কিশোরীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে একাধিকবার ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

কিশোরীকে অস্ত্রের মুখে অপহরণ করে একাধিকবার ধর্ষণ

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় অস্ত্রের মুখে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ করেন রিশাদ মিয়া (৩০)। র্যাব জানিয়েছে,ধারালো অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে জিম্মি করে সিএনজিযোগে অপহরণ করে সখীপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তার এক পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর ভিকটিমকে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভিকটিম যাতে না পালাতে পারে সেজন্য ভিকটিমকে হাত ও পা বেঁধে দরজা বন্ধ করে আটকে রাখে। ধর্ষক রিশাদ মিয়া একজন ট্রাক্টর চালক। এর আগেও তিনি দুটি বিয়ে করেছেন। 

এ ঘটনায় ভিকটিমের বড়ভাই বাদী হয়ে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামিকে টাঙ্গাইল থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলে র‌্যাব কমান্ডার জানান।

এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে রিশাদ মিয়াকে র‌্যাব। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে টাঙ্গাইল সদর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।রিশাদ মিয়া সখীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর গ্রামের মো. মফিজ মিয়ার ছেলে।

র্যাব ১২ এর ৩নং কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, সদর উপজেলার বড় বেলতা এলাকায় ট্রাক্টর চালাতে গিয়ে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী নজরে পড়ে রিশাদ মিয়ার। প্রেমের প্রস্তাব দিলে রাজি হয়নি ওই ছাত্রী। গত ১৪ নভেম্বর সন্ধ্যায় রিশাদ মিয়াসহ একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে। এ ঘটনায় মেয়েটির মা টাঙ্গাইল সদর থানা ও র্যাব কার্যালয়ে অভিযোগ দেন।

পরে র্যাব ১২ এর ৩নং কোম্পানি কমান্ডার লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে অভিযান শুরু করে। র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা, অনুসন্ধান ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জানতে পারে, ভিকটিম ও অপহরণকারীরা সখীপুর উপজেলায় অবস্থান করছে। অপহরণকারীরা ভিকটিমকে নিয়ে বারবার স্থান পরিবর্তন করে।

তিনি জানান, বুধবার সন্ধ্যায় সদর উপজেলার পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে একটি ঘরের ভিতরে ভিকটিমকে হাত-পা, মুখ বাঁধা ও অসুস্থ অবস্থায় উদ্ধার করে। তাকে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল এলাকা হতে রিশাদ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন:

বাংলাদেশ-পাকিস্তান সিরিজে গ্যালারিতে ফিরছে দর্শক, জানা গেলো টিকিটের মূল্য

প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন বিকেলে

পাকিস্তানের পতাকা লাগিয়ে কীসের প্র্যাকটিস: তথ্য প্রতিমন্ত্রী


 

কোম্পানি কমান্ডার আরও জানান, বড় বেলতা অলোয়াচর এলাকা হতে ধারালো অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে মুখে স্কচটেপ লাগিয়ে জিম্মি করে সিএনজিযোগে অপহরণ করে সখীপুরের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় তার এক পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পর ভিকটিমকে অস্ত্রের মুখে ভয় দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভিকটিম যাতে না পালাতে পারে সেজন্য ভিকটিমকে হাত ও পা বেঁধে দরজা বন্ধ করে আটকে রাখে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন তাদের খুঁজে বের করতে না পারে তাই বারবার সখীপুর, মধুপুর ও সদরের বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান পরিবর্তন করে। অবস্থান পরিবর্তনের সময় ভিকটিমের চোখ ও মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে রাখা হতো যাতে ভিকটিম অবস্থান চিহ্নিত করতে না পারে।

news24bd.tv/আলী 

পরবর্তী খবর

রাজধানীতে শাপলা ফুলের প্রলোভনে শিশু ধর্ষণ

অনলাইন ডেস্ক

রাজধানীতে শাপলা ফুলের প্রলোভনে শিশু ধর্ষণ

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর ডেমরায়  শাপলা ফুল ও চকলেটের প্রলোভন দেখিয়ে ৫ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে অভিযুক্ত রিফাতের (১৯) বিরুদ্ধে ডেমরা থানায় মামলা করেন। 

এদিকে এ ঘটনার খবর পেয়ে এলাকাবাসী রিফাতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পুলিশ ওই রাতেই লম্পট রিফাতকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে বুধবার আদালতে পাঠায়।

আরও পড়ুন


বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় মামলা, আসামি ৮ শতাধিক

টেস্ট ছাড়া কেউ দেশে এলে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী


অন্যদিকে ভুক্তভোগী মেয়েটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসিসি) চিকিৎসার পাঠিয়েছে পুলিশ। ডেমরার পূর্ব বক্সনগর এলাকায় গত সোমবার এ ঘটনা ঘটে। 

ডেমরা থানার ওসি খন্দকার নাসির উদ্দিন জানান, ভুক্তভোগী শিশুটির প্রতিবেশী ও পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া লম্পট রিফাত। মেয়েটি তার ৮ বছরের চাচাতো ভাইকে নিয়ে বাড়ির সামনে খেলা করে প্রতিদিন। বিষয়টি খেয়াল করে রিফাত। 

গত সোমবার সকাল ১০টার দিকে খেলা করার সময় রিফাত ওই দুই শিশুকে চকলেট ও শাপলা ফুলের প্রলোভন দেখিয়ে তার ঘরে নিয়ে ছেলেটিকে মোবাইল দিয়ে অপর একটি ঘরে বসিয়ে দেয়। মেয়েটিকে অন্য ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে রিফাত। 

পরবর্তীতে এ ঘটনা ছেলেটি ভুক্তভোগীর মাকে পরের দিন জানায়।মেয়েটিও ভয়ে তার মাকে প্রথমে বিষয়টি জানায়নি। 

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

‌‘যুবলীগের সভা’ নিয়ে দ্বন্দ্ব, ১০ জনকে ছুরিকাঘাত

অনলাইন ডেস্ক

‌‘যুবলীগের সভা’ নিয়ে দ্বন্দ্ব, ১০ জনকে ছুরিকাঘাত

ছুরিকাঘাত, প্রতীকী ছবি।

যশোরে জেলা যুবলীগের বর্ধিত সভা নিয়ে দলীয় প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে ১০জন আহত হয়েছে। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে যশোর শহরের মাইকপট্টি, তসবীর সিনেমা হল ও জজ কোর্ট এলাকায় ছুরিকাঘাতের এ ঘটনা ঘটে।

হাসপাতালে ভর্তিরা হলেন- ইসমাঈল হোসেন হ্যাপী (১৯), টিটু হোসেন (২১), খায়রুল ইসলাম (১৮), রাসেল (২০) ও আকিবুল (১৭)।

অন্যরা হলেন- শামীম হোসেন (১৮), রাব্বি (১৮), জয় আহমেদ (১৭), গোষ্ট গোপাল (২০) ও সোহাগ (২১)। তবে এ ব্যাপারে দায়িত্বশীল কোনো নেতৃবৃন্দের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আহতদের সূত্রে জানা গেছে, বর্ধিত সভা উপলক্ষে আসা নেতৃবৃন্দকে যশোর সার্কিট হাউস থেকে শহরের চিত্রা মোড়ে একটি অভিজাত আবাসিক হোটেলে নিয়ে যাওয়ার সময় তারা পেছনে ছিলো। এ সময় অজ্ঞাত একদল দুর্বৃত্ত তাদের ছুরিকাঘাত করে।

ডিবি পুলিশের ওসি রুপণ কুমার সরকার বলেন, ছিনতাইকারী হ্যাপি তার ব্যক্তিগত আক্রোশে দুপুরে শহরের আর এন রোডে শামিমকে ছুরিকাঘাত করে। এরই জের ধরে শামীমের লোকজন জজ কোর্ট মোড়ে টিটু, হ্যাপী, খাইরুলদের ছুরিকাঘাত করে জখম করে। এ ঘটনার সঙ্গে যুবলীগের বর্ধিত সভার কোনো সম্পর্ক নেই। তারা কোনো রাজনৈতিক দলের মতাদর্শের কিনা বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: 


পায়ের রগকাটা মরদেহ পড়ে আছে নদীর পাড়ে


যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আব্দুর রশিদ ছুরিকাঘাতে আহত পাঁচজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে বলে জানিয়েছেন। খায়রুল ইসলাম নামে একজনার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

news24bd.tv /তৌহিদ

পরবর্তী খবর

পায়ের রগকাটা মরদেহ পড়ে আছে নদীর পাড়ে

ফখরুল হাসান পলাশ, দিনাজপুর

পায়ের রগকাটা মরদেহ পড়ে আছে নদীর পাড়ে

নলশীষা নদীর তীরে মরদেহ

দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় জয়পুর ইউনিয়নের নলশীষা নদীর পাড় থেকে আলী হোসেন সৌরভ (২৩) নামে এক যুবকের পায়ের রগকাটা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে নবাবগঞ্জ থানা-পুলিশ।

আজ বুধবার (১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার জয়পুর ইউনিয়নের চামুন্ডা গ্রাম সংলগ্ন নলশীষা নদীর তীর থেকে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সৌরভ ওই এলাকার চামুন্ডাই গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন


রাস্তায় নেমে গাড়ি ভাঙচুর শিক্ষার্থীদের কাজ নয়: প্রধানমন্ত্রী


 

পুলিশ জানান, উপজেলার আফতাবগঞ্জ এলাকা দিয়ে বহমান নলশিষা নদীর তীরে এক যুবকের মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে ওই স্থান থেকে ওই যুবকের মরদেহটি সুরতহাল শেষে উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তার পায়ের রগ কাটা ছিলো। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো যাবে।

news24bd.tv /তৌহিদ

পরবর্তী খবর

৯৯৯ এ ফোন কলে

ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক

ধর্ষণের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি

‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে এক কলারের ফোন কলে মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানাধীন বন্দর ফাঁড়ির পুলিশ।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে ৯৯৯ নম্বরে একজন কলার জানান, নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানাধীন বন্দর পৌরসভার কাছাকাছি ছদকার বাড়ি এলাকার একটি মাদ্রাসার এক শিক্ষক মাদ্রাসার ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে। 

কলার আরও জানান, তিনি ঘটনাস্থলের কাছাকাছি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী, বর্তমানে এলাকার লোকজন ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মিলে ভুক্তভোগী দরিদ্র শিশুটির পরিবারকে ডেকে এনে মিমাংসার চেষ্টা করছে। কলার আশঙ্কা করছেন দরিদ্র পরিবারটি ন্যয়বিবচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে।

আরও পড়ুন


বাসে আগুন দেয়ার ঘটনায় মামলা, আসামি ৮ শতাধিক

বিদেশে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস


৯৯৯ থেকে তাৎক্ষণিক ভাবে বিষয়টি বন্দর থানায় জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়। সংবাদ পেয়ে বন্দর থানাধীন বন্দর ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়।

পরে বন্দর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সপেক্টর (পরিদর্শক) সঞ্জয় সরকার ৯৯৯ কে ফোনে জানান, তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী নয় বছর বয়সী শিশুকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন এবং ধর্ষণের অভিযোগে জামিয়া আরাবিয়া দারুল কুরআন মাদ্রাসার শিক্ষক মো. রাকিবুল ইসলাম (২১) কে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন।

এ বিষয়ে বন্দর থানায় নারী ও  শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল নিয়ে কটূক্তি

বিদেশে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস

অনলাইন ডেস্ক

বিদেশে পালাতে চেয়েছিলেন মেয়র আব্বাস

র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার মেয়র আব্বাস আলী

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করা হয়েছে মেয়র আব্বাস আলী। তাকের গ্রেপ্তারের পর র‌্যাব জানায় দেশত্যাগের পরিকল্পনা ছিল মেয়র আব্বাসের।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলের ঈশা খাঁ হোটেলের সামনে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন নিয়ে কটূক্তিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগে কাটাখালী পৌরসভার মেয়র আব্বাস আলীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এরপর গত ২৩ নভেম্বর থেকে তিনি আত্মগোপন করেন। আমরা তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান পরিচালনা করি। সর্বশেষ গতকাল আমরা জানতে পারি, তিনি এই হোটেলে অবস্থান করছেন।

তিনি আরও বলেন,  আমাদের কাছে তথ্য ছিল আব্বাস আলী দেশত্যাগের পরিকল্পনা করছেন। তার সঙ্গে আমরা পাসপোর্ট পেয়েছি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি বিষয়টি স্বীকার করেছেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যে অডিও ফাঁস হয়েছে, এটা তারই কথা বলে জানিয়েছেন। তবে কতদিন আগে কথাটি বলেছিলেন সে বিষয়ে কিছু বলতে পারেননি।

এর আগে আজ বুধবার সকালে কাকরাইলের ঈশা খাঁ হোটেল থেকে মেয়র আব্বাস আলীকে গ্রেফতার করে র‍্যাব।

আরও পড়ুন


মানুষের আয় কমলেও আয়কর রিটার্ন জমা বেড়েছে

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর