ফেরেশতাদের জীবনযাপন

অনলাইন ডেস্ক

ফেরেশতাদের জীবনযাপন

ফেরেশতাদের নিয়ে কোরআন-হাদিসের বহু জায়গায় আলোচনায় এসেছে। মানুষের মতো আল্লাহর এক সৃষ্টির নাম ফেরেশতা। তবে মানুষের কাছে তাদের প্রকাশ্য কোনো আকার-আকৃতি নেই। নিম্নে তাঁদের কিছু বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হলো— 

তাঁরা নুরের তৈরি : আল্লাহ তাআলা এই জাতিকে নুর থেকে সৃষ্টি করেছেন। তাঁরা মানুষের মতো রক্ত-মাংসের সৃষ্টি নয়। মানবজাতিকে সৃষ্টি করার আগেই তাঁদের আল্লাহ তাআলা সৃষ্টি করেছেন। আয়েশা (রা.) বলেন, রাসুল (সা.) বলেছেন, ফেরেশতাদের নুর দ্বারা সৃষ্টি করা হয়েছে। আর জিন জাতিকে সৃষ্টি করা হয়েছে ধোঁয়াশূন্য অগ্নিশিখা থেকে এবং আদম (আ.)-কে সৃষ্টি করা হয়েছে ওই বস্তু থেকে যে সম্পর্কে তোমাদের বর্ণনা করা হয়েছে। (মুসলিম, হাদিস : ৭৩৮৫)

ডানা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন : ফেরেশতাদের আল্লাহ তাআলা পালকবিশিষ্ট ডানা দান করেছেন, যা দ্বারা তারা উড়তে পারে। আল্লাহ তাআলা বলেন, সকল প্রশংসা আসমান ও জমিনের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহরই, যিনি প্রতিনিধি হিসেবে প্রেরণ করেন ফিরিশতাদের যারা দুই দুই, তিন তিন অথবা চার চার ডানাবিশিষ্ট। তিনি সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা বৃদ্ধি করেন। নিশ্চয় আল্লাহ সব কিছুর ওপর ক্ষমতাবান। (সুরা ফাতির, আয়াত : ১)

ফেরেশতাদের পাখার সংখ্যা বিভিন্ন। কারো দুই, কারো তিন এবং কারো চার পাখা রয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় যে একেক ফেরেশতাকে আল্লাহ একেক রকমের শক্তি দান করেছেন। যাকে দিয়ে যেমন কাজ করাতে চান তাকে ঠিক তেমনিই দ্রুতগতি ও কর্মশক্তিও দান করেছেন। এক হাদিসে এসেছে, জিবরাইল (আ.)-এর ছয় শ পাখা রয়েছে। (বুখারি, হাদিস : ৪৮৫৬)

শরীরের কাঠামো ও সৌন্দর্য : আল্লাহ তাআলা ফেরেশতাদের অত্যন্ত সুন্দর কাঠামো ও শক্তি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, তাকে (রাসুলকে) শিক্ষা দান করেছেন প্রচণ্ড শক্তিশালী, সৌন্দর্যপূর্ণ সত্তা। অতঃপর তিনি স্থির হয়েছিলেন। (সুরা নাজম, আয়াত : ৫-৬)

এর দ্বারা বোঝা যায় যে ফেরেশতারা অত্যন্ত সুন্দর। তারা যেমন সুন্দর তাদের চরিত্রও তেমনি। তাই তারা কোনো খারাপ আকৃতি গ্রহণ করেন না।

খাওয়া ও পান করা : ফেরেশতারা কোনো কিছু আহার ও পান করেন না। আল্লাহ তাআলা তাদের এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যে তাদের কোনো আহার তন্দ্রা-নিদ্রার প্রয়োজন হয় না। তারা সর্বদাই আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত থাকে। একদা একদল ফেরেশতা মানবাকৃতিরূপে ইবরাহিম (আ.)-এর কাছে আগমন করে। তিনি দ্রুততার সঙ্গে তাদের জন্য খাবার পরিবেশন করলেন। কিন্তু তারা খাবার গ্রহণ করল না, তারা বলল, আমরা ফেরেশতা। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘অতঃপর ইবরাহিম তার স্ত্রীর কাছে দ্রুত চুপিসারে গেলেন এবং একটি মোটা-তাজা গো-বাছুর (ভাজা) নিয়ে এলেন। অতঃপর তিনি তা তাদের সামনে রেখে বলেন, ‘তোমরা কি খাবে না? এতে তাদের সম্পর্কে তার মনে ভীতির সঞ্চার হলো। তারা বলল, ‘ভীত হবেন না।’ আর তারা তাকে এক জ্ঞানীপুত্র সন্তানের সুসংবাদ দিল।’ (সুরা জারিয়াত, আয়াত : ২৭-২৮)

তারা ক্লান্ত হয় না : ফেরেশতারা কখনো বিরক্ত কিংবা ক্লান্তিবোধ করেন না। মানুষ যেভাবে অনেক পরিশ্রমের ফলে ক্লান্ত হয়ে যায় তারা সে রকম নয়। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তারা দিন-রাত তাঁর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা করে, তারা ক্লান্তও হয় না।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ২২০)

তারা যেকোনো রূপ ধারণ করতে পারে : ফেরেশতাদের আল্লাহ তাআলা এমন যোগ্যতা দিয়েছেন যে তারা যখন যে রূপ ধারণ করতে মন চায় তা ধারণ করতে পারে। জাবের (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল (সা.) বলেন, জিবরাইল (আ.)-কে দেখলাম তার কাছাকাছি সদৃশ ব্যক্তি হচ্ছে দিহইয়া। (মুসলিম, হাদিস : ৩১২)

তাদের বংশবিস্তার হয় না : ফেরেশতা কোনো লিঙ্গের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাদের আল্লাহ তাআলা কোনো প্রবৃত্তি দেননি, কামভাব সৃষ্টি হয় না। তারা বিবাহ-শাদি করেন না এবং তাদের বংশ বিস্তার হয় না। আল্লাহ তাআলা বলেন, আর তারা বলে, ‘দয়াময় (আল্লাহ) সন্তান গ্রহণ করেছেন। তিনি পবিত্র, মহান! তারা (ফেরেশতা) তো তার সম্মানিত বান্দা।’ (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ২৬)

ফেরেশতাদের সংখ্যা : তাদের সংখ্যা আল্লাহ ছাড়া কারো জানা নেই। তাদের সংখ্যা একটি হাদিস থেকে অনুমান হয়। মেরাজের ঘটনা বর্ণনার সময় রাসুল (সা.) বলেন, ‘অতঃপর বায়তুল মামুরকে আমার সামনে প্রকাশ করা হলো। আমি জিবরাইল (আ.)-কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, এটি বায়তুল মামুর। প্রতিদিন এখানে ৭০ হাজার ফেরেশতা নামাজ আদায় করে। এরা এখান থেকে একবার বের হলে দ্বিতীয়বার ফিরে আসে না।’ (বুখারি, হাদিস : ৩২০৭)

উত্তম চরিত্রের অধিকারী : ফেরেশতারা উত্তম চরিত্রের অধিকারী। তাদের কাজে-কর্মে সততা ও নিষ্ঠা ছাড়া অন্য কিছু পাওয়া যাবে না। আল্লাহ তাআলা তাদের প্রশংসা করে বলেন, (যারা) মহাসম্মানিত ও নেককার। (সুরা আবাসা, আয়াত : ১৬)

আরও পড়ুন:


বাংলা অর্থসহ ৫টি জরুরি দোয়া

বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফল এটি, কেজি প্রতি ২৩ লাখ টাকা!


গুনাহমুক্ত জীবনযাপন : ফেরেশতারা সর্বদা আল্লাহর আনুগত্য করেন। আল্লাহ তাআলা তাদের যখন যা বলেন তা-ই করেন। কোনো ধরনের অবাধ্যতায় লিপ্ত হন না। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে ইমানদাররা, তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে রক্ষা করো আগুন থেকে, যার ইন্ধন হবে মানুষ এবং পাথর, যাতে নিয়োজিত আছে নির্মম, কঠোরস্বভাব ফেরেশতারা, যারা অমান্য করে না তা, যা আল্লাহ তাদের আদেশ করেন। আর তারা যা করতে আদেশপ্রাপ্ত হয় তা-ই করে।’ (সুরা আত তাহরিম, আয়াত : ৬)

news24bd.tv রিমু 

পরবর্তী খবর

ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সুখবর

অনলাইন ডেস্ক

ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সুখবর

হজ্ব।

করোনা সংক্রমণের পর থেকে ওমরাহ পালনকারীদের কোয়ারেন্টাইনে থাকার যে নিয়ম ছিল তা বতিল করা হলো। অর্থাৎ সৌদি আরবের অনুমোদিত করোনার টিকা নিয়ে যারা ওমরাহ করতে যাবেন তাদের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজন নেই।

বুধবার সৌদি হজ ও ওমরাহ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পূর্ণ টিকাপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা ওমরাহ করতে এখন থেকে সরাসরি পবিত্র শহর মক্কায় প্রবেশ করতে পারবেন। সৌদি আরবে পৌঁছার পর তাদের আর প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে না। এছাড়া যারা ওমরাহ করতে যাবেন তারা সৌদি আরবে এখন থেকে ৩০ দিন থাকতে পারবেন।

করোনা মহামারির আগে ওমরাহ করতে যাওয়া বিদেশিদের সৌদি আরবে ৩০ দিন থাকার অনুমতি ছিল। মহামারির সময় ওমরাহর সুযোগ বিদেশিদের জন্য বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

গত বছরের পহেলা নভেম্বর পুনরায় ওমরাহর জন্য বিদেশিদের অনুমতি দেওয়া শুরু হয়। ওই সময় তাদের অবস্থানের মেয়াদ কমিয়ে ১০ দিনে নামিয়ে আনা হয়।

আরও পড়ুন:


ফেসবুকে মন্ত্রীর পোস্ট, ‘মন চাইছে আত্মহত্যা ক‌রি’


news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

সগীরা গুনাহর পরিচয়

অনলাইন ডেস্ক

সগীরা গুনাহর পরিচয়

ফাইল ছবি

পাপ হলো শরিয়তের আদেশ-নিষেধ লঙ্ঘন করা, নির্দেশ অবহেলা করা ও নিষেধ অমান্য করা। পাপ বা অপরাধ ছোট হোক বা বড় হোক, তা সব সময় বর্জনীয়। কোনো ছোট পাপকে হালকা মনে করাও একটি কবিরা গুনাহ বা বড় পাপ। 

কবিরা অর্থ বড়, ছগিরা অর্থ ছোট। ছগিরা গুনাহ মানে ছোট পাপ, কবিরা গুনাহ মানে বড় পাপ। ছগিরার বহুবচন ছগায়ের, কবিরার বহুবচন কাবায়ের। 

যেসব পাপের ব্যাপারে কোনো শাস্তি, আল্লাহর ক্রোধ বা অভিশাপের কথা বলা হয়নি; বরং শুধুই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, সেসব হলো সগিরা গুনাহ। তবে সেসব গুনাহও কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত হবে, যার অনিষ্ট ও পরিণতি কোনো কবিরা গুনাহর অনুরূপ কিংবা তার চেয়েও অধিক। আবার যেসব ছোট গুনাহ নির্ভয়ে করা হয় কিংবা নিয়মিতভাবে করা হয়, সেগুলোও কবিরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত হবে।

কবিরা ও সগিরা গুনাহর মধ্যে পার্থক্য:

প্রথমত, কোনো গুনাহর প্রাথমিক পর্বগুলো হলো সগিরা গুনাহ। আর ওই গুনাহর চূড়ান্ত পর্ব হলো কবিরা গুনাহ।

দ্বিতীয়ত, কোনো গুনাহর অনিষ্ট ও পরিণতি যদি কোনো কবিরা গুনাহর মতো হয়, তবে তা কবিরা গুনাহ, অন্যথায় সগিরা গুনাহ।

তৃতীয়ত, ইমাম গাজ্জালি (রহ.) বলেছেন, প্রতিটি গুনাহ তার চেয়ে বড় ও ওপরের স্তরের গুনাহর হিসেবে সগিরা বা ছোট গুনাহ। আবার কোনো গুনাহ তার চেয়ে ছোট ও নিচের স্তরের গুনাহর হিসেবে কবিরা গুনাহ।

পরবর্তী খবর

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া বিশ্ব নবীর সুমহান আদর্শ

অনলাইন ডেস্ক

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া 
বিশ্ব নবীর সুমহান আদর্শ

প্রতীকী ছবি

রোগী দেখা, তার সেবা-যত্ন করা, খোঁজ-খবর নেওয়া, সান্ত্বনা দেওয়া আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুমহান আদর্শ ও সুন্নাত। প্রিয় নবী অসুস্থ ব্যক্তির সেবা করাকে নেক আমল ও ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা অসুস্থদের দেখতে যাও এবং আবার কেউ মারা গেলে তার জানাজায় অংশগ্রহণ করো; কেননা তা পরকালের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।’ (মুসনাদে আহমদ)।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


হাদিস শরিফে এসেছে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন বলবেন, হে বনি আদম! আমি অসুস্থ ছিলাম। তুমি আমাকে দেখতে আসোনি। সে বলবে, হে আমার রব! আমি আপনাকে কীভাবে দেখতে যাব? আপনি তো বিশ্বজাহানের রব! আল্লাহ বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ ছিল? তুমি তাকে দেখতে যাওনি। তুমি কি জানতে না যে, তুমি যদি তাকে দেখতে যেতে, আমাকে অবশ্যই তার কাছে পেতে।’ (মুসলিম : ২৫৬৯)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘কোনো মুসলিম ব্যক্তি তার অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখতে গেলে সে (যতক্ষণ তার কাছে অবস্থান করে ততক্ষণ) যেন জান্নাতের ফল আহরণ করতে থাকে।’ (তিরমিজি : ৯০৯)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আত্মহত্যার শাস্তি

অনলাইন ডেস্ক

আত্মহত্যার শাস্তি

ফাইল ছবি

ইসলামে আত্মহত্যা হারাম ও কবিরা গুনাহ। আত্মহত্যাকারীর গন্তব্য জাহান্নাম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা এ ঘৃণ্য কাজ থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হচ্ছে, ‘তোমরা নিজেদের হাতে নিজেদের জীবন ধ্বংসের মুখে ফেলো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)।

মহান আল্লাহ আরও বলেছেন, আমার বান্দা নিজেকে হত্যা করার ব্যাপারে বড় তাড়াহুড়ো করে ফেলেছে। তাই আমি তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিলাম।’ (বুখারি, হাদিস : ৩২৭৬; মুসলিম, হাদিস : ১১৩)


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


আত্মহত্যার ভয়ানক পরিণতি সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজেকে পাহাড়ের ওপর থেকে নিক্ষেপ করে আত্মহত্যা করে, সে জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ওইভাবে লাফিয়ে পড়ে নিজেকে নিক্ষেপ করতে থাকবে। যে ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করে, সে-ও জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ওইভাবে নিজ হাতে বিষ পান করতে থাকবে। আর যেকোনো ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করে, তার কাছে জাহান্নামে সেই ধারালো অস্ত্র থাকবে, যা দ্বারা সে সর্বদা নিজের পেট ফুঁড়তে থাকবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যে দোয়া পড়বেন

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যে দোয়া পড়বেন

প্রতীকী ছবি

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যেমন দোয়া করা উচিত তেমনি অসুস্থ হলেও তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করা উচিত। সুস্থ থাকাটা হচ্ছে আল্লাহর নেয়ামত। আবার অসুস্থতার মাধ্যমে মুমিনদের পাপ মোচন হয়। 

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শরীরের সাদকাহ আদায়ের কথা বলেছেন। মানবদেহে অনেক জোড়া রয়েছে, প্রতিটি জোড়ার হক আদায় করার কথাও বলেছেন তিনি। শরীরের এ সাদকাহ বা জোড়ার হক আদায়ে প্রতিদিন সালাতুজ জোহা বা চাশতের নামাজ পড়তে বলেছেন।

যারা চাশতের ২ কিংবা ৪ রাকাআত নামাজ পড়বে, ওই ব্যক্তি শরীরের সাদকাহ বা জোড়ার হক আদায় হয়ে যাবে। আবার ভালো কাজ ও ভালো আচরণেও শরীরের হক আদায় হয় বলেছেন বিশ্বনবী।

বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে শরীরকে সুস্থ রাখতে সকাল সন্ধ্যা দোয়ার আমল করতে বলেছেন। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকাল-সন্ধ্যায়

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি সাম-ই, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাসারি, লা-ইলাহা ইল্লা আনতা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ, আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ, আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।’

উপকার: আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি আমার পিতাকে বললাম, আব্বাজান, আমি আপনাকে প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় তিনবার বলতে শুনি যে আপনি এই দোয়া পাঠ করছেন। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এ বাক্যগুলো দ্বারা দোয়া করতে শুনেছি। সে জন্য আমিও তাঁর নিয়ম অনুসরণ করতে ভালোবাসি। (আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৯০)

------------------------------------------------------------

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

জ্বর ও ব্যথা হলে যে দোয়া পড়বেন!

সন্তানের মঙ্গলের জন্য যে দোয়া করবেন

-----------------------------------------------------------------

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর