডে ৫৭০০ ব্যক্তির তালিকা প্রস্তুত করেন ভিজিএফ কার্ডের অনুকূলে ৪৫০টাকা হারে লক্ষ লক্ষ টাকা লুটপাট করেন শাহনেওয়াজ ডালিম। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করে মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বাধীনতার বিজয়ের এই মাসে একজন দূর্নীতিবাজ বিতর্কিত ব্যক্তির রাজাকারের সন্তানকে আওয়ামী লীগের নৌকার মনোনয়ন দিয়ে জাতিকে কলংকিত না করার জন্য আহবান জানান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রুহুল কুদ্দুসসহ শত শত এরাকাবাসী।

আরও পড়ুন


চাকরির কথা বলে অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘হায় হায় কোম্পানী’

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

চাকরির প্রলোভনে অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘হায় হায় কোম্পানী’

রাহাত খান, বরিশাল

চাকরির প্রলোভনে অর্ধকোটি টাকা নিয়ে উধাও ‘হায় হায় কোম্পানী’

ভুক্তভোগীরা

বরিশালে চাকরি দেয়ার নামে তরুণ-তরুণীদের কাছ থেকে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে উধাও হয়ে গেছে আরএম গ্রুপ নামে একটি হায় হায় কোম্পানী। নগরীর রূপাতলী হাউজিংয়ের হিরন পয়েন্ট-২ ভবনের ৭ম তলায় অবস্থিত ওই প্রতিষ্ঠানটির অফিসে বুধবার মঙ্গলবার নতুন চাকরিতে যোগদান করতে গিয়ে অফিস বন্ধ পায় নবনিযুক্তরা। শুধু তাই নয়, প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বাড়িওয়ালা, পত্রিকার মালিক এবং বিভিন্ন দোকান থেকেও কয়েক লাখ টাকার নিয়ে লাপত্তা হয়েছে চক্রটি। 

ভূক্তোভোগীরা জানিয়েছেন, গত মাসে নগরীর স্থানীয় বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় আরএম গ্রুপ নামে ওই প্রতিষ্ঠানটি। বিজ্ঞাপনটি এখনো বিভিন্ন পত্রিকায় চলছে। তারা নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেখে সেখানে আবেদন করেন।

আবেদনের পরই তাদের চাকরি হয়ে যায়। তবে এজন্য তাদের কাছ থেকে জামানত হিসেবে বিভিন্ন অংকের টাকা নেয় তারা। ভূয়া রশিদের মাধ্যমে সাড়ে ৩ হাজার টাকা থেকে শুরু করে যার কাছ থেকে যা পেরেছে তা জমা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধাররা। কিন্তু চাকরিতে যোগদান করতে গিয়ে দেখেন অফিসটিই বন্ধ। এ সময় আরএম গ্রুপের জিএম আমজাদ হোসেন কিরণের মুঠোফোনও বন্ধ পায় তারা। 

স্থানীয়রা জানায়, কয়েকদিন আগে থেকেই অফিসের যাবতীয় মালামাল তা কুরিয়ার সার্ভিসে টাঙ্গাইলে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। 

ভবনের ম্যানেজার আবু তালেব জানান, ভবনটিতে ভাড়া উঠেছিল প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু তাদেরও টাকা না দিয়েই পালিয়েছে তারা। এছাড়া ওয়ালটন, শাওমিসহ বিভিন্ন শোরুম থেকেও ২০ লক্ষাধিক টাকার মালামাল বাকীতে নিয়ে আত্মসাৎ করেছে তারা। এর বিপরীতে চেক প্রদান করলেও ব্যাংকে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় ওই চেক প্রত্যাখ্যান হয়। ওই একাউন্টে রয়েছে মাত্র ৩ শ’ টাকা। 

এ বিষয়ে জানতে আর এম গ্রুপের জিএম পরিচায়ধারী আমজাদ হোসেন কিরনের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। 

এ ঘটনায় যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আজিমুল করিম।

আরও পড়ুন


বিয়েতে মত ছিল না তরুণীর, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

বিয়েতে মত ছিল না তরুণীর, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা

অনলাইন ডেস্ক

বিয়েতে মত ছিল না তরুণীর, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা

প্রতীকী ছবি

বিয়েতে সম্মতি না থাকায় কক্সবাজারের ঈদগাঁও এলাকায় গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক তরুণী। 

বুধবার (১ ডিসেম্বর) ভোরে ঈদগাঁও ইউনিয়নের পূর্ব নাপিতখালী এলাকার ডুলাফকিরের রাস্তার মাথা সংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো ভোরে ফজরের নামাজের জন্য ডাকা হয় সুমাইয়াকে। কিন্তু কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না তার। পরে দরজা খুলে দেখা যায় শয়নকক্ষে দড়িতে ঝুলছিল সুমাইয়ার মরদেহ।

স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার সাহাব উদ্দিন জানান, মাস তিনেক আগে খালাত ভাইয়ের সঙ্গে পারিবারিকভাবে ওই তরুণীর বিয়ে ঠিক হয়। এ বিয়েতে তরুণীর সম্মতি ছিল না বলে জেনেছি। হয়ত সে কারণে সে আত্মহত্যা করতে পারে।

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল হালিম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন


রামপুরার ঘটনা বিএনপি-জামায়াতের অপকর্ম কি না প্রশ্ন কাদেরের

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

জানাজা ছাড়াই দাফন, বন্দুকযুদ্ধে নিহত দুই আসামির

অনলাইন ডেস্ক

জানাজা ছাড়াই দাফন, বন্দুকযুদ্ধে নিহত দুই আসামির

নিহত সাব্বির ও সাজন

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল ও সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যা মামলার দুই আসামি ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত সাব্বির ও সাজনের লাশ জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পুলিশি পাহারায় সীমিতসংখ্যক পরিবারের সদস্য নিয়ে মরদেহ দাফন করা হয়। তবে এ সময় কোনো মাওলানা ও এলাকার মুসল্লি অংশগ্রহণ করেননি।

উল্লেখ্য, ২২ নভেম্বর বিকেলে সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা মারা যান। এছাড়া আরও ৪ জন গুলিবিদ্ধ হন।

আরও পড়ুন


বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় মামলা, আসামি ৮ শতাধিক

টেস্ট ছাড়া কেউ দেশে এলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক কায়সার হামিদ জানান, বন্দুকযুদ্ধে নিহতের লাশ এলাকায় দাফন না করার জন্য সকালে বিক্ষোভ করেছিল স্থানীয়রা। তাই বিকেল কবরস্থান এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

তিনি আরও বলেন, এলাকায় মরদেহ না নিয়ে সিটি করপোরেশন নিয়ন্ত্রিত নগরীর টিক্কারচর কবরস্থানে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করলেও তাদের নামাজে জানাজা পরতে কোনো মাওলানা ও মুসল্লি এগিয়ে আসেননি। পরে জানাজা ছাড়াই মাগরিব নামাজের কিছু আগে সাব্বির হোসেন ও মো. সাজনের মরদেহ দাফন করা হয়।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর