ঘুমিয়েই কমাবেন ওজন

অনলাইন ডেস্ক

ঘুমিয়েই কমাবেন ওজন

ওজন বেড়ে যাচ্ছে! কিভাবে কমাবেন,এ নিয়ে চিন্তার শেষ নেই অনেকের। তবে, সুখবর হল ঘুমিয়েই ওজন কমাতে পারবেন। কিভাবে জেনে নিন।

ঘুম কম হলে শরীরের ক্ষুধাপ্রক্রিয়ায় অন্যভাবে কাজ করে। তাই রাত জেগে থাকলে উল্টোপাল্টা খাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যায়। রক্তে শর্করা মাত্রা বেড়ে যেতে পারে এর ফলে। তাই ওজন বাড়তেও বেশি সময় লাগে না। 

১। যারা সন্ধ্যাবেলা শরীরচর্চা করেন, তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা রাতে কম ওঠানামা করে বলে দেখা গেছে। তাই আপনি যদি ওয়েট ট্রেনিং করেন, তাহলে সেটা সকালের বদলে সন্ধ্যাবেলা করতে পারেন। শরীরের বিপাক হার শরীরচর্চার পর ১৬ ঘণ্টা পর্যন্ত বেশি থাকবে। তাই ঘুমের মধ্যেও শরীরে ক্যালোরি বেশি খরচ হবে।

২। ক্যাসেইন প্রোটিন এক ধরনের দুগ্ধজাত প্রোটিন, যা হজম হতে অনেকটা সময় নেয়। তাই রাতে যদি এই ধরনের কোনো প্রোটিন শেক খেতে পারেন, তাহলে সারা রাত ধরে আপনার হজম প্রক্রিয়া সচল থাকবে। ক্যালোরিও ঝরবে।
 
৩। শরীরচর্চা করার পর যদি ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে পারেন, তাহলে শরীরে থেকে ল্যাকটিক অ্যাসিড বেরিয়ে যেতে সাহায্য করবে। আমাদের শরীরে ব্রাউন ফ্যাটের পরিমাণে খুব কম থাকে। কিন্তু এটি সক্রিয় থাকলে শরীরের বিপাক হার বেড়ে অনেকক্ষণ পর্যন্ত ক্যালোরি ঝরাতে পারে। ৩০ সেকেন্ড যদি বরফ-ঠান্ডা পানিতে গোসল করতে পারেন, তা হলে শরীরের ব্রাউন ফ্যাট সক্রিয় হয়ে ঘুমের মধ্যেও ৪০০ ক্যালোরি পর্যন্ত ঝরাতে পারে।
 
৪। গ্রিন টি শরীরের বিপাক হার বাড়াতে সাহায্য করে। দিনে যদি ৩ কাপ চা খান, তার মধ্যে শেষ কাপটি ঘুমের আগে তা হলে ঘুমের মধ্যে ৩.৫ শতাংশ বেশি ক্যালোরি ঝরতে পারে।

আরও পড়ুন:

প্রেমিকের বাড়িতে একসঙ্গে ৪ তরুণীর অনশন, ধরা পড়ে আত্মহত্যার চেষ্টা

বিয়ের পূর্বে যৌনতা যে গ্রামের রীতি

 ৫। ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং করেন কি? যেই খাদ্যাভ্যাসে দিনে ১৬ ঘণ্টা না খেয়ে বাকি ৮ ঘণ্টা খাওয়া যায়। এতে জমিয়ে রাখা সব সুগার শেষ হয়ে গিয়ে ফ্যাট ঝরিয়ে এনার্জি পায় শরীর। তাই ঘুমের মধ্যেও অনেকটা ক্যালোরি ঝরে।
 
সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

news24bd.tv রিমু   

পরবর্তী খবর

৮০ কেজি ওজন তুলে তাক লাগলেন ৭ বছরের মেয়ে

অনলাইন ডেস্ক

৮০ কেজি ওজন তুলে তাক লাগলেন ৭ বছরের মেয়ে

বয়স তার মাত্র ৭ বছর। এখন তো তার খেলার বয়স। কিন্তু এত কম বয়সেই এই মেয়ে যেন পেশাদার হয়ে উঠেছে। ৭ বছরের রোরি বেন উলফ অলিম্পিকের উইমেন্স বারের স্নেচে ৩২ কেজি, ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ৪২ কেজি, সোয়াটিংয়ে ৬১ কেজি ও ডেডলিফ্টে ৮০ কেজি ওজন তুলে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। কানাডার এই মেয়ে এখন সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন। 

রোরি এই অসম্ভবকে সম্ভব করেছে দুই বছর অনুশীলনের পর। মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকে রোরি ভারোত্তলন শুরু করেছিল। তার বয়সী বাচ্চারা যখন খেলে দিন কাটায়, তখন সে রীতিমতো নিজেকে শক্তিশালী করার করসত শুরু করে দিয়েছিল। 


কারাগারে পাঁচ বছর ধরে তুষারকে একান্তে সঙ্গ দিয়ে আসছে সুইটি

পপিকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে এমপি বানাতে চাইলেন যুবক

সাতপাকে বাঁধা পরলেন বরুণ-নাতাশা

গৃহকর্মীকে ধর্ষণচেষ্টা, সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলে গ্রেপ্তার


বলাবাহুল্য, রোরি এখন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বাচ্চা মেয়ে। অনন্য রেকর্ড সে নিজের নামে করে নিয়েছে। রোরি বলেছে, নিজেকে ফিট দেখতে তার ভালো লাগে। একই সঙ্গে সে নিজের সারা শরীরে ট্যাটু আঁকার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।

রোরি বলেছে, 'খাওয়াদাওয়া আর অনুশীলনে আমার সবচেয়ে বেশি ফোকাস ছিল। সেই সঙ্গে নিজেকে শক্তিশালী করে তোলার ইচ্ছাও ছিল। ওজন তুলতে আমার ভালো লাগে। আত্মবিশ্বাসী মনে হয়। নিজেকে ঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে অনেক রেকর্ড করা যায়।' 

তার ভারোত্তলনের ভিডিওর নিচে একজন লিখেছিলেন, 'তোমার বাঁ হাতের ট্যাটু-টা দারুণ।' জবাবে রোরি বলেছে, 'ওটা অস্থায়ী। তবে আমি একদিন সারা শরীরে ট্যাটু করাব। ট্যাটু দেখাতে আমার খুব ভালো লাগে।'

ভিডিও লিংক- link

news24bd.tv / কামরুল 

পরবর্তী খবর

রূপচর্চা থেকে শুরু করে মেজাজ ফুরফুরে করে তোলা - পিপারমিন্ট তেলের বহুবিদ ব্যবহার

অনলাইন ডেস্ক

রূপচর্চা থেকে শুরু করে মেজাজ ফুরফুরে করে তোলা - পিপারমিন্ট তেলের বহুবিদ ব্যবহার

পিপারমিন্ট বা ফ্রেশ মিন্ট যে শুধুমাত্র মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে কাজে লাগে তা কিন্তু নয়, এই ভেষজটি আমাদের সৌন্দর্যবৃদ্ধি করতেও সমানভাবে উপকারী। ত্বকের যত্নেই হোক বা চুলের সমস্যা দূর করতেই হোক বা সুস্বাস্থ্যের জন্যই হোক, পিপারমেন্ট বা পিপারমিন্টের তেল আমাদের অনেক কাজে লাগে।

পিপারমিন্টের তেল হল দুটি পুদিনার মধ্যে একটি জল পুদিনা ও স্পিয়ারমিন্টের মিশ্রন। ক্যান্ডি এবং সাবানে যে স্বাদ এবং গন্ধ আমরা পাই তা উদ্ভিদের অভ্যন্তরের ঘন তেল থেকে আসে। প্রাচীন গ্রীক, রোমান এবং মিশরীয়রা হাজার হাজার বছর পূর্বে ওষুধ হিসাবে গোলমরিচ সহ পুদিনা ব্যবহার করতেন। পিপারমিন্টের অসংখ্য স্বাস্থ্য উপকারিতার কয়েকটি এখানে তুলে ধরা হল।


ট্রাম্পের হুমকির জবাব দিলেন জর্জিয়ার শীর্ষ নির্বাচন কর্মকর্তা

সোলাইমানি হত্যার প্রতিবাদ জানিয়ে স্পিকারের চিঠি


মাথা ব্যথা দূর করে

পেপারমিন্টের সক্রিয় উপাদান মেন্থল। গবেষণায় দেখা গেছে এটি মাইগ্রেনের মাথা ব্যথার ব্যথা হ্রাস করতে পারে। এটি হালকা সংবেদনশীলতা, বমি বমি ভাব এমন অসুস্থতা থেকে পরিত্রাণ দেয়।

মুখের জীবাণুগুলি মেরে ফেলে
কেবল মরিচের স্বাদ আপনার শ্বাসকে সতেজ করে না। বরং এর অ্যান্টিব্যাকটিরিয়াল বৈশিষ্ট্যগুলি গন্ধের উৎস জীবাণুগুলি থেকে মুক্তি পেতে সহায়তা করতে পারে। যা আপনার দাঁতকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

স্বাচ্ছন্দ্যযুক্ত সাইনাসগুলি
পেপারমিন্টের অ্যান্টিমাইক্রোবায়াল শক্তিগুলি সাধারণ সর্দি বা সংক্রামিত শ্লেষ্মা থেকে লড়াই করতে সহায়তা করে। পেপারমিন্টের আপনাকে আরও সতেজ করতে পারে, যেন আপনি আরও সহজে শ্বাস নিতে পারেন।

সিজনাল অ্যালার্জি দূর করে
শীতের মৌসুমে অ্যালার্জির সমস্যা বেড়ে যায় অনেকের। পিপারমিন্টে আছে রসমারিনিক অ্যাসিড নামে একটি যৌগ। যা আপনার দেহের হিস্টামিন বিক্রিয়া কমিয়ে আনতে পারে। কাঁশি, হাঁচি এবং নাক লাল হয়ে যাওয়া ও চুলকানির মতো কম লক্ষণগুলি কমে যায়। মেয়েদের মাসিকের সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং উত্তেজনা মুক্ত করে। 

news24bd.tv আয়শা সিদ্দিকা

পরবর্তী খবর

যে যোগাসন চর্চায় বাড়ে মিলনে স্ফুর্তি

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

যে যোগাসন চর্চায় বাড়ে মিলনে স্ফুর্তি

যোগাসন

যোগাসন শরীর ও মন- দুয়ের জন্যই ভালো। নিরোগ শরীর বজায় রাখতে নিয়মিত যোগাসন করা প্রয়োজন। যোগাসন এমন প্রাকৃতিক উপায় যা শারীরিক গঠন ঠিক রাখে।

জেনে নিন কিছু আসন যা নিয়মিত চর্চা করলে শরীরের নমনীয়তা বাড়বে। সেই সঙ্গে বাড়বে যৌন মিলনের স্ফুর্তি।

প্রসারিত পদোত্তাসন: প্রসারিত পদত্তোসন বা স্ট্যান্ডিং স্ট্রেডল ফরওয়ার্ড বেন্ড মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়, শরীরের ব্যালান্স বাড়ায়। শরীরের নীচের অংশের পেশীর নমনীয়তা বাড়ায়।

অধমুখ শ্বনাসন: এই আসন গোটা শরীরের নমনীয়তা, ব্যালান্স যেমন বাড়ায় তেমনই মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে আপনাকে রিল্যাক্সড করে। মনোসংযোগ বাড়ায়।

চক্রাসন: চক্রাসন বা হুইল পোজ আপনার মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বাড়ায়। একই সঙ্গে গোটা শরীরের নমনীয়তা বাড়ায়।

সুপ্ত বদ্ধ কোনাসন: এই আসন উরু ও নিতম্বের শক্তি বাড়ায়। যৌন মিলন এবং সন্তান প্রসবকালে এই আসন অত্যন্ত উপযোগী।

আনন্দ বলাসন: এই আসন আপনার উরু, হাঁটু, জঙ্ঘা সহ শরীরের নীচের অংশের নমনীয়তা বাড়ায়। জরায়ুর সংকোচন, প্রসারণে সাহায্য করায় এই আসন মেয়েদের ঋতুকালে (মেনস্ট্রুরেশন) ও যৌন মিলনের সময় আনন্দ বলাসন অত্যন্ত উপযোগী।

হলাসন: মেরুদণ্ডের নমনীয়তা বাড়াতে, পিঠ, কোমরের ব্যথা সারাতে অবশ্যই রোজ করুন এই আসন। হাতের পেশীর জোরও বাড়ায় হলাসন।

সেতুবন্ধন আসন: সেতুবন্ধন আসন বা ব্রিজ পোজ গোটা শরীরের নমনীয়তা বাড়ায়। নীচের অংশের পেশী যেমন সবল করে, তেমনই ঘাড়ের ব্যালান্সও বাড়ায়।

(নিউজ টোয়েন্টিফোর/তৌহিদ)

পরবর্তী খবর

বয়স বাড়ার ছাপ কমাবেন যেভাবে

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

বয়স বাড়ার ছাপ কমাবেন যেভাবে

প্রতীকী ছবি

নারী পুরুষ সবার মধ্যেই কম-বেশী উৎকণ্ঠা রয়েছে বয়স বেড়ে যাওয়া নিয়ে। বয়স তো আটকানো যায় না। কিন্তু বয়স বাড়ার গতি যদি একটু কমিয়ে দেয়া যায়, অথবা শরীরে বয়সের ছাপ যাতে দেরিতে আসে, এ নিয়ে বিজ্ঞানীদের নানা ধরণের গবেষণাও রয়েছে।

বিজ্ঞানীদের সাম্প্রতিক এক গবেষণা বলছে, শরীরবৃত্তীয় নয়টি উপসর্গের মাধ্যমে বোঝা যায় যে আপনার বয়স হচ্ছে। স্পেনের বিজ্ঞানী ম্যানুয়েল সেরানো সেই দলে রয়েছেন।

তিনি বলছেন, একেকজন মানুষের বয়স বাড়ার লক্ষণ একেক রকম, কিন্তু সবারই তো বয়স বাড়ছেই। গবেষণায় তারা দেখেছেন, মানুষসহ যেকোন স্তন্যপায়ী প্রাণীর বয়স বাড়ার লক্ষণ প্রায় একই, অর্থাৎ যে সব শরীরবৃত্তীয় পরিবর্তন ঘটে তা প্রায় একই রকম।

১. ডিএনএ ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে

আমাদের ডিএনএ শরীরের ভেতরকার কোষগুলোর মধ্যে প্রবাহিত এক ধরণের জেনেটিক কোড। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর মধ্যে ভুল হবার সুযোগ বাড়ে। সেই ভুলগুলো শরীরের কোষের মধ্যে জমা হতে থাকে। এ সময়ে জেনেটিক স্থায়িত্ব কমে যায়, যে কারণে স্টেম সেলের কার্যকারিতা কমে যায়।

২. ক্রোমোজোম ক্ষয়প্রাপ্ত হয়

আমরা যদি ডিএনএকে একটা সুতার মত ধরি, তাহলে সেটির মাথায় একটি ক্যাপ বা ঢাকনা থাকে যা আমাদের ক্রোমোজোমসমূহকে রক্ষা করে। এটা অনেকটা জুতোর ফিতার মাথা যেমন প্লাস্টিক দিয়ে মোড়ানো থাকে তেমন হয়। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এই ঢাকনাগুলো আলগা হয়ে যেতে থাকে, ফলে আমাদের ক্রোমোজোমসমূহের কোন সুরক্ষা থাকে না। মানে হলো তখন সেগুলো নিজেদের প্রতিলিপি বানাতে ভুল করে থাকে। সন্তান উৎপাদন প্রক্রিয়া তখন কিছুটা জটিল হয়ে পড়ে।

৩. কোষের আচরণ বদলে যায়

আমাদের শরীরের অভ্যন্তরে ডিএনএ এক্সপ্রেশন নামে একটি প্রক্রিয়া আছে, যেখানে একটি কোষের মধ্যে থাকা হাজারো জিন নির্ধারণ করে ঐ কোষের কার্যক্ষমতা, অর্থাৎ ঐ নির্দিষ্ট কোষটি শরীরের ত্বক হিসেবে কাজ করবে না মস্তিষ্ক হিসেবে আচরণ করবে। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এবং জীবনযাপন পদ্ধতির কারণে সেই কোষের আচরণ বদলে যেতে শুরু করে।

৪. কোষ নবায়নের সক্ষমতা হারিয়ে যায়

ক্ষয় হয়ে যাওয়া কোষের পরিমাণ যাতে না বাড়ে, সেজন্য আমাদের শরীরের ক্রমাগত নতুন কোষ তৈরির ক্ষমতা আছে। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের সেসব দক্ষতা কমে যায়। তখন কোষসমূহ অপ্রয়োজনীয় অথবা বিষাক্ত প্রোটিন জমাতে শুরু করে, যেগুলো চোখের ছানি, আলঝেইমার বা পারকিনসন্স রোগের কারণ হয়ে ওঠে।

৫. কোষের পরিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ হারায়

সময়ের সাথে সাথে শরীরের কোষসমূহ চর্বি বা চিনি জাতীয় উপাদানকে প্রসেস বা পরিপাক করার ক্ষমতা হ্রাস পেতে থাকে। এজন্য বয়স বাড়ার পর বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়াবেটিস হবার শঙ্কা বাড়ে, আর সেটি সারা পৃথিবীতেই একটি সাধারণ রোগ। 

৬. মাইটোকন্ড্রিয়া কাজ বন্ধ করে দেয়

মাইটোকন্ড্রিয়া শরীরের কোষে শক্তি যোগান দেয়, কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে তাদের কর্মক্ষমতা কমে যায়। আর মাইটোকন্ড্রিয়া যখন ঠিকমত কাজ করতে পারে না, সেটা ডিএনএ'র জন্য খারাপ। তবে, কিছু গবেষণা বলছে, মাইটোকন্ড্রিয়ার কর্মদক্ষতা যদি নতুন করে বাড়ানো যায়, তাহলে সমস্ত স্তন্যপায়ী প্রাণীর আয়ু বাড়ানো সম্ভব হবে।

৭. কোষ ভৌতিক হয়ে যায়

কোন কোষ যখন বাজেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন সেটি কাজ করা বন্ধ করে দেয়। কিন্তু কাজ বন্ধ করলেই কোষের মৃত্যু হয় না। এই কোষগুলো তখন ভৌতিক কোষে পরিণত হয়। এবং নিজের চারপাশের কোষগুলোকেও জোম্বি বা ভৌতিক কোষে পরিণত হতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীরে জ্বালাপোড়ার মত উপসর্গ দেখা দেয়।

৮. স্টেম সেলের শক্তি কমে যায়

বয়স বাড়ার সাথে সাথে কমে যায়, যে কারণে তার পুনরুৎপাদনের ক্ষমতা কমে যায়। কিন্তু বিজ্ঞনীরা দেখেছেন, স্টেম সেলের এই শক্তি কমে যাওয়া ঠেকানো গেলে বয়স বাড়ার গতি কমিয়ে দেয়া যেত।

৯. নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বন্ধ করে দেয় কোষ

শরীরের মধ্যে সারাক্ষণই কোষেরা নিজেদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে সেই যোগাযোগ কমতে থাকে। এর ফলে শরীরে জ্বালাপোড়া, কথাবার্তা বলতে সমস্যা হতে পারে। এর ফলে শরীরের সতর্ক একটা ভাব হারিয়ে যেতে থাকে। বয়স বাড়া যদিও একটি স্বাভাবিক এবং অনিবার্য প্রক্রিয়া।

বিজ্ঞানীরা বলছেন স্বাস্থ্যকর লাইফস্টাইল বা জীবনযাপন পদ্ধতির মাধ্যমে বয়স বাড়ার গতিকে হয়তো কিছুটা দূরে রাখা যায়। 

সূত্রঃ বিবিসি 


NEWS24▐ কামরুল

পরবর্তী খবর

মুখের মেদ কমাবে যেই ৪ ব্যায়াম

নিউজ টোয়েন্টিফোর ডেস্ক

মুখের মেদ কমাবে যেই ৪ ব্যায়াম

প্রতীকী ছবি

১.মুখ যতটা সম্ভব খোলার চেষ্টা করুন যতক্ষণ না গালে, ঠোঁটে ও থুতনিতে চাপ অনুভব করছেন। এরপর ১০-১৫ সেকেন্ড বিরতি নিন। দিনে পাঁচ মিনিট এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করুন। এর ফলে মুখের রক্ত সঞ্চালন বেড়ে যায় যা অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।

২.ধীরে ধীরে মাথা পেছন দিকে হেলান যতক্ষণ না ঘাড়ে চাপ অনুভব করছেন। এ বার চোয়াল ডান দিক থেকে বাঁ দিক এবং বাঁ দিক থেকে ডান দিকে নড়াবার চেষ্টা করুন। দিনে ২-৩ মিনিট করে অন্তত পাঁচবার এই ব্যায়াম করতে পারলে ঘাড় ও গলার মাসল টোন হবে, অতিরিক্ত মেদও কমে যাবে।

৩.চোখ বন্ধ করে চোখের পাতায় আঙুল রাখুন। এরপর চোখের পাতা নিচের দিকে নামানোর সঙ্গে ভ্রু ওপরে তোলার চেষ্টা করুন। এতে কপাল টোনড হবে। প্রতিদিন ৫ মিনিটের জন্য এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করুন।

অনেক সময় চোখের তলায় মেদ জমে যায়। এই মেদ কমাতে চোখ বন্ধ করে বিরতি নিন। এবার চোখ বন্ধ অবস্থায় চোখের মণি ওপরে তুলুন এবং নিচে নামান। ১৫ মিনিট ধরে এই ব্যায়াম করতে হবে। এবার চোখ বন্ধ অবস্থাতে যতটা সম্ভব ভ্রু ওপরের দিকে তোলার চেষ্টা করুন। চোখ না খুলে প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট এই ব্যায়ামটি করুন।

৪.মুখের মধ্যে আঙুল ঢুকিয়ে যতটা সম্ভব জোরে চুষুন। এই ভঙ্গিতে মুখের ভেতরে হাওয়া টেনে গাল দু'টোকে যতটা সম্ভব সংকুচিত করুন (অনেকটা সেলফি তোলার সময় পাউট করার মতো)। প্রতিদিন অন্তত দশবার যদি এই পদ্ধতিতে ব্যায়াম করতে পারেন, তাহলে গালের ফোলাভাব অনেকটাই কমে যাবে।

এবার মাথা পেছন দিকে হেলিয়ে হাত দিয়ে গালের ওপর চাপ সৃষ্টি করুন। একইসঙ্গে যতটা সম্ভব মুখ বন্ধ করে হাসার চেষ্টা করুন। ১০ মিনিট এই ব্যায়াম করতে পারলে গাল থেকে অতিরিক্ত মেদ কমে যাবে।

 

NEWS24কামরুল

পরবর্তী খবর