জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা রেজুলেশন গৃহীত

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা রেজুলেশন গৃহীত

জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো রোহিঙ্গা রেজুলেশন, যা এই সঙ্কটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন। 

জাতিসংঘে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক রেজুলেশনটি গ্রহণকালে প্রদত্ত বক্তৃতায় একথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। রেজুলেশনটি যৌথভাবে উত্থাপন করে ওআইসি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। 
 
বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় ও মানবিক সহায়তা প্রদান এবং জাতীয় কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন কর্মসূচিতে তাদেরকে অন্তর্ভূক্ত করার মাধ্যমে বাংলাদেশ যে উদারতা ও মানবিকতা প্রদর্শন করেছে, রেজুলেশনটিতে তার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। কক্সবাজারের অত্যন্ত জনাকীর্ণ আশ্রয় ক্যাম্প থেকে রোহিঙ্গাদের একটি অংশকে ভাষানচরে স্থানান্তর এবং এ লক্ষ্যে এখানে অবকাঠামোসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা তৈরি করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যে প্রচেষ্টা ও বিনিয়োগ করেছে তারও স্বীকৃতি দেওয়া হয় রেজুলেশনটিতে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ও জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের মধ্যকার সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরকে স্বাগত জানানো হয়।

​রেজুলেশনটিতে প্রাথমিকভাবে দৃষ্টি দেওয়া হয়েছে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং পহেলা ফেব্রুয়ারি ২০২১-এ জরুরি অবস্থা জারির প্রেক্ষাপট এর মতো বিষয়গুলোর প্রতি। রোহিঙ্গা সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা, বাংলাদেশের সাথে স্বাক্ষরিত দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির বাধ্যবাধকতাগুলো পূরণ করা, এবং মিয়ানমারে নিযুক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতসহ জাতিসংঘের সকল মানবাধিকার ব্যবস্থাপনাকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করতে এবারের রেজুলেশনে মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। চলমান বিচার ও দায়বদ্ধতা নিরুপন প্রক্রিয়ার উপর রেজুলেশনটিতে সজাগ দৃষ্টি বজায় রাখার কথা বলা হয়েছে।

এতে মিয়ানমারে নবনিযুক্ত জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতকে স্বাগত জানানো হয়েছে এবং মিয়ানমারকে সম্পৃক্ত করে তাঁর জন্য একটি কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের কথাও বলা হয়েছে। রাখাইন রাজ্যে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে মিয়ানমার, ইউএনএইচসিআর এবং ইউএনডিপি এর মধ্যে স্বাক্ষরিত ত্রি-পাক্ষিক সমঝোতা স্মারকটি নবায়ন ও এর কার্যকর বাস্তবায়ন করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে রেজুলেশনটিতে।
 
রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবিক বিবেচনায় ২০১৭ সালে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের সীমান্ত খুলে দেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় এই যে, রোহিঙ্গাদের স্বপ্রণোদিত, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবর্তনের উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে মিয়ানমার ব্যর্থ হওয়ায় বাংলাদেশে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে”। প্রত্যাবাসনের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় রোহিঙ্গাদের হতাশা ক্রমশ: তীব্র হচ্ছে যা এ অঞ্চলে নানা ধরণের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি করছে মর্মে উল্লেখ করেন বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি। রাষ্ট্রদূত ফাতিমা আরও বলেন, “আশা করা যায় এবারের রেজুলেশনটি নিজভূমি মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে বাস্তবভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণের প্রেরণা হিসেবে কাজ করবে যা দীর্ঘস্থায়ী এই সমস্যার টেকসই সমাধানে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে”।
 
এবারের রেজুলেশনটিতে ১০৭টি দেশ সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করেছে যে সংখ্যা ২০১৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত সর্বোচ্চ। ইউরোপিও ইউনিয়ন এবং ওআইসি ছাড়াও রেজুলেশনটিতে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়াসহ বিভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক দেশ সমর্থন যুগিয়েছে এবং সহ-পৃষ্ঠপোষকতা প্রদান করে।
 
সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত এবারের রোহিঙ্গা রেজুলেশনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত ফাতিমা বলেন, “একটি শক্তিশালী ম্যান্ডেট নিয়ে এবারের রেজুলেশন গৃহীত হলো যা রোহিঙ্গাদের মনে নতুন আশার সঞ্চার করবে যে জন্য তারা পথ চেয়ে বসে আছে”।

জাতিসংঘে প্রথমবারের মতো সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো রোহিঙ্গা রেজুলেশন, যা এই সঙ্কটের সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন” -আজ জাতিসংঘে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিমসহ অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক রেজুলেশনটি গ্রহণকালে প্রদত্ত বক্তৃতায় একথা বলেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা। রেজুলেশনটি যৌথভাবে উত্থাপন করে ওআইসি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

আরও পড়ুন


মিয়ানমার থেকে আসছে ভয়ংকর মাদক আইস, সীমান্তেই কারখানা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

মোংলা বন্দরের দুই সর্বোচ্চ সম্মাননা পেল বসুন্ধরা

অনলাইন ডেস্ক

মোংলা বন্দরের দুই সর্বোচ্চ সম্মাননা পেল বসুন্ধরা

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসার কাছ থেকে ক্রেস্ট গ্রহণ করছেন বসুন্ধরা গ্রুপের হিসাব বিভাগের প্রধান মো. রবিউল ইসলাম।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সর্বোচ্চ দুই সম্মাননা পেল বসুন্ধরা গ্রুপের দুই প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা শিপিং লি. ও বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স লিমিটেড।

বন্দরের ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বিগত বছরে সর্বোচ্চ বন্দর ব্যবহারকারীদের ক্রেস্ট দিয়ে সম্মাননা দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী। এতে সভাপতিত্ব করেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স লিমিটেড ‘সর্বোচ্চ সাধারণ পণ্য আমদানিকারক’ ক্যাটাগরিতে এবং বসুন্ধরা শিপিং লিমিটেড ‘সর্বোচ্চ বন্দর মাশুল প্রদানকারী শিপিং এজেন্ট’ ও সর্বোচ্চ সাধারণ পণ্যবাহী জাহাজ অনায়নকারী শিপিং এজেন্ট’ হিসেবে নির্বাচিত হয়।

আরও পড়ুন: 


পায়ের রগকাটা মরদেহ পড়ে আছে নদীর পাড়ে


বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষে হিসাব বিভাগের প্রধান মো. রবিউল ইসলাম সম্মাননা ক্রেস্টগুলো গ্রহণ করেন।

ক্রেস্টগুলো হাতে তুলে দেন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ মুসা।

news24bd.tv /তৌহিদ

পরবর্তী খবর

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা জানালেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

অনলাইন ডেস্ক

করোনায় মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা জানালেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর

প্রতীকী ছবি

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়াল ২৭ হাজার ৯৮৩ জনে। 

এ সময় নতুন করে করোনা ধরা পড়েছে আরও ২৮২ জনের শরীরে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭৬ হাজার ৫৬৬ জনে।

আজ বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন


বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় মামলা, আসামি ৮ শতাধিক

টেস্ট ছাড়া কেউ দেশে এলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয় ১৮ হাজার ৮৫১টি। পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৫০ শতাংশ। এ সময়ে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৮৩ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৪১ হাজার ৩৪৮  জন।

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের একজন পুরুষ ও অপরজন নারী। এ সময়ে ঢাকা ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। বাকি বিভাগগুলোতে ২৪ ঘণ্টায় কারো মৃত্যু হয়নি।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে: মেয়র আতিকুল

অনলাইন ডেস্ক

বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে: মেয়র আতিকুল

মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, দেশে প্রথমবারের মতো বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে যাচ্ছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ঢাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি।

আতিকুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর আমিনবাজার এলাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের জন্য ডিএনসিসি ৩০ একর জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছে। ৪২.৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন প্রকল্পটিতে প্রতিদিন সর্বমোট ৩ হাজার মেট্রিক টন কঠিন বর্জ্য ব্যবহার করা হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রকল্পটিতে কাঁচামাল হিসেবে নগরীর কঠিন বর্জ্য‌ ব্যবহার করার ফলে এটি নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি সুস্থ পরিবেশ ও প্রতিবেশের জন্যও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

ডিএনসিসি মেয়রের উপস্থিতিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সঙ্গে চীনের চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশনের এসংক্রান্ত দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন


লক্ষ্মীপুরে ধান ক্ষেতে নিয়ে গৃহবধূকে নির্মম নির্যাতন

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ১১ দফা

অনলাইন ডেস্ক

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ১১ দফা

সড়কে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা

নিরাপদ সড়কের দাবিতে পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সকাল থেকে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় সড়ক আটকিয়ে বিক্ষোভ করছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কয়েকশ' শিক্ষার্থী রামপুরা ব্রিজ এলাকায় অবস্থান নেয়।

বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে শিক্ষার্থীরা ১১টি দাবি জানিয়েছে।

তাদের দাবিগুলো হলো:

১. সড়কে নির্মম কাঠামোগত হত্যার শিকার নাঈম ও মাঈনুদ্দিনের হত্যার বিচার করতে হবে। তাদের পরিবারকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। গুলিস্তান ও রামপুরা ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায় পথচারী পারাপারের জন্য ফুটওভারব্রিজ নির্মাণ করতে হবে।

২. সারাদেশের সব গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া সরকারি প্রজ্ঞাপন দিয়ে নিশ্চিত করতে হবে। হাফ ভাড়ার জন্য কোনো সময় বা দিন নির্ধারণ করে দেওয়া যাবে না। বর্ধিত বাস ভাড়া প্রত্যাহার করতে হবে। সব রুটে বিআরটিসির বাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।

৩. গণপরিবহনে ছাত্র-ছাত্রী এবং নারীদের জন্য অবাধ যাত্রা ও সৌজন্যমূলক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

৪. ফিটনেস ও লাইসেন্সবিহীন গাড়ি এবং লাইসেন্সবিহীন চালক নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।গাড়ি ও ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে বিআরটিএ’র দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৫. সব রাস্তায় ট্রাফিক লাইট, জেব্রা ক্রসিং নিশ্চিত করাসহ জনবহুল রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ট্রাফিক পুলিশের ঘুস-দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

৬. বাসগুলোর মধ্যে বেপরোয়া প্রতিযোগিতা বন্ধে এক রুটে এক বাস এবং দৈনিক আয় সব পরিবহন মালিকের মধ্যে তাদের অংশ অনুয়ায়ী সমানভাবে বণ্টনের নিয়ম চালু করতে হবে।

৭. শ্রমিকদের নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র নিশ্চিত করতে হবে। চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করতে হবে। চুক্তি ভিত্তিতে বাস দেওয়ার বদলে টিকিট ও কাউন্টারের ভিত্তিতে গোটা পরিবহন ব্যবস্থাকে ঢেলে সাজাতে হবে। শ্রমিকদের জন্য বিশ্রামাগার ও টয়লেটের ব্যবস্থা করতে হবে।

৮. গাড়ি চালকের কর্মঘণ্টা একনাগাড়ে ৬ ঘণ্টার বেশি হওয়া যাবে না। প্রতিটি বাসে ২ জন চালক ও ২ জন সহকারী রাখতে হবে। পর্যাপ্ত বাস টার্মিনাল নির্মাণ করতে হবে। পরিবহন শ্রমিকদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে।


আরও পড়ুন:

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে কটূক্তি, কাটাখালীর মেয়র আটক

শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস

আজ থেকে ঢাকার গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের ভাড়া অর্ধেক কার্যকর


৯. যাত্রী, পরিবহন শ্রমিক ও সরকারের প্রতিনিধিদের মতামত নিয়ে সড়ক পরিবহন আইন সংস্কার করতে হবে এবং এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

১০. ট্রাক, ময়লার গাড়িসহ অন্যান্য ভারী যানবাহন চলাচলের জন্য রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করে দিতে হবে।

১১. মাদকাসক্তি নিরসনে গোটা সমাজে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। চালক-সহকারীদের জন্য নিয়মিত ডোপ টেস্টের ও কাউন্সেলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, নিরাপদ সড়কের জন্য তাদের দাবিগুলো না মানা পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের ১১ দফা

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

গুলি ছাড়াই প্রতিবেশীর সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

গুলি ছাড়াই প্রতিবেশীর সঙ্গে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সচিবালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শান্তিতে বিশ্বাসী। সে কারণে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সমস্যা আমরা শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করেছি। কোনো গুলি ছাড়াই আমরা শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছি বলে জানিয়েছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় বিশ্ব শান্তি সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এটি আগামী ৪-৫ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্রতে নিয়োজিত বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ ছাড়াও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, কবি, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী, শিল্পী, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিজীবীরা অংশ নেবেন। এতে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এদের মধ্যে ৬০ জন প্রতিনিধি সশরীরে আসবেন। আর ৪০ জন প্রতিনিধি ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেবেন।

করোনার নতুন ধরন প্রসঙ্গে ড. মোমেন বলেন, সাউথ আফ্রিকা থেকে আসা বন্ধ করে দিয়েছি। আগে যারা আসছে তাদেরও চিহ্নিত করার চেষ্টা চলছে। আমরা আমাদের আফ্রিকা দূতাবাসে বার্তা পাঠিয়েছি, বলেছি সেখানে যারা আছেন এখন যেন তাদের দেশে আসতে নিরুৎসাহিত করা হয়।

এবিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানান, প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ আগামী ৪ ডিসেম্বর বিকেলে ভার্চ্যুয়ালি সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। আর ৫ ডিসেম্বর সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সম্মেলনে রাজনীতিবিদ, শিল্পী, সাহিত্যিক অংশ নেবেন। সম্মেলনে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি মুন, নোবেল জয়ী কৈলাশ সত্যার্থী, ইউনেস্কোর মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা, ব্রিটেনের সাবেক ফার্স্ট লেডি শেরি ব্লেয়ার অংশ নেবেন।

আরও পড়ুন


করোনা বাড়লে আবারও বন্ধ হবে স্কুল: প্রধানমন্ত্রী

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর