অবসাদ দূরে রাখার টিপস

অনলাইন ডেস্ক

অবসাদ দূরে রাখার টিপস

আমাদের জীবনে এখন এত বেশি চাপ যে যেকোনো মুহূর্তে অবসাদ আসতেই পারে। মানসিক অবসাদ অনেক সময় জীবনকে বিপথে নিয়ে যেতে পারে। কোনো কিছুই যেন ভাল লাগে না। মনে হয় জীবনটা যেন বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন পরিস্থিতিকেই চিকিৎসা পরিভাষায় ডিপ্রেশন বলা হয়ে থাকে। চিন্তা স্বাভাবিকভাবেই মানুষের জীবনের একটি অংশ। তবু তার মাত্রা যেন বেড়ে না যায় সে বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে। 

অবসাদ দূরে রাখার টিপস:
 
মনোযোগী হতে চেষ্টা করুন: অবসাদে ভুগলে উল্টাপাল্টা চিন্তা মাথায় আসে। এগুলোকে সরিয়ে রাখুন। নিজের কাজে মন দিন। যেটা ভালো লাগে, সেটা মন দিয়ে করুন। গান শুনুন। এক মুহূর্তে পরিবেশ বদলে দিতে পারে গান। তাই গান শুনুন। ইতিবাচক, আনন্দের গানে মুড বদলে যেতে বাধ্য।

নেতিবাচক হবেন না: অবসাদে ভুগলে বারবার নেতিবাচক চিন্তা মাথায় আসে। সব সময় মানুষ নিজেকে দোষী মনে করেন। নিজেকে মূল্যহীন মনে করেন। এসব ভাবনা চিন্তা সরিয়ে ফেলুন।

ঘুম: অবসাদে ভুগলে ঘুম কমে যায়। অথচ অবসাদের সবথেকে ভালো ওষুধ হল ঘুম। তাই রোজ অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি।


আরও পড়ুন:

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজে গ্যালারিতে ফিরছে দর্শক, জানা গেলো টিকিটের মূল্য

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে

পাকিস্তানের পতাকা লাগিয়ে কীসের প্র্যাকটিস: তথ্য প্রতিমন্ত্রী


শরীরচর্চা: প্রতিদিন শরীরচর্চা করা খুব জরুরি। এর ফলে শরীর থেকে এনডোরফিন বেরিয়ে যায়। মন ভালো থাকে। মন ভালো রাখার পাশাপাশি শরীর সুস্থ থাকলেও রোগ অনেক কম হয়।

যোগাযোগ: অবসাদ হলে মানুষ একা থাকতে চান। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় ডুবে থাকবেন না। একা থাকবেন না। বরং পুরানো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করুন। মন ভালো হবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ত্বকের বয়স কমায় কাঁচা হলুদ

অনলাইন ডেস্ক

ত্বকের বয়স কমায় কাঁচা হলুদ

কাঁচা হলুদ

কাঁচা হলুদের ব্যবহার আমাদের গায়ের রঙ উজ্জ্বল হতে তো সাহায্য করেই, পাশাপাশি ত্বকের ভেতর থেকেও যত্ন নেয় এটি। তাই ত্বকের যত্নে নিয়মিত হলুদ ব্যবহার করতে পারেন।

কাঁচা হলুদের উপকার সম্পর্কে জানানো হল।

কাঁচা হলুদ ত্বকের বয়স কমায়। তাই বিভিন্ন ক্রিমের প্রয়োজনীয় উপাদান হিসেবে হলুদ ব্যবহার করা হয়। ত্বকের বিভিন্ন দাগ, রিঙ্কল ও সান ট্যান থেকে ত্বককে রক্ষা করার জন্য কাঁচা হলুদের ফেসপ্যাক ঘরেই তৈরি করে মুখে লাগানো যেতে পারে।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


কাচা হলুদকে জাদুকরি উপাদান বলা হয়। এটি ত্বকের অধিকাংশ সমস্যা সমাধান করতে পারে। কারকিউমিন রং ফর্সা করে, ত্বক উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে। কারকিউমিন ত্বককে পাতলা করতে কাজ করে। ব্যাকটেরিয়া দূর করে; ভেতর থেকে উজ্জ্বলতা বাড়ায়।

কাঁচা হলুদের অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, এন্টিসেপ্টিক ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ মুখে ব্রণ কমায়। ব্রণ সমস্যার থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মুখে নিয়ম করে কাঁচা হলুদ পেস্ট করে মাখুন ও খান, দেখবেন তাড়াতাড়ি উপকার পাচ্ছেন। কাঁচা হলুদ শুধু ব্রণই দূর করে না, তার সাথে ব্রণের দাগ এবং লোমকূপ থেকে তেল বের হওয়ার পরিমাণও কমিয়ে দেয়।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

শেভের পর ত্বক জ্বালা-পোড়া থেকে বাঁচতে যা করবেন

অনলাইন ডেস্ক

শেভের পর ত্বক জ্বালা-পোড়া থেকে বাঁচতে যা করবেন

প্রতীকী ছবি

শেভ করার পর অনেকেরই ত্বক জ্বালা-পোড়া করে। বিশেষ করে শীতকালে অনেকেই এই সমস্যায় ভোগেন। বেশ কয়েকটি পরামর্শ মেনে চললে এই অবস্থা থেকে নিস্তার পাওয়া সম্ভব।

এক নজরে দেখে নেয়া যাক এমন কিছু উপায়-

১) ত্বক যাতে বেশি শুষ্ক না হয়ে যায়, সে দিকে খেয়াল রাখুন। সকালে দাড়ি কামানোর পরিকল্পনা থাকলে আগের রাতে মুখে ভালোভাবে ময়শ্চারাইজার মাখুন। এতে ত্বক আর্দ্র থাকবে।

২) তুলনামূলক লম্বা দাড়ি কাঁচি দিয়ে প্রথমে ছেঁটে নিন। লম্বা দাড়িও রেজর দিয়ে কাটতে গেলে গালের এক-একটি অংশে একাধিক বার ব্লেড ছোঁয়াতে হবে। ফলে ক্ষত তৈরি হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকবে।

৩) দাড়ি কামানোর সময়ে চেষ্টা করুন যে সব ক্রিমে বেশি ফেনা হয়, তা ব্যবহার করতে। তবে ত্বক মোলায়েম থাকবে।

৪) দাড়ি কাটার পর অবশ্যই অ্যালোভেরা জেল বা ভারী কোনো ময়শ্চারাইজার গালে মাখুন। তা হলে প্রথমেই অনেকটা নিয়ন্ত্রিত হবে জ্বালা ভাব।

আরও পড়ুন:

রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থেকে যেসব বিপদ ডেকে আনছেন

অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘক্ষণ চেয়ারে বসে থেকে যেসব বিপদ ডেকে আনছেন

প্রতীকী ছবি

অফিসে কাজের জন্য অনেককেই দীর্ঘ সময় চেয়ারে বসে থাকতে হয়। কিন্তু কখনো ভেবে দেখেছেন কী, এতে আমাদের শরীরের কী ধরনের ক্ষতি হচ্ছে। চলুন জেনে নেই দীর্ঘ সময় ধরে বসে থাকলে আপনার কী ক্ষতি হতে পারে-

পিঠে ব্যথা:

দীর্ঘ সময় যাবৎ বসে থাকার আরেকটি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হলো পিঠে ব্যথা। বিশেষ করে, আপনি যদি চেয়ারে বসে থাকেন এবং কম্পিউটারে কাজ করতে থাকেন। কারণ এটি আপনাকে ঘাড় ও মাথাকে সামনে ঝুকিয়ে, মেরুদণ্ডে অনেক চাপের সৃষ্টি করে, একইভাবে চেয়ারে বসে থাকতে বাধ্য করে, যা পিঠ এমনকি ঘাড়ের ব্যাথার কারণ হয়।

মেদ বৃদ্ধি:

দীর্ঘসময় বসে থাকা মেদ বৃদ্ধির জন্য খুবই সহায়ক। বসে থাকার সময়ে শারীরিক বিপাক ক্রিয়া ধীর হয়ে যায়, ক্যালোরি বার্ন হওয়ার পরিমাণ কমে যায়। আপনি অনেকক্ষ ধরে বসে থাকলে চর্বির পক্ষে আপনার কোমরের চারপাশে জমেতেও সুবিধা হয়। আমরা সকলেই জানি পেটের অত্যাধিক চর্বি কতোটা বিপদ্দজনক হতে পারে!

হাড় সংক্রান্ত সমস্যা:

একটানা বসে থাকার ফলে আমাদের দেহের নিচের অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলোতে সঠিকভাবে রক্ত সঞ্চালন হয় না। এতে করে সমস্যা শুরু হয় নানা অঙ্গে। একটানা বসে থাকার ফলে দেহের নিচের অংশের হাড় ভারী হয়। ফলে দেখা দেয় হাড় সংক্রান্ত নানা সমস্যা। এতে পিঠ ও মেরুদণ্ডে ব্যথা হতে পারে।


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে করণীয়:

আধা ঘণ্টা পর পর চেয়ার ছেড়ে উঠুন:

আপনার কাজ রয়েছে বুঝলাম। তবে কাজের অজুহাতে শরীর খারাপ করলে তো চলবে না। তাই প্রতি ৩০ মিনিটে একবার চেয়ার ছেড়ে উঠুন। পারলে নিজের মোবাইলে রিমাইন্ডার দিয়ে রাখুন। তারপর রিমাইন্ডার বাজলেই উঠে পড়ুন।

হাঁটুন: চেয়ার ছেড়ে শুধু দাঁড়িয়ে থাকা যাবে না। হেঁটে আসুন। খুব দূর যেতে হবে না। একটু অফিসের লনেই হেঁটে নিন। বারান্দায় গিয়ে দাঁড়ান। তারপর ফিরে আসুন। এটুকু করলেই চলবে।

স্ট্রেচিং করুন: যখনই সময় পাবেন, একটু দাঁড়িয়ে স্ট্রেচিং করুন। দেখবেন হালকা লাগছে। এই স্ট্রেচিং এক্সারসাইজ শরীরকে নমনীয় করে, পেশির শক্তি বাড়ায়, মেরুদণ্ডকে ঋজু রাখে। বিশেষত, ঘাড়ে, হাতে, কোমরে ব্যথা থাকলে একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো করতে হবে স্ট্রেচিং।

ব্যায়াম করুন: সারা দিনে ঠিক ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন। শুধু এইটুকু করতে পারলেই আপনার শরীর থাকবে ভালো। সঙ্গে মনও নিজের মতো করে মুক্ত হবে। দূর হবে দুশ্চিন্তা।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ঠোঁটের চামড়া ওঠা ও ফাটা রোধের সহজ উপায়

অনলাইন ডেস্ক

ঠোঁটের চামড়া ওঠা ও ফাটা রোধের সহজ উপায়

প্রতীকী ছবি

শীতে ঠোঁটের চামড়া ওঠা ও ফাটার সমস্যায় অনেককেই ভুগিয়ে থাকেন। এ সমস্যা থেকে বাঁচতে প্রতিদিন না হলেও সপ্তাহে অন্তত দুবার ঠোঁট ভালো রাখতে স্ক্রাব করা জরুরি। এজন্য খুব সহজেই ঘরে তৈরি করতে পারবেন লিপ স্ক্রাব। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক তিন ধরনের লিপ স্ক্রাব তৈরি পদ্ধতি-

ব্রাউন সুগার স্ক্রাব

ব্রাউন সুগার শরীরের জন্যও যেমন উপকারী ঠিক তেমনই ত্বক এক্সফোলিয়েটর হিসেবেও কাজ করে। এটি গ্লাইকোলিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা ত্বক এক্সফোলিয়েশন করে। এতে আরো আছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য, ঠোঁটকে করে মসৃণ ও উজ্জ্বল।

এই স্ক্রাব তৈরি করতে লাগবে ব্রাউন সুগার, মধু ও নারকেল তেল। ১ টেবিল চামচ বাদামি চিনির সঙ্গে আধা টেবিল চামচ মধু ও তেল মিশিয়ে নিন। তারপর এই মিশ্রণ ঠোঁটে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। তবে বেশি জোরে জোরে ঘষবেন না। আলতো হাতে ম্যাসাজ করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ঠোঁট কতটা নরম হয়ে গেছে। এরপর ঠোঁটে লিপজেল ব্যবহার করুন।

গ্রিন টি স্ক্রাব

গ্রিন টি স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, হওয়ায় ত্বক দূষণমুক্ত করে। এজন্য গ্রিন টির সঙ্গে আধা টেবিল চামচ টকদই, সমপরিমাণ অলিভ অয়েল ও চিনি মিশিয়ে নিন। ব্যাস তৈরি গ্রিন টি স্ক্রাব। এবার এই মিশ্রণ ঠোঁটে কিছুক্ষণ ম্যাসাজ করুন। দেখবেন ঠোঁটের মৃতকোষ উঠে যাবে। ফলে ঠোঁটের চামড়াও আর উঠবে না আর ফোঁটও ফাটবে না।

আরও পড়ুন:


তাইজুল ম্যাজিকে লিড পেলো বাংলাদেশ

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


কফি স্ক্রাব

কফি দিয়ে রূপচর্চা বিষয়টি সবারই জানা। কফি সত্যিই ত্বকের যত্নে দুর্দান্ত কাজ করে। কফি একটি চমৎকার এক্সফোলিয়েটর। ঠোঁটের উজ্জ্বলতা ও কোমলতা বাড়ায় এটি। ক্যাফেইন রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে, ফলে ঠোঁটের গোলাপি আভা ফিরে আসে।

কফি স্ক্রাব তৈরি করতে নারকেল তেল বা অলিভ অয়েলের সঙ্গে কফি পাউডার মিশিয়ে নিন। এরপর ঠোঁট স্ক্রাব করুন। নিয়মিত কফি স্কাব ব্যবহারে ত্বকের কালচে ভাব দূর হবে, ঠোঁটের চামড়া ওঠা ও ফাটাও রোধ হবে।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

দাম্পত্য জীবনে সুখি থাকার ১২ উপায়!

অনলাইন ডেস্ক

দাম্পত্য জীবনে সুখি থাকার ১২ উপায়!

প্রতীকী ছবি

বিবাহের পর দাম্পত্য জীবনে সুখী হতে সবাই চায়। কিছু বিষয় বা শর্ত মেনে চললে জীবন হয়ে ওঠে আনন্দময়। এক সংসারে থাকতে গেলে ছোট খাট সমস্যা হবেই। তবে এসব সমস্যাকে ছাপিয়ে চেষ্টা করতে হবে সুখি জীবনযাপন করার। নিচের শর্তগুলো মেনে চললে দাম্পত্য জীবন হয়ে উঠবে সুখকর।

একসাথে ব্যায়াম করা:

সুস্থ শরীরের জন্য নারী,পুরুষ প্রত্যেকের ওয়ার্ক আউট করা উচিত। কিন্তু স্বামী-স্ত্রীর ক্ষেত্রে দুজন একসাথে ওয়ার্কআউট করলে  দুজনের মধ্যে বন্ধন দৃঢ় হয়।

সঙ্গীর বন্ধুর সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা:

চেষ্টা করুন আপনার সঙ্গীর বন্ধু-বান্ধবীদের ভালো সম্পর্ক রাখতে । এতে করে আপনার সামাজিক সার্কেল বড় হবে। আর কোন সমস্যা হলেও ওই বন্ধুদের কাছ থেকে আপনি সাহায্য নিতে পারবেন।

আরও পড়ুন:


হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


স্বাধীনতা দেওয়া:

মাঝেমধ্যে সঙ্গীর বন্ধুদের সাথে বের হবেন ঠিক আছে কিন্তু আপনার সঙ্গীকেও তার বন্ধুদের সাথে নিজের মতো করে সময় কাটাতে দিন।

পরিবারকে প্রাধান্য দেওয়া:

সঙ্গীর সাথে সাথে তার বাবা-মা, ভাই-বোন অর্থাৎ পরিবারকে গুরুত্ব দিন। তাদেরকে উপযুক্ত সম্মান দিন এবং ভালো সম্পর্ক বজায় রাখুন।

পুরানো কথা না তোলা:

পুরোনো কোন কথা যা তিক্ততা সৃষ্টি করে এমন কথা বারবার তুলে আনবেন না। এতে করে সমস্যা সমাধান হওয়ার পরিবর্তে নতুন করে সমস্যা সৃষ্টি হবে।

দোষ না চাপানো:

অনেকে আছে কোন কারণ ছাড়াই একজন আরেকজনকে দোষ চাপায়। এতে করে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়। দোষ না চাপিয়ে দুজন বসে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করুন।

একসাথে রান্না করা:

কোন উৎসবে বা অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে চেষ্টা করুন একসাথে রান্না করার। এরকম ছোট ছোট সুখকর বিষয়গুলো দুজনকে কাছে নিয়ে আসে।

সবকিছুতে মন্তব্য না করা:

মানুষ নিজের অজান্তে অনেক সময় অনেক কিছু বলে থাকে। এজন্য সব কথাতে মন্তব্য করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন।

নিজের মতো করে সময় কাটানো:

প্রত্যেক মানুষ কিছু সময় নিজের মতো করে কাটাতে চায়। এজন্য সবাইকে তাদের নিজস্ব কিছু সময় দেওয়া উচিত।

আর্থিক দায়িত্ব:

চিকিৎসা, ঘোরাঘুরি বা অন্যান্য কাজের জন্য দুজন মিলে সেভিংস করা শুরু করুন। একজন আরেকজনের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস রাখুন।

ভাগাভাগি করে কাজ করা:

একজনই কেন বাড়ির সব কাজ করবে?চেষ্টা করুন বাড়ির সব কাজ দুজন ভাগাভাগি করে করতে। এতে করে কারো একার ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়বে না।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর