সৌদি উপহারের ৩২ লাখ ডোজ টিকা হস্তান্তর মঙ্গলবার

অনলাইন ডেস্ক

সৌদি উপহারের ৩২ লাখ ডোজ টিকা হস্তান্তর মঙ্গলবার

সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া ৩২ লাখ ডোজ করোনার টিকা মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) হস্তান্তর করা হবে।

আজ রাতে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাঈদুল ইসলাম প্রধান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, এদিন সকাল সাড়ে ১০টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় টিকা হস্তান্তর অনুষ্ঠান হবে। এসময় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক উপস্থিত থাকবেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছিল, সৌদি আরব ও পোল্যান্ড বাংলাদেশকে প্রায় ৪৮ লাখ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উপহার দিচ্ছে। উপহারের এই টিকার মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ ডোজ আসবে সৌদি আরব থেকে।

ওইদিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ রিলিফ ফান্ড থেকে ১৪ লাখ ৯৯ হাজার ২৭০ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাচ্ছি আমরা।


আরও পড়ুন:

আমির হোসেন আমু: রাজনীতির ব্যাঘ্র পুরুষ

কয়লা চালিত বিদ্যুতের মৃত্যু ঘণ্টা শোনাচ্ছে জলবায়ু চুক্তি

এমপিদের তোপের মুখে বিএনপি সাংসদ হারুনের ওয়াকআউট


তিনি আরও জানিয়েছিলেন, পোল্যান্ড বাংলাদেশকে ৩৩ লাখ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা উপহার দিচ্ছে। পোল্যান্ডের এসব টিকা ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) তহবিল থেকে দেওয়া হচ্ছে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

কাঁধের জয়েন্টে ব্যথার কারণ, উপসর্গ ও চিকিৎসা!

অনলাইন ডেস্ক

কাঁধের জয়েন্টে ব্যথার কারণ, উপসর্গ ও চিকিৎসা!

ফাইল ছবি

কাঁধের জয়েন্টে ব্যথার কারণ, উপসর্গ ও চিকিৎসা নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের অর্থোপেডিক ও অর্থোপ্লাস্টি সেন্টারের হেড ও চিফ কন্সালট্যান্ট অধ্যাপক ডা. এম আমজাদ হোসেন। 

কারণ : ফ্রোজেন শোল্ডারের তেমন কোনো কারণ জানা যায়নি। ডায়াবেটিস, হাইপারলিপিডেমিয়া বা শরীরে অতিরিক্ত মেদ, হাইপার থাইরয়েড, হৃদরোগ ও প্যারালাইসিস রোগীদের মধ্যে ফ্রোজেন শোল্ডারের প্রকোপ বেশি দেখা গেছে। কাঁধের অস্থিসন্ধিতে যে পর্দা থাকে, তার দুটি আবরণ থাকে। একটি ভেতরের দিকে, আরেকটি বাইরের দিকে। 

এ দুই আবরণের মাঝখানে কিছুটা ফাঁকা জায়গা থাকে, যেখানে এক ধরনের তরল পিচ্ছিল পদার্থ থাকে, যা কাঁধের নড়াচড়ার জন্য জরুরি। এ রোগে ওই দুই পর্দার মাঝখানের জায়গা ও পিচ্ছিল পদার্থ কমে যায়, ফলে কাঁধের নড়াচড়া মসৃণভাবে হয় না এবং প্রচুর ব্যথার সৃষ্টি করে। ব্যথা দিন দিন বাড়তে থাকে এবং এক সময় তা অসহ্য হয়ে পড়ে। সাধারণত মধ্যবয়সেই এ রোগ বেশি দেখা যায়।

উপসর্গ: ফ্রোজেন শোল্ডার রোগীর কাঁধের নড়াচড়া, বিশেষ করে হাত ওপরের দিকে উঠানো এবং হাত ঘুরিয়ে পিঠ চুলকানো প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে। কাঁধের এক্স-রে করলে তা প্রায় স্বাভাবিক পাওয়া যায়। কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে সেখানে আগে আঘাত ছিল বলে জানা যায়। কদাচিৎ কাঁধ কিছুটা শুকিয়ে যাওয়ার মতো মনে হতে পারে। 

এটা হয় ব্যথার কারণে, দীর্ঘদিন আক্রান্ত কাঁধ ব্যবহার না করলে। আবার কিছু রোগীর ক্ষেত্রে হাত ঝিঁঝি করা, শক্তি কম পাওয়া, এমনকি পাশাপাশি হাত একেবারেই উঠাতে না পারার মতো লক্ষণ দেখা যায়। তাদের খুব সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা উচিত, রোগটি ফ্রোজেন শোল্ডার, নাকি স্নায়ুরোগজনিত কোনো সমস্যা, নাকি অতীতের আঘাতের ফলে রোটেটর কাফের ছিঁড়ে যাওয়া জনিত কোনো সমস্যা। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসার ধরনও ভিন্ন হয়।

চিকিৎসা: কোনো ধরনের অপারেশন ছাড়াই এ রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়। প্রথমে রোগীকে আশ্বস্ত করতে হবে, এটি খুব সাধারণ একটি সমস্যা। পাশাপাশি হালকা কিছু ব্যথানাশক দেয়া হয়। পরবর্তী সময়ে সঠিক ও বিশেষ কিছু ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনা থেকে ফ্রোজেন শোল্ডার ভালো হয়ে যায়, যদিও কিছুটা সময় লাগে। 

ব্যায়াম বা ব্যথানাশকে কাজ না হলে, অর্থোপেডিক চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে কাঁধের অস্থিসন্ধিতে স্টেরয়েড ইনজেকশন প্রয়োগও করতে হতে পারে। এটার অবশ্য ফল বেশ ভালো এবং রোগীরাও অনেক সময় এটি নেয়ার জন্য উদগ্রীব থাকেন। তবে স্টেরয়েড ইনজেকশন দিলেও ফ্রোজেন শোল্ডার হলে ব্যায়ামের কোনো বিকল্প নেই, যা সব সময় চালিয়ে যেতে হবে। তাই ফ্রোজেন শোল্ডার নামক অর্ধপঙ্গুত্ব নিয়ে আর বসবাস নয়।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বাতের ব্যথা মুক্তির উপায়

অনলাইন ডেস্ক

বাতের ব্যথা মুক্তির উপায়

বাত শরীরের একটি যন্ত্রণাদায়ক রোগ। বাতের ব্যথা অতি পরিচিত একটি সমস্যা। আমাদের চারপাশে আজকাল অনেকেই এই ব্যথার ভুক্তভোগী। বাতের ব্যথার কারণে হাঁটতে, বসতে, উঠতে পারছেন না। প্রতিটা দিন অসহনীয় কষ্ট পেতে হচ্ছে এই বাতের ব্যথার কারণে।

কিন্তু নিয়মিত কিছু কাজ করলে খুব সহজেই বাতের ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়৷ আসুন জেনে নেই, সেই কাজগুলো সম্পর্কে যা আপনাকে মুক্তি দেবে বাতের ব্যথা থেকে-

১. মেরুদণ্ড ও ঘাড় নিচু করে কোনো কাজ করবেন না।
২. বিছানায় শোয়া ও ওঠার সময় যেকোনো একদিকে কাত হয়ে হাতের ওপর ভর দিয়ে শোবেন ও উঠবেন।

৩. ব্যথার জায়গায় নির্দিষ্ট সময় ধরে গরম বা ঠান্ডা ভাপ দিন। সময়টা ১০ থেকে ১৫ মিনিট হলে ভালো হয়।

৪. অনেকক্ষণ এক জায়গায় বসে বা দাঁড়িয়ে থাকবেন না। প্রয়োজনে একক ঘণ্টা পর পর হাঁটাহাঁটি করবেন। নিজের অবস্থান বদলাবেন।

৫. নিচু জিনিস যেমন-পিড়ি, মোড়া বা ফ্লোরে না বসে চেয়ারে বসতে হবে। বসার সময় পিঠ ঠেস না দিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে বসবেন।

৬. নরম ফোম ও জাজিমে শোয়ার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। এর বদলে উঁচু, শক্ত ও সমান বিছানায় শোবেন।

৭. মাথায় বা হাতে ভারি ওজন বহন এড়িয়ে চলতে হবে। দাঁড়িয়ে বা চেয়ারে বসে রান্না করা যাবে না।

৮. চিকিৎসকের নির্দেশ মতো নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। তবে ব্যথা বেড়ে গেলে ব্যায়াম বন্ধ রাখবেন।

৯. শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। পেট ভরে খাওয়া নিষেধ আপনার জন্য। অল্প অল্প করে বার বার খাবেন। প্রতিবার খাবারের আগে কিছুটা পানি পান করে নিন।

১০. হাইহিল যুক্ত জুতো ব্যবহার করবেন না। নরম জুতো ব্যবহার করবেন। ব্যথা তীব্র হলে উঁচু কমোডে বসে টয়লেট করুন। ব্যথা বেশি অনুভূত হলে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকুন।

প্রতিরোধ
প্রতিরোধই বাতের সমস্যা থেকে উপশমের উত্তম উপায়। রোগ দেখা দিলে ওষুধের মাধ্যমে প্রতিকার পাওয়া যায় বটে, তবে তখন অ্যালকোহল এবং যেসব খাবার গ্রহণ করলে ইউরিক এসিড মজুদ হওয়া বেড়ে যায়, সেসব থেকে দূরে থাকা অবশ্য কর্তব্য।

এছাড়া রোগীকে প্রচুর পানি খেতে হবে, নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে, সুষম খাবার ব্যবহার করার সঙ্গে সঙ্গে শরীরের ওজন ঠিক রাখতে হবে। তবে সবচেয়ে বড় কথা হলো, রোগ হলে অবশ্যই একজন অভিজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে তার পরামর্শ মতো চলতে হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

পিঠে ব্যথা? দূর করার উপায় জেনে নিন

অনলাইন ডেস্ক

পিঠে ব্যথা? দূর করার উপায় জেনে নিন

প্রতীকী ছবি

অফিসে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করছেন আবার অনেকে ফোন হাতে নিয়ে কিংবা কম্পিউটারের পর্দায় বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় অতিবাহিত করছেন। ফলে কায়িক শ্রম খানিক কম হচ্ছে। অনেকেই আবার সময়ের অভাবে বাড়িতেও শরীরচর্চা করে উঠতে পারেন না। সব কিছুর ফলে পিঠে ব্যথার সমস্যা বেড়ে যাচ্ছে। সমস্ত বয়সের মানুষের মধ্যেই এই সমস্যার পরিমাণ বাড়ছে। ৯০ শতাংশ মানুষের পিঠে ব্যথার প্রধান কারণ হল এক জায়গায় অনেক ক্ষণ বসে থাকা। তবে এই সমস্যার তাৎক্ষণিক উপশমও হতে পারে, এমন কিছু উপায় আছে। সেগুলি কী কী চলুন জেনে নেওয়া যাক। 

১) চেষ্টা করুন, ঘুমোনোর সময় মাথার নীচে বালিশ না নিতে।

২) নিয়মিত শবাসন, ভুজঙ্গাসন, মকরাসন প্রভৃতি শরীরচর্চা করলে পিঠের ব্যথা কমে।

৩) অফিসের কাজ করার সময়ে একই জায়গায় এবং একই ভঙ্গিতে অনেক ক্ষণ বসে থাকবেন না। প্রতি ২০ মিনিট অন্তর বিরতি নিতে পারেন। উঠে দাঁড়ান, হাঁটাচলা করুন।

আরও পড়ুন:


কাউন্সিলর হত্যার ঘটনায় ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

দ্রুত শক্তির জন্য ‘সুপার ফুড’

অনলাইন ডেস্ক

দ্রুত শক্তির জন্য ‘সুপার ফুড’

দ্রুত শক্তির জন্য সুপার ফুড বলা হয়ে থাকে কাঠবাদামকে। কাঠবাদাম সুস্থ পেশি, ওজন নিয়ন্ত্রণ, উজ্জ্বল ত্বক ও চুলের জন্য বেশ উপকারী। মূলত এসকল গুণাগুণের জন্য একে ‘সুপার ফুড’ বলেও অভিহিত করা হয়। কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক। এটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর হওয়ায় এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। 

কাঠবাদামে সাধারণত ভিটামিন, মিনারেল, এসেনশিয়াল, ফ্যাটি অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এবং প্রয়োজনীয় প্রোটিন থাকায় কাঠবাদামের স্বাস্থ্য উপকারিতা অনেক বেশি। কাঠবাদামে যে পরিমাণ ফ্যাট ও প্রোটিন আছে, যা দ্রুত শরীরকে শক্তি জোগায় এবং মানসিক তৃপ্তির কারণে অনেকক্ষণ খিদে লাগবে না। দ্রুত ক্লান্তি দূর করবে এবং দ্রুত শক্তির জোগান দেবে।

কাঠবাদামে শর্করার পরিমাণ কম বলে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি উপকারী। ১২ থেকে ১৫টি কাঠবাদাম থেকে আপনি ১০০ কিলোক্যালোরি পাবেন। যাঁরা ১২০০ থেকে ১৪০০ কিলোক্যালোরির ডায়েট করছেন ওজন কমানোর জন্য, তাঁরাও কিন্তু মিড-মর্নিং স্ন্যাকসে কাঠবাদাম খেতে পারেন।

 কাঠবাদামে উপস্থিত ফ্ল্যামোনয়েডস, যা আপনার কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমাতে সহায়তা করবে। কাঠবাদামে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বিদ্যমান, যা ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে। কাঠবাদামে প্রচুর পটাশিয়াম বিদ্যমান, যা উচ্চরক্তচাপ কমাতে সহায়তা করবে।

কাঠবাদাম উচ্চ আঁশযুক্ত। ফলে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগীদের জন্য এটি অত্যন্ত উপকারী। অপরদিকে, এতে প্রচুর এসেনশিয়াল ফ্যাটি অ্যাসিড থাকায়, হৃদরোগীদের যে ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড দরকার, তার সরবরাহ করে থাকে কাঠবাদাম।

যাদের কাঠবাদাম খাওয়া ঠিক না
তবে সব স্বাস্থ্যকর খাবারের মতোই অতিরিক্ত খেলে কাঠবাদামেরও ক্ষতিকর প্রভাব আছে, বিশেষ করে ‘গ্যাস্ট্রোইন্টেস্টাইনাল’ বিভিন্ন সমস্যা।

*যাদের বাদামে অ্যালার্জি

*খাবার গিলতে যাদের সমস্যা

*যারা ভিটামিন ই সাপ্লিমেন্ট নিচ্ছেন

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

আদা চা পানের যত উপকারিতা

অনলাইন ডেস্ক

আদা চা পানের যত উপকারিতা

দিনের শুরুতে এক কাপ চা না পেলে কেমন যেন হাঁপিয়ে ওঠে শরীরটা। তাই না? বিশেষজ্ঞদের মতে, মনে উৎফুল্লতা আনতে এক কাপ চায়ের কোনো জুড়ি হয় না। চা শুধুমাত্র একটু পানীয় নয় এটি মনকে শান্ত রাখার একটি কার্যকরী উপায়। যে কোনো অবস্থায় আমরা মনে করি চা পান করলে সমস্যার সমাধান হতে পারে কারণ সে ক্ষেত্রে আমরা মানসিকভাবে শান্ত হয়ে পড়ি।

যদিও ব্যাপারটি পুরোপুরি মানসিক ব্যাপার কিন্তু চা পানের কিছু বিশেষ গুণ রয়েছে যা আপনি কখনোই এড়িয়ে যেতে পারেন না। স্বাস্থ্য ও মন দু'টোই ভালো রাখতে এখন মানুষ নিয়মিতভাবে চা পান করছেন। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে তুলে ধরা হলো যে ৩ কারণে নিয়মিত পান করবেন আদা চা। 

১. ভ্রমণে বের হলেই অনেককেই বমি হওয়া কিংবা বমি ভাব নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। এর মত বিরক্তিকর অনুভূতি থেকে আরাম পেতে পারেন এক কাপ আদা চা পান করলেই। তাই যে কোনো অবস্থাতেই নির্বিঘ্ন ভ্রমণের জন্য গাড়িতে বসার আগে এক কাপ আদা চা  পান করে নিতে ভুলবেন না। এর কড়া গন্ধের কারণেই বমিভাব চলে যায়।

২. বিভিন্ন কৃত্রিম ওষুধ খেয়ে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর থেকে আদা চা পান করে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে নিন। এতে থাকে প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট । এটি বর্তমানের মরণ ভাইরাস করোনাসহ সব ধরনের বড় রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার শক্তি যোগায় ভেতর থেকে।

৩. একটু কিছু খেলেই আজকাল হজমের সমস্যায় ভুগছেন? এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে এই পানীয় পান করুন। গবেষণায় দেখা গেছে- আদা চা পানের পর দ্রুত হজমের সমস্যা ধীরে ধীরে কমতে থাকে। এছাড়াও এটি খাবারে আমাদের রুচি বাড়াতেও সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: 


ফখরুল বললেন, আন্দোলন-আন্দোলন-আন্দোলন

ধর্ষণ মামলায় জামিন: ক্ষমা চাইলেন বিচারক


 

গবেষণায় দেখা গেছে, চা আমাদের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। চা পান করলে আমাদের দাঁত ও হৃদপিণ্ড সুস্থ থাকে, এমনকি এটি ক্যান্সারের বিরুদ্ধেও বেশ কার্যকরী।

সম্প্রতি প্রকাশিত একটি গবেষণাপত্রে জানা যায়, নিয়মিত চা পানের ফলের হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি ২০% হ্রাস পায় আর স্ট্রোকের ঝুঁকি হ্রাস পায় ৩৫%। কারণ চা আমাদের দেহের এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্র কমিয়ে দেয়।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর