৬ষ্ঠ জনশুমারি ডিজিটাল পদ্ধতিতে, শুরু ২৪ ডিসেম্বর: পরিকল্পনামন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

৬ষ্ঠ জনশুমারি ডিজিটাল পদ্ধতিতে, শুরু ২৪ ডিসেম্বর: পরিকল্পনামন্ত্রী

দেশের ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা আগামী ২৪ থেকে ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

আজ জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান।

রোববার প্রশ্ন উত্তর পর্ব টেবিলে উপস্থাপিত হয়। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

আওয়ামী লীগের আরেক সংসদ সদস্য মোরশেদ আলমের প্রশ্নের উত্তরে পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রতি ১০ বছর পর দেশের প্রকৃত জনসংখ্যা ও গৃহের অবস্থা জানার জন্য জনশুমারি ও গৃহগণনা পরিচালনা করে থাকে। এবার ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২১ আগামী ২৪ থেকে ৩০ ডিসেম্বর সময়ে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে বাস্তবায়ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।


আরও পড়ুন:

বিএনপি দেউলিয়া হয়ে সর্বহারাতে রূপ নিতে যাচ্ছে: কাদের

কাজাখস্তানের জালে ফ্রান্সের গোল উৎসব

সিলেটের সেই লেডিবাইকারকে খুঁজছে পুলিশ


তিনি আরও বলেন, সর্বশেষ তাঁতশুমারি (২০১৮) অনুযায়ী বর্তমানে তাঁতশিল্পের সংখ্যা এক লাখ ১৬ হাজার ১১৭টি। তাঁতীর সংখ্যা তিন লাখ ১৬ হাজার ৩১৫ জন।

উল্লেখ্য, স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জনশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে। এরপর ১৯৮১ সালে দ্বিতীয়, ১৯৯১ সালে তৃতীয়, ২০০১ সালে চতুর্থ এবং ২০১১ সালে পঞ্চম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

খুলনায় নৌকা সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা

সামছুজ্জামান শাহীন, খুলনা

খুলনায় নৌকা সমর্থককে পিটিয়ে হত্যা

প্রতীকী ছবি

খুলনার তেরখাদায় নির্বাচনী সহিংসতায় মধুপুর ইউনিয়নে বাবুল শিকদার (৩৮) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মহসিনের সমর্থক ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনী বিরোধকে কেন্দ্র করে খুলনার তেরখাদার মধুপুর ইউনিয়নের কুলাপাটগাতি গ্রামের বাবুল শিকদারকে প্রতিপক্ষের লোকজন শনিবার গভীর রাতে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতিতে ঢাকায় নেওয়ার পথে রবিবার ভোর রাতে তার মৃত্যু হয়। লাশ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। 

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

তেরখাদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহুরুল আলম বলেন, ঘটনার পর থেকে হামলার সঙ্গে জড়িতরা এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। তাদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। 

জানা যায়, তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে রবিবার খুলনা জেলার তেরখাদার ছয়টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ চলছে। প্রতিটি ইউনিয়নে নৌকার প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহীরা মাঠে রয়েছেন। ফলে শুরু থেকেই নির্বাচন ঘিরে বাড়তি উত্তেজনা রয়েছে। 

আরও পড়ুন:

জনপ্রতিনিধি হতে মরিয়া মাদক ব্যবসায়ী, পোষ্টার ভাইরাল


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

জনপ্রতিনিধি হতে মরিয়া মাদক ব্যবসায়ী, পোষ্টার ভাইরাল

নাসিম উদ্দীন নাসিম, নাটোর

জনপ্রতিনিধি হতে মরিয়া মাদক ব্যবসায়ী, পোষ্টার ভাইরাল

ভাইরাল হওয়া সেই পোস্টার

নাটোর পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হিসেবে দোয়া চেয়ে শীর্ষ মাদক সম্রাজ্ঞী রফিজা বেগমের ছেলে আলিমুল ইসলাম ওরফে টনিক তিতাসের নির্বাচনী পোষ্টার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। নিন্দার ঝড় উঠেছে শহরজুড়ে। 

একাধিক মাদক মামলার আসামী এবং যার পুরো পরিবার মাদকের ব্যবসার সাথে জড়িত সেই তিতাস (৩২) এবার পৌর  নির্বাচনে কাউন্সিলর  পদে প্রার্থী হয়েছেন। সে শহরের মাদ্রাসা মোড়ের বাসিন্দা। 

মাদক ব্যবসায়ীর কাউন্সিলর পদে দোয়া চেয়ে সাটানো পোষ্টার যেমন হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে ঠিক তেমনি সাধারণ মানুষের মধ্যে  চাপা ক্ষোভ সৃষ্টি করছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, নাটোর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আলিমুল ইসলাম তিতাসের পরিবারের সবাই যে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত সে বিষয়টি পুরো শহরে ওপেন সিক্রেট। এই পরিবারটির হাত ধরেই শহরের কানাইখালী, মাদ্রাসা মোড়, পটুয়াপাড়া ও চকরামপুর এলাকায় প্রথম মাদক ব্যবসার প্রচার ও প্রসার হয়। 

ছোটবেলা থেকে নানার বাসায় বসবাস করা তিতাসের বাবার নাম এলাকাবাসী কেউ জানেনা। তিতাসের মাকে এলাকাবাসী মাদকের রানি রফিজা নামে সবাই চিনে। 

তাছাড়া তার তিন মামা ও তিন মামী হেরোইন এবং ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত। গাঁজা, হেরোইন ও ফেনসিডিলসহ সব ধরনের মাদক মজুদ করে লুকিয়ে মাদক বিক্রি করেন। পরিবারের কোনো সদস্য গ্রেফতার হলে অন্য সদস্যরা এই ব্যবসার হাল ধরেন। এর কারণে বন্ধ হচ্ছে না মাদক বিক্রি। এবার নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে জয়ী হয়ে পুরোদমে ব্যবসায় আধিপত্য ছড়াতে ও বাধাহীনভাবে ব্যবসা করতে চাইছেন তাদের পরিবার।

এলাকাবাসীরা জানান ,নাটোর সদর থানা থেকে মাত্র ১০০ গজ দূরে তৃষা ক্লিনিকের সামনে গলি এবং আল মদীনা ক্লিনিকের পাশের গলিতে প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে গভীর রাত পর্যন্ত প্রতিদিন মাদক সেবীদের মেলা বসে। 

এ মেলার আয়োজক মাদক ব্যবসায়ী টনিক তিতাস, তাঁর মা রফিজা বেগম ও  মামা রশিদুল, রবিউল, তুষার এবং মামী আমেনা বেগম, সুমি বেগম, কুলসুম বেগম। তাদের বিক্রয়কর্মী হিসেবে কাজ করে কানাইখালী মহল্লার মৃত রমিজের ছেলে রোকন এবং একই এলাকার মৃত খায়রুল ইসলামের ছেলে রনি। 

এরা সবাই পুলিশের তালিকাভুক্ত মাদক বিক্রেতা। এই পরিবারটির কারণে এলাকার তরুণ সমাজ মাদকের ছোবলে ধ্বংস হচ্ছে।গ্রেফতার হয় আবার ছাড়াও পায়। স্বামীরা জেলে থাকলে স্ত্রীরা মাদক ব্যবসা চালান। 

সদর থানার এতো সন্নিকটে প্রকাশ্য মাদক ব্যবসা চিন্তাই করা যায় না। ওদের পেছনে স্থানীয় প্রভাবশালী কারো হাত রয়েছে- এমন অভিযোগ ঘুরছে এলাকার প্রতিটি মানুষের মুখে মুখে। পুলিশ ও র‍্যাবের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে শহরের সব এলাকায় মাদক ব্যবসা বন্ধ হলেও তুষারের স্পটটি একটি দিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। এলাকাবাসীর কাছে তিতাস  নিজেকে পুলিশের সোর্স বলে পরিচয় দিয়ে থাকে । 

শহরের কানাইখালী ও মাদ্রাসা মোড় সুপরিচিত। এ দুটি এলাকার নামটি কলঙ্কিত করে ফেলেছে ওই একটি মাদক পরিবার। তাদের পরিবারের সদস্য নির্বাচনে নামায় এবার আতঙ্ক আর ভয় ছড়িয়েছে এলাকা জুড়ে।

তুষার কারাগারে গেলে তাঁর মা রফিজা বেগম ব্যবসার হাল ধরেন। তার নামেও মামলা রয়েছে দুটি। তার মামা রবিউল, রশিদুল, তুষার কারাগারে গেলে ব্যবসা চালান তাদের স্ত্রীরা। এহেন অবস্থায় এ পরিবারের সদস্য যখন নির্বাচনের মাঠে তখন পুরো এলাকায় আওয়াজ উঠেছে তাদের সামাজিক ভাবে বয়কটের। অন্যাথায় পুরো গ্রাম মাদকের নরক রাজ্য পরিণত করবে এরা।  

স্কুলশিক্ষক আবুল কালাম আজাদ জানান, তিতাসের  জনপ্রতিনিধিত্ব করার মতো গ্রহণযোগ্যতা, জনসমর্থন কিংবা ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও, বছরের পর বছর ধরে  মাদক ব্যবসা করে টাকার পাহাড় গড়া বিতর্কিত পরিবারটি তাদের অবৈধ কারবার ও প্রশাসনিক ঝামেলা সামলাতে জনপ্রতিনিধি হওয়ার মিশনে নেমেছেন।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমরা মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছি । মাদক ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় দেয়া হবে না। মাদক ব্যবসায়ী পরিবারের বিষয়টি আমার জানা নোই । খোঁজ-খবর নিয়ে ওই পরিবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  

আরও পড়ুন:

তৃতীয়বারের মতো মাইলস ছাড়লেন শাফিন


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দিলদার মার্কেট থেকে ২৩ যুবক আটক

নোয়াখালী প্রতিনিধি

দিলদার মার্কেট থেকে ২৩ যুবক আটক

নোয়াখালীতে পুলিশের হাতে আটক যুবকেরা

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ২টি মাইক্রোবাস সহ ২৩ যুবককে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তবে পুলিশ তাৎক্ষণিক আটককৃতদের নাম ঠিকানা জানাতে পারেনি।  

শনিবার (২৭নভেম্বর) রাত ৯ টার সময় উপজেলার কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেট থেকে সেনবাগ থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী ও হাতিয়া থানার ওসি আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশ ফোর্স তাদের আটক করে।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী বলেন, রোববার সেনবাগ উপজেলায় তৃতীয় ধাপে ৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে সহিংসতা সৃষ্টি করার জন্য তারা জড়ো হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

আরও পড়ুন:

ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ছে ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা 'ওমিক্রন'


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩ ইউপি’তে ভোট

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৩ ইউপি’তে ভোট

আজ রোববার (২৮ নভেম্বর) চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে  ভোটগ্রহণ করা হবে। ইতিমধ্যেই নির্বাচনে প্রশাসনের সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

কেন্দ্রে কেন্দ্র পৌছে গেছে নির্বাচনী সরঞ্জাম। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৪৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আজ ৩ লাখ ৪০ হাজার ৬৬০ জন ভোটার ১৪৫ টি কেন্দ্রে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। 

আরও পড়ুন:


আবারও আইসিইউতে রওশন এরশাদ

ছেলেকে হত্যা করে সেফটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখা বাবা-মা আটক

মুশফিকের আউট নিয়ে সমালোচনা (ভিডিও)


নির্বাচনে প্রশাসন ৩টি ইউনিয়নকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং ১০ টিকে গুরুত্বপূর্ণ ইউনিয়ন হিসেবে চিহ্নিত করে ১০ জন ম্যাজিষ্ট্রেট ও ৫ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে ৩ প্লাটন বিজিবি, ৬ টি র‌্যাবের টিমসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দায়িত্ব পালন করবে। এবার উপজেলার ১ টি ইউনিয়নে ইভিএম পদ্ধতিতে এবং ১২ টি ইউনিয়নে ব্যালটে ভোটগ্রহণ করা হবে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

উল্টো ভর্তুকি দাবি

হাফ পাস সমস্যা ঝুলে রইল

অনলাইন ডেস্ক

হাফ পাস সমস্যা ঝুলে রইল

বেসরকারি গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়া (হাফ পাস) নিয়ে সমস্যা তৈরি হয় বাস মালিক, হেলপার, চালক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে। এই সমস্যা সমাধানে মালিকদের সঙ্গে সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষের বৈঠকে উল্টো ভর্তুকি দাবি করছেন বেসরকারি বাস মালিকরা।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) ঢাকার বনানীতে বিআরটিএ কার্যালয়ে টানা দুই ঘণ্টা বৈঠক শেষে পরিবহণ মালিকরা টাস্কফোর্স গঠন করে তাদের জন্য ভর্তুকি নির্ধারণ করার দাবি জানান।

বৈঠক শেষে বিআরটিএ চেয়ারম্যান নূর মোহাম্মদ মজুমদার বলেন, দ্বিতীয় দিনের মতো আজ বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে পরিবহণ মালিক-শ্রমিক বেশকিছু প্রস্তাব দিয়েছেন। রাজধানীতে কত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কতজন শিক্ষার্থী রয়েছে এর হিসেব চেয়েছে।

আরও পড়ুন:


আবারও আইসিইউতে রওশন এরশাদ

ছেলেকে হত্যা করে সেফটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখা বাবা-মা আটক

মুশফিকের আউট নিয়ে সমালোচনা (ভিডিও)


বিআরটিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, হাফ ভাড়া নেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের আলাদা কোনো পরিচয়পত্র দেওয়া হবে কি না, সে বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। পুরো বিষয়টি সুরাহা করার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিআরটিএ এবং পরিবহণ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে একটি টাস্কফোর্স গঠনের প্রস্তাব এসেছে।

এদিকে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির নেতা খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, ঢাকায় নগর পরিবহনের যে বাসগুলো চলে, তার মালিকদের ৮০ শতাংশই গরিব। একটা বা দুটো বাস চালিয়ে তাদের সংসার চলে। তাদের বাচ্চারাও স্কুল কলেজে যায়।

এ কারণে পরিবহণ মালিক-শ্রমিকদের প্রস্তাব হচ্ছে, বাস মালিকদের ক্ষতিপূরণ বা ভর্তুকির বিষয়টি নির্ধারণ করেই হাফ ভাড়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। কোন তহবিল থেকে এই ভর্তুকি আসবে সেটিও নির্ধারণ করতে হবে।

বৈঠকে ঢাকা সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন বাবু, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ, বিআরটির চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদার, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সহকারী কমিশনার মো. আশফাকসহ বিআরটিএর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর