জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় বেশিরভাগ এলাকা

চট্টগ্রামের খালগুলো এখন ময়লার ভাগাড়

নয়ন বড়ুয়া জয়

চট্টগ্রামের খালগুলো এখন ময়লার ভাগাড়। বৃষ্টি নয় জোয়ারের পানিতে তলিয়ে যায় চকবাজারসহ অধিকাংশ এলাকা। সিডিএ’র জলাবদ্ধতা নিরসনের মেগা প্রকল্পে সুফল না পাওয়ায় হতাশ ভুক্তভোগীরা। 

সিডিএ বলছে ,৬০ শতাংশ কাজ শেষ, সুফল মিলবে পুরো কাজ শেষ হলে। আর নগর বিশ্লেষকরা বলছেন, সিডিএ ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে সমন্বয় না থাকলে মিলবেনা এই প্রকল্পের সুফল। 

চট্টগ্রামের দুঃখ চাক্তাই খাল। উভয় পারের মানুষ এই খালকে আবর্জনার ভাগাড় হিসেবেই ব্যবহার করে। তাই বৃষ্টি নয় প্রতিদিন দু’বার জোয়ায়ের পানিতে ডুবে যায় নগরের চকবাজারসহ বেশ কিছু এলাকা। 

আরও পড়ুন


বাড়তি ভাড়া আদায় ঠেকাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান

নারীর সঙ্গে পরকীয়া, এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া অতঃপর...

কোহলির ৯ মাস বয়সী কন্যাকে ধর্ষণের হুমকি, আটক ১


শুধু এই খাল নয় নগরের আরো ৩৫টি খালের অবস্থাও  খারাপ। সিডিএ বলছে, জলাবদ্ধতা প্রকল্পের ৬০ শতাংশ কাজ শেষ।পুরো শেষ হলেই মিলবে সুফল।

জলাবদ্ধতা নিরসনে মেগা প্রকল্পের আওতায় খাল উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযান এখনও চলমান রয়েছে বলে জানিযেছে সিডিএ।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

পারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন

শফিকুল ইসলাম শামীম, রাজবাড়ী :

পারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে উভয় ফেরি ঘাটে পারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন। দুর্ভোগে হাজার হাজার যাত্রী ও যানবাহনের চালকবৃন্ধ। কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে উভয় ঘাটে বসে। লোকসান হচ্ছে এই নৌরুট ব্যবহারকারী সাধারণ ব্যবসায়ীদের।  

সোমবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের প্রায় ৪কিঃমিঃ যাত্রীবাহী বাস ও পন্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ দুইটি সারি রয়েছে। 

এতে প্রায় ৫শতাধিক বিভিন্ন প্রকার যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় অলস সময় পার করছে। যাত্রীবাহী পরিবহনগুলো ৫/৬ ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফেরি পার হতে পারলেও পন্যবাহী ট্রাকগুলো ২/৩ দিন অলস সময় পার করছে ঘাটে বসেই। অনেক যাত্রী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ৩/৪ কিঃমিঃ পায়ে হেঁটে এসে লঞ্চে পার হচ্ছে। 

অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ সময় দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে অপেক্ষায় থাকায় চালকদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। লোকসানে হচ্ছে সাধারণ ব্যবসায়ীদের। সাধারণ যাত্রীরা নানা প্রকার দুর্ভোগে পরছে প্রতিনিয়ত। 
 
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ঘাট সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২০টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করলে গড়ে ৪২শত বিভিন্ন প্রকার যানবাহন দৌলতদিয়া থেকে নদী পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যেতে পারে। 

সেই হিসেবে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে আসে ৪২শত বিভিন্ন প্রকার যানবাহন। কিন্ত গত এক সপ্তাহ যাবৎ এই নৌরুটে ১৪টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করছে। যে কারণে প্রতিনিয়ত উভয় ঘাটে পারের অপেক্ষায় শতশত বিভিন্ন যানবাহন। 

এদিকে নদীতে নাব্যতা সংকট থাকায় পাটুরিয়া পারের ড্রেজিং করা হচ্ছে। যে কারণে ৩টি ফেরি ঘাট বন্ধ রয়েছে। মাত্র ২টি ঘাট সচল রয়েছে।  

আরও পড়ুন:


ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে কোপাল দুর্বৃত্তরা


এ সময় কাভারভ্যান চালক ইব্রাহিম আলী বলেন, ঘাটে আসলেই দুর্ভোগ। দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। কমপক্ষে ১/২ দিন ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকতে হয়। তিনি আরও জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে জরুরি ভাবে রোরো (বড়) ফেরি বাড়ানো প্রয়োজন। 

যাত্রীবাহী বাস সাকুরা পরিবহনের যাত্রী কালাম বলেন, ঘাটে বসে ৪ঘণ্টা। আরও ২ঘণ্টা হয়ত বসে থাকতে হবে। ফেরির অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হচ্ছে। এমন দুর্ভোগ সারা বছর। তিনি দুঃখ করে বলেন, ঘাটে আসলে অপেক্ষায় পালা যেন শেষ হয় না।  

বিআইিব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শিহাব উদ্দিন জানান, নদীতে নাব্যতা সংকট, ফেরি সংকট থাকায় ফেরি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এতে প্রতিনিয়ত উভয় ফেরি ঘাটে কিছু যানবাহন পারের অপেক্ষায় থাকছে।

তিনি আরও বলেন, নাব্যতা সংকট মোকাবিলা করতে পারলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে। তখন যানবাহন পারাপারে কোন প্রকার সমস্যা হবে না। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বাড়তি ভাড়া নিয়ে জেলায় জেলায় নৈরাজ্য

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাড়তি ভাড়া নিয়ে জেলায় জেলায় নৈরাজ্য

গণপরিবহণে বাড়তি ভাড়া কার্যকরের প্রথম দিনেই দেশের বিভিন্ন জেলায় শুরু হয়েছে চরম নৈরাজ্য। যে যার মত আদায় করছে বাড়তি ভাড়া। এ নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ যাত্রীরা। তাদের অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে বাড়তি ভাড়া আদায় করছে পরিবহণ শ্রমিকরা। অবশ্য পরিবহণ শ্রমিকদের দাবি, সরকার নির্ধারিত ভাড়াই  আদায় করছেন তারা। 

গণপরিবহণে বাড়তি ভাড়া কার্যকরের প্রথম দিনে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে দেখা দিয়েছে চরম বিশৃঙ্খলা। প্রশাসনের নজরদারি না থাকায় সরকার নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও বেশি ভাড়া আদায় করছে পরিবহণ সংশ্লিষ্টরা।

সাধারণ মানুষের অভিযোগ, আয় না বাড়লেও  প্রতিটি নিত্যপণ্যের দরই উর্ধ্বগতি। এ অবস্থায় এখন আবার গণপরিহণে গুনতে হবে বাড়তি ভাড়া। এতে অল্প আয়ের মানুষের সংসার চালানোই দায় হয়ে পড়বে বলে বলছেন অনেকে।
  
একই চিত্র রাজশাহীতেও। মালিক-শ্রমিকরা ইচ্ছেমতো নিজেদের চার্টে আদায় করছেন ভাড়া। এনিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে পরিবহণ শ্রমিকদের বচসার ঘটনাও ঘটেছে। তবে পরিবহণ শ্রমিকদের দাবি তারা সরকার নির্ধারিত ভাড়া আদায় করছেন। 

সিলেটে সরকার নির্ধারিত বর্ধিত ভাড়া মানছেন না দূরপাল্লার গণপরিবহণ সংশ্লিষ্টরা। কিলোমিটার প্রতি ১ টাকা ৮০ পয়সার পরিবর্তে তারা দুই থেকে আড়াই টাকা হারে ভাড়া আদায় করছেন। এমন প্রেক্ষাপটেও সরকারের কোন  তদারকি না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন  কেউ কেউ ।

কুষ্টিয়ায় অতিরিক্ত বাসভাড়ায় যাত্রীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। আগের ভাড়ার তুলনায় ২৫ শতাংশ বেশি ভাড়া   দিতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। এতে হতাশ তারা।

তিনদিন পর গণপরিবহনের চাকা ঘুরলেও ভাড়া বৃদ্ধি করায় অনেকটা অস্বস্তিতে যশোরের  যাত্রীরা। নিরুপায় হয়েই গুনতে হচ্ছে বাড়তি  ভাড়া।

লঞ্চ-বাসের ভাড়া বৃদ্ধি করায় ক্ষুব্ধ  বরিশালের যাত্রীরা। জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধির খেসারত জনগনকে দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা। অবিলম্বে তেলের দাম কমানোর দাবী জানিয়েছেন তারা।

ভূরঘাটা-বরিশাল রুটের  কাউন্টার ম্যানেজার সাইদুর রহমান দাবি করেছেন  সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী লঞ্চে বর্ধিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে । একই দাবি করেছেন বরিশালের নথুল্লাবাদ কেন্দ্রিয় বাস টার্মিনালের সাকুরা পরিবহণের ম্যানেজার আনিছুর রহমান। 
 
জ্বালানী তেলের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকার রোববার লঞ্চে ৩৫ ভাগ এবং বাসে ২৭ ভাগ ভাড়া বৃদ্ধি করে।

আরও পড়ুন:


অসুস্থ হয়ে পড়লেন যাত্রী, জরুরি অবতরণে ২১ যাত্রীর পলায়ন

নির্মাণাধীন ভবনের নিচে বোমা সদৃশ্য বস্তু রেখে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি

সাক্ষাৎকারে শাকিব খান প্রসঙ্গে যা বললেন অপু বিশ্বাস

আ. লীগ নেতার পকেটে বোমা বিস্ফোরণে উড়ে গেল হাত!


news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

নাটোরে পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন, দুর্ভোগে যাত্রীরা

নাটোর প্রতিনিধি:

নাটোরে পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিন, দুর্ভোগে যাত্রীরা

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে ডাকা পরিবহন ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে নাকাল হয়ে পড়েছে নাটোরের সাধারণ মানুষের জীবন। গণপরিবহন না চলায় অটো রিক্সা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়ে শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ পরিবহন। ধর্মঘটের প্রভাবে নাটোরের বাস স্ট্যান্ড থেকে ছাড়েনি দূরপাল্লার বাস। বন্ধ আছে পণ্য পরিবহনও।

গণপরিবহন বন্ধ থাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা রিক্সা ভাড়া নেওয়া হয় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ বেশি। বাধ্য হয়ে ভাড়া দিয়েই তাদের যেতে হচ্ছে নির্ধারিত গন্তব্যে। শুক্রবার সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী যান। এতে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে যাত্রীদের। কোন প্রকার আলোচনা ছাড়াই হঠাৎ করে জ্বালানী তেলের দাম বৃদ্ধি করায় পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা এই ধর্মঘটের ডাক দেয়।

জ্বালানি তেলের বর্ধিত দাম না কমানো পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। ডিজেল ও কেরোসিনের দাম প্রতি লটারে ১৫ টাকা বাড়ানো হলে এমন সিদ্ধান্ত নেন পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা। 

এদিকে সকাল থেকেই বিভিন্ন স্থানে দেখা যায়, গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছে বিভিন্নস্থানে গমনকারী যাত্রী সাধারণ। কিন্তু ধর্মঘটের কারণে রাস্তায় গণপরিবহনের খুব একটা উপস্থিতি দেখা যায়নি। এর ফলে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অনেকে সিএনজি, অটোরিক্সা ও রিক্সায় করে তাদের গন্তব্যে রওনা হচ্ছেন। তবে এ জন্য তাদের গুণতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

আরও পড়ুন


দ্বিতীয় দিনের ধর্মঘটেও ভোগান্তিতে মানুষ, গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া

মারজুক রাসেল 'গেইল' হয়ে নিয়ে আসছে 'টিম ওয়েস্ট ইন্ডিজ'


news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

মাদারীপুরে পরিবহন ধর্মঘট

বেলাল রিজভী, মাদারীপুর

মাদারীপুরে পরিবহন ধর্মঘট

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে পরিবহন ধর্মঘট চলছে মাদারীপুরে। একারণে বন্ধ রাখা হয়েছে বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান, পিকআপ। শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে সারা দেশে সাথে পরিবহন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে মালিক সমিতি ও শ্রমিকরা এই ধর্মঘট ডেকেছে।

শুক্রবার ভোর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য পরিবহন বন্ধ থাকবে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছে অনেকেই।

জানা গেছে, মাদারীপুর বাস টার্মিনাল থেকে ঢাকাসহ সব রুটে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। তেলের দাম কমানো বা পরিবহনে ভাড়া বৃদ্ধির দাবি সরকার না মানলে ধর্মঘট অব্যাহত থাকবে।

মাদারীপুর বাস মালকি সমিতির সাধারণ সম্পাদক মফিজ উদ্দিন হাওলাদার বলেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশন এবং বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ড ভ্যান ড্রাইভার ইউনিয়নের পক্ষ থেকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার বা ভাড়া বাড়ানোর দাবি জানানো হয়েছে। দাবি না মানা পর্যন্ত সারাদেশে বাস এবং পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে।

news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

যশোরে ২১টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

যশোর প্রতিনিধি:

যশোরে ২১টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

তেলের মূল্যের বৃদ্ধির প্রতিবাদে যশোরে বাস চলাচল বন্ধ করে কর্মবিরতি করছে পরিবহন শ্রমিকরা। এর ফলে যশোর থেকে ২১ টি রুটে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। 

আজ শুক্রবার সকালে মনিহার বাস টার্মিনালে বিক্ষোভ মিছিল করে শ্রমিকরা। এ সময় তারা গাড়ি চলাললে বাধা দেয়। 

এদিকে পুর্ব ঘোষণা ছাড়াই হঠাৎ করে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। গন্তব্যে যাওয়ার জন্য তারা বাস টার্মিনালে এসে আটকে পড়েছেন। 

আরও পড়ুন:


একাত্তর টিভির হেড অব নিউজ শাকিলের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা

এবার হিরো আলমের ছবিতে গান গাইবেন রানু মণ্ডল!

বিকেল ৫টায় দেশে ফিরছে টাইগারবাহিনী

পরিবহন ধর্মঘট: বিকল্প বাহনও থামিয়ে দিচ্ছে শ্রমিকরা


news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর