করোনার ট্যাবলেট ‘মলনুপিরাভির’ নিয়ে যা বললো ওষুধ প্রশাসন
করোনার ট্যাবলেট ‘মলনুপিরাভির’ নিয়ে যা বললো ওষুধ প্রশাসন

করোনার ট্যাবলেট ‘মলনুপিরাভির’ নিয়ে যা বললো ওষুধ প্রশাসন

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাজ্যে সদ্য অনুমোদন পাওয়া করোনাভাইরাসের মুখে খাওয়ার ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’ বাংলাদেশের বাজারে অনুমোদন পেয়েছে। দেশে করোনা চিকিৎসায় অ্যান্টিভাইরাল ট্যাবলেটটি জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে সরকার।  

আর এ বিষয়টি নিয়ে আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে ওষুধ প্রশাসন।

এসময় অধিদপ্তরটির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, দেশে করোনা চিকিৎসায় অ্যান্টিভাইরাল ওরাল পিল বা মুখে খাওয়ার ওষুধ ‘মলনুপিরাভির’ অবশ্যই টিকার বিকল্প নয়।

তবে এ ওষুধ করোনাভাইরাস মহামারি দূর করতে ভূমিকা পালন করবে।

তিনি বলেন, দেশে মলনুপিরাভির অ্যান্টিভাইরাল ট্যাবলেট জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এগুলো অবশ্যই টিকার বিকল্প নয়। টিকা নিতে হবে। তবে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এই অ্যান্টিভাইরাল ট্যাবলেট খাওয়া যাবে।  

মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত দশটি প্রতিষ্ঠান মলনুপিরাভির উৎপাদনের জন্য অনুমোদন চেয়ে আবেদন করেছে। ইতিমধ্যে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস ও এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালসকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আরও আটটি প্রতিষ্ঠান অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। সেগুলো হলো- স্কয়ার, জেনারেল, বিকন, রেনেটা, ইনসেপটা, একমি, হেলথ কেয়ার ও পপুলার ফার্মাসিউটিক্যালস।

ওষুধের ব্যবহারবিধি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুখে খাওয়ার এই ওষুধ পাঁচ দিনের ডোজ। সকালে চারটা ট্যাবলেট আর রাতে চারটা ট্যাবলেট। পাঁচ দিনে মোট চল্লিশটা ট্যাবলেট খেতে হবে।


আরও পড়ুন:

ভাড়া নিয়ে রাজপথে নৈরাজ্য

দেশে করোনার ট্যাবলেটের অনুমোদন

নিজের বিয়ে ঠেকাতে গলায় ফাঁস দিলো কিশোরী


ওষুধ প্রশাসন মহাপরিচালক বলেন, ট্যাবলেটটি ইতিমধ্যে বাজারে (বেক্সিমকোর) এসেছে। এটি ব্যবহার করতে পারলে কোভিড নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই এর পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। আমাদের দেশেও হয়েছে। ফলাফলও আমরা ভালো পেয়েছি। মৃত্যু ও হাসপাতালে ভর্তি অর্ধেক কমাতে পারে এই ওষুধ। তবে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শেই এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে। তবে কোনোভাবেই ১৮ বছরের নিচে এই ওষুধ ব্যবহার করা যাবে না।

news24bd.tv নাজিম

;