ভাড়া পুননির্ধারনের দাবিতে আজও যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ, চরম দুর্ভোগ
ভাড়া পুননির্ধারনের দাবিতে আজও যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ, চরম দুর্ভোগ

ভাড়া পুননির্ধারনের দাবিতে আজও যাত্রীবাহী নৌযান বন্ধ, চরম দুর্ভোগ

Other

ভাড়া পুননির্ধারণ অথবা জ্বলানী তেলের মূল্য কমানোর দাবিতে বরিশাল-ঢাকা সহ সারা দেশে দ্বিতীয় দিনের মতো যাত্রীবাহি নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। অপরদিকে ৩ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে সড়ক পরিবহন। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন লঞ্চ ও বাসের যাত্রীরা।  

জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে যাত্রী ভাড়া পুননির্ধারণ না করায় লোকসানের আশঙ্কায় গতকাল শনিবার দুপুর থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীন নৌ চলাচল যাত্রী পরিবহন সংস্থা।

 

এর আগে শুক্রবার থেকেই বন্ধ রয়েছে অভ্যন্তরীন এবং দূরপাল্লা রুটের বাস চালাচল। বাসের পর আকস্মিক লঞ্চ বন্ধের ঘোষণায় বিপাকে পড়েছেন দক্ষিণের ৬ জেলার লাখ লাখ মানুষ।   

লঞ্চ মালিক সমিতির পক্ষ থেকে জানানো হয়, জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে বরিশাল থেকে ঢাকা যেতে প্রতি ট্রিপে ১ থেকে দেড় লাখ টাকার জ্বালানী খরচ বেশি হচ্ছে। কিন্তু সরকার ভাড়া পুননির্ধারন করেনি।  

লঞ্চ মালিক সমিতি গত শুক্রবার এক জরুরি সভা করে রেজুলেশন আকারে ভাড়া পুননির্ধারনের দাবি জানিয়ে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যানের কাছে আবেদন করে। শনিবার দুপুরের মধ্যে ভাড়া পুননির্ধারনের আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন তারা। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কোন সিদ্ধান্ত দেয়নি। এমনকি মালিক নেতৃবৃন্দকে ডেকে কোন আশ্বাসও দেয়নি।  

এ অবস্থায় মালিক সমিতি নেতৃবৃন্দ লোকসানের আশঙ্কায় শনিবার থেকে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে। সরকার ভাড়া সমন্বয় না করা পর্যন্ত নৌযান চলাচল বন্ধ থাকবে বলে জানান লঞ্চের কর্মচারীরা।  

বাসের পর লঞ্চ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চরম দুর্ভোগ সহ্য করে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে তাদের। অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে থ্রি হুইলার সহ হালকাযানে ঝূঁকি নিয়ে গন্তব্যে যেতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। অপরদিকে লঞ্চ বন্ধ থাকায় ঝূঁকি নিয়ে ট্রলার ও স্পীডবোটে গন্তব্যে যেতে হচ্ছে তাদের। তারা অবিলম্বে সরকারের হস্তুক্ষেপ কামনা করেছেন।  

news24bd.tv/ কামরুল