পারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন
পারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন

পারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন

Other

দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে উভয় ফেরি ঘাটে পারের অপেক্ষায় শতশত যানবাহন। দুর্ভোগে হাজার হাজার যাত্রী ও যানবাহনের চালকবৃন্ধ। কর্মঘণ্টা নষ্ট হচ্ছে উভয় ঘাটে বসে। লোকসান হচ্ছে এই নৌরুট ব্যবহারকারী সাধারণ ব্যবসায়ীদের।

  

সোমবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরি ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দৌলতদিয়া-খুলনা মহাসড়কের প্রায় ৪কিঃমিঃ যাত্রীবাহী বাস ও পন্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ দুইটি সারি রয়েছে।  

এতে প্রায় ৫শতাধিক বিভিন্ন প্রকার যানবাহন নদী পারের অপেক্ষায় অলস সময় পার করছে। যাত্রীবাহী পরিবহনগুলো ৫/৬ ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফেরি পার হতে পারলেও পন্যবাহী ট্রাকগুলো ২/৩ দিন অলস সময় পার করছে ঘাটে বসেই। অনেক যাত্রী দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে ৩/৪ কিঃমিঃ পায়ে হেঁটে এসে লঞ্চে পার হচ্ছে।  

অপ্রয়োজনীয় দীর্ঘ সময় দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে অপেক্ষায় থাকায় চালকদের গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা। লোকসানে হচ্ছে সাধারণ ব্যবসায়ীদের। সাধারণ যাত্রীরা নানা প্রকার দুর্ভোগে পরছে প্রতিনিয়ত।  
 
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের ঘাট সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ২০টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করলে গড়ে ৪২শত বিভিন্ন প্রকার যানবাহন দৌলতদিয়া থেকে নদী পার হয়ে পাটুরিয়া ঘাটে যেতে পারে।  

সেই হিসেবে পাটুরিয়া ঘাট থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে আসে ৪২শত বিভিন্ন প্রকার যানবাহন। কিন্ত গত এক সপ্তাহ যাবৎ এই নৌরুটে ১৪টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করছে। যে কারণে প্রতিনিয়ত উভয় ঘাটে পারের অপেক্ষায় শতশত বিভিন্ন যানবাহন।  

এদিকে নদীতে নাব্যতা সংকট থাকায় পাটুরিয়া পারের ড্রেজিং করা হচ্ছে। যে কারণে ৩টি ফেরি ঘাট বন্ধ রয়েছে। মাত্র ২টি ঘাট সচল রয়েছে।   

আরও পড়ুন:


ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৫ জনকে কোপাল দুর্বৃত্তরা


এ সময় কাভারভ্যান চালক ইব্রাহিম আলী বলেন, ঘাটে আসলেই দুর্ভোগ। দুর্ভোগের যেন শেষ নেই। কমপক্ষে ১/২ দিন ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকতে হয়। তিনি আরও জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে জরুরি ভাবে রোরো (বড়) ফেরি বাড়ানো প্রয়োজন।  

যাত্রীবাহী বাস সাকুরা পরিবহনের যাত্রী কালাম বলেন, ঘাটে বসে ৪ঘণ্টা। আরও ২ঘণ্টা হয়ত বসে থাকতে হবে। ফেরির অপেক্ষায় দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হচ্ছে। এমন দুর্ভোগ সারা বছর। তিনি দুঃখ করে বলেন, ঘাটে আসলে অপেক্ষায় পালা যেন শেষ হয় না।   

বিআইিব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শিহাব উদ্দিন জানান, নদীতে নাব্যতা সংকট, ফেরি সংকট থাকায় ফেরি চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। এতে প্রতিনিয়ত উভয় ফেরি ঘাটে কিছু যানবাহন পারের অপেক্ষায় থাকছে।

তিনি আরও বলেন, নাব্যতা সংকট মোকাবিলা করতে পারলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে। তখন যানবাহন পারাপারে কোন প্রকার সমস্যা হবে না।  

news24bd.tv/ কামরুল 

;