গ্যাসের গাড়িতেও বাড়তি ভাড়া!
গ্যাসের গাড়িতেও বাড়তি ভাড়া!

গ্যাসের গাড়িতেও বাড়তি ভাড়া!

অনলাইন ডেস্ক

রাতারাতি রাজধানীর সব ধরনের বাস তেলচালিত হয়ে গেল। গতকাল ঢাকার বিভিন্ন রুট ঘুরে কোথাও একটি গ্যাসচালিত বাসও পাওয়া যায়নি। ভাড়া আদায়ের সময় সব বাসের ড্রাইভার, কন্ডাক্টর ও হেলপারই দাবি করেছেন যে তাদের বাস তেলে চলে। কবে থেকে তেলে চলে- এ প্রশ্নে কেউ কোনো উত্তর দেননি।

ফলে তারাও বাড়তি ভাড়া আদায় করছেন যাত্রীদের থেকে।  

তিন দিন ধর্মঘটের পর সরকারের সঙ্গে বাস মালিকদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বর্ধিত ভাড়ায় পুরোদমে গাড়ি চলতে শুরু করেছে। রাজধানীর বিভিন্ন রুটে লোকাল বাসে সিদ্ধান্তের চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছেন অধিকাংশ যাত্রী। বাসের সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা এবং মিনিবাসে ৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সরকার সে অনুযায়ী প্রজ্ঞাপনও জারি করে। কিন্তু অনেক বাসই তা মানছে না। বরং বলছে ভাড়ার তালিকা তৈরি হলে ভাড়া আরও বাড়বে।

গ্যাসে চালিয়েও ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে লেগুনা বা হিউম্যান হলারগুলো। তুলনামূলক কম দূরত্বে চলা লেগুনাগুলো শতভাগ গ্যাসে চালিত। ফার্মগেটের ইন্দিরা রোডে মোহাম্মদপুর ও জিগাতলায় যাওয়ার লেগুনাগুলো সারি ধরে দাঁড়িয়ে। মোহাম্মদপুরের ভাড়া আগে ছিল ১০ টাকা। সেগুলো করা হয়েছে ১৫ টাকা। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, গুলিস্তান, আজিমপুর, রামপুরা, মোহাম্মদপুর, বাড্ডাসহ আরও কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, স্বল্প দূরত্বের ক্ষেত্রে আগের তুলনায় ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এসব রুটে তেলবাহী বাসে সর্বোচ্চ ২৭ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। অধিকাংশ রুটের বাসে পুরনো ১০ টাকা ভাড়ার স্থলে ১৫ টাকা নেওয়া হচ্ছে। কোথাও কোথাও ২০ টাকা পর্যন্ত আদায় করছেন হেলপাররা।  

আরও পড়ুন:

তারেক বিলাসী জীবনের টাকা কোথায় পায়, প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রীর

ধর্ষণ মামলায় জামিন পেলেন একাত্তর টিভির শাকিল আহমেদ

নির্ধারণ হলো লঞ্চের সর্বনিম্ন ভাড়া


যাত্রাবাড়ী থেকে টঙ্গী রুটে চলাচলকারী তুরাগ পরিবহনের বেশ কয়েকটি বাস সিএনজিচালিত হলেও যাত্রীদের থেকে বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া যাত্রাবাড়ী-গাবতলী রুটে ৮ নম্বর, উত্তরা রুটে রাইদাসহ কয়েকটি সিএনজিচালিত বাসেও নেওয়া হচ্ছে বাড়তি ভাড়া। অরাজকতা বেশি রাইদায়। তারা যেখানে আগে ১০ টাকা নেওয়া হতো, প্রতিটি কাউন্টারে ৫ টাকা ভাড়া বৃদ্ধি করে ১৫ টাকা আদায় করছে। অথচ রাইদার সব গাড়িই সিএনজিচালিত। তবে চালকদের সঙ্গে কথা বললে কেউ বিষয়টি স্বীকার করতে চাননি। কিন্তু গাড়ির পেছনের অংশে নিচে সিএনজির বোতল দেখা যায়। একাধিক চালক-হেলপারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যাত্রাবাড়ী থেকে টঙ্গী পর্যন্ত আগের ভাড়া ছিল ৪৫ টাকা। এখন ৭০ টাকা রাখা হচ্ছে। কোনো কোনো গাড়ির চালক-হেলপার দাবি করেন ৬৫ টাকা রাখছেন তারা।

news24bd.tv/আলী

;