যেমন হুজুর তেমন সিনেমার লোকজন: পীর হাবিবুর রহমান

পীর হাবিবুর রহমান

যেমন হুজুর তেমন সিনেমার লোকজন: পীর হাবিবুর রহমান

পীর হাবিবুর রহমান

একটি টেলিভিশন চ্যানেলের এক দাপুটে দম্পতির কর্মকাণ্ডে উষ্মা প্রকাশ করেছেন জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক পীর হাবিবুর রহমান। 

তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ভ্রূণ হত্যার অভিযোগের পরও গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। 

একই সঙ্গে একটি চলচ্চিত্রের মহরত অনুষ্ঠানের দোয়া-মাহফিলের ঘটনার একটি যোগসূত্র স্থাপন করে সামাজিক পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টি নিবদ্ধ করেছেন তিনি। নিউজটোয়েন্টিফোরবিডি.টিভির পাঠকদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পীর হাবিবুর রহমানের দেয়া পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল-

"সমাজে অদ্ভূত সব ঘটনা দেখতে হচ্ছে। সিনেমার মহরতে হুজুর দোয়া পড়াচ্ছেন আর তাতে অনেক চেনারা শরীক হচ্ছেন। যেমন হুজুর তেমন সিনেমার লোকজন!

নীতিহীন সব কাজ। একটি টিভির দাপুটে দম্পতির ক্ষমতা দেখেছে দেশ। ভ্রূণ হত্যার অভিযোগ এনেছে উগান্ডার প্রানীর বিরুদ্ধে তার ৫৫তম আইটেম। কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেয়া দূরে থাক একটি তদন্তও করেনি খচ্চরের বিরুদ্ধে। 

গণমাধ্যমের ইমেজ স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা থাকলোনা। আর নারীবাদীরা একদম চুপ থেকে জানিয়ে দিলো তারা মৃত। ক্ষমতার নিশ্চয়তা পেলেই তারা জীবিত হন।

একটা বিকৃত সমাজে যা চলার তাই চলছে। নষ্ট বিকৃতরা উল্লাস করছে, অবৈধ অর্থ, করুণাশ্রিত ক্ষমতা, আর নোংরা কদর্য জীবন প্রকাশ্যে ভোগ করছে। 

এদের থেকে শত হাত দূরে থাকুন ঘেন্নায়।"

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

আরও পড়ুন:

তুমি কি স্যাপিওসেক্সুয়াল?


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

যতো বেশি পদ, ততো বেশি সম্মান

আনোয়ার সাদী

যতো বেশি পদ, ততো বেশি সম্মান

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি

আমরা এখন ভাইরাস অধ্যুষিত সময়ে বাস করছি। করোনা ভাইরাসের ভয়ে বাস করলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এর ভাইরাল বিষয়গুলো কেউ খুব একটা ভয় পাচ্ছে বলে মনে হয় না। 

নিজের গুণ প্রচার করা, অন্যকে হাস্যকর করে দেওয়ার নানা ভাইরাল কর্মকাণ্ড আমাদের চোখে পড়ছে। ফলে, নৈতিকতা, সামাজিক রীতি ইত্যাদি শব্দগুলোর সংজ্ঞার পরিধি দিন দিনই বদলে যাচ্ছে। তো, ভাইরালের জগতের সব শেষ আইটেম একটি খাবার টেবিল এবং মনে হচ্ছে একজন মন্ত্রীর খাবার গ্রহণের ছবি।

ছবিতে মনে হয় তথ্য মন্ত্রী হাসান মাহমুদকে খাবার গ্রহণ করতে দেখা যাচ্ছে, যদি আমি ভুল করে না থাকি। তার সামনে টেবিলে অনেক পদের খাবার রাখা আছে। মন্ত্রীর পাশে কেউ নেই, তিনি একাই খাবার গ্রহন করছেন। 

ছবিটি তার কাছের মানুষই তুলেছেন এটা মোটাদাগে ধরে নিতে পারি। কিন্তু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কে তা ছড়িয়ে দিয়েছেন, তা নিশ্চিত করে বলে দেওয়া যাচ্ছে না। 

এই ছবি ছড়িয়ে পড়লে খুব একটা সমস্যা হওয়ার কথা না। মুশকিল হলো, এই ছবির নানারকম ব্যাখ্যা হচ্ছে। ফেইসবুক যেহেতু সম্পাদনা-বিহীন জগত, ফলে সবাই নিজের মনের কথাগুলো লিখে ছবিটি শেয়ার করছেন। এতে করে রাজনৈতিক বিবেচনা, পছন্দ-অপছন্দ, স্বার্থ, হিংসা, দেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে না জানা ইত্যাদি নানা বিষয় ছবির ক্যাপশন হিসেবে স্থান পাচ্ছে । কে কী লিখেছে তা উল্লেখ করছি না। 

আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, আগে গ্রামে কারো বাড়িতে গিয়ে এক গ্লাস পানি চাইলে সঙ্গে একটা মোয়া অথবা নাড়ু দেওয়া হতো। এই আচরণের কী অনুবাদ করা যায়? এদেশের মানুষ অপরকে খাওয়াতে ভালোবাসে। এটা এদেশের অতিথিপরায়নতা ও অপরকে সম্মান জানানোর একটা উপায়ও। 

আমাদের মায়েরা মেয়েদেরকে অনেক কিছু শিখিয়ে দেন। রান্নার টিপস, পরিবেশনের টিপস। তারা জানিয়ে দেন, কারো সামনে যতো বেশি পদের খাবার রাখা হয় তাকে ততো বেশি সম্মান দেওয়া হয়। তিনি সব খাবার খেতে পারুক না পারুক। ফলে, একজন মন্ত্রী বা একজন ইমাম বা একজন নেতা বা একজন শিক্ষক বা একজন অতিথির সামনে অনেক পদের খাবার রেখে তাকে সম্মান জানানো হবে, এটাই এই দেশের সংস্কৃতি। 

যাহোক, আপনারা নিশ্চয়ই পঞ্চব্যাঞ্জন, অষ্টব্যাঞ্জন শব্দগুলোর সঙ্গে পরিচিত আছেন। এগুলো এদেশের প্রতিদিনের খাবারের টেবিলে বর্ণনা দিতে ব্যবহার করা হয়। খাবার ছাড়া এই দেশে কোনো উৎসব আমরা উদযাপন করতে পারি? ঈদ, রোজা, পূজা, বড়দিন, বৈসাবি, হালখাতা, বিয়ে, মুসলমানি, কুলখানি, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, জন্মদিন, মৃত্যুবার্ষিকী কোথায় খাবারের আয়োজন নেই? এই সব আয়োজন কী এক পদ দিয়ে শেষ করা যায়?

যা হোক, ছবিটা দেখে আমার ভালো লেগেছে। আমি স্বপ্ন দেখি, একদিন বাংলাদেশের সব মানুষের এমন আয়োজন করার সামর্থ্য তৈরি হবে।

ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভাইরাল ছবি

[নোট: এই লেখা শেষ করার পর ফেইসবুকে আরো একটি ছবি দেখলাম। সেখানে দুটো ছবি পাশাপাশি দিয়ে বলা হয়েছে একটি নকল আরেকটি এডিট করা। সেই ছবিতে দাবি করা হয়েছে, এটা আসলে মন্ত্রীর ছবি না।]

(সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

আরও পড়ুন:

দিনকে রাত বানিয়ে এবার দেশের নামই 'বদলে' দিল বিসিবি


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

অতীতের কর্মকাণ্ডের জন্যও আইনের মুখোমুখি হতে হয়

শওগাত আলী সাগর

অতীতের কর্মকাণ্ডের জন্যও আইনের মুখোমুখি হতে হয়

শওগাত আলী সাগর

কানাডার লিবারেল সরকার দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান এডমিরাল আর্থার ম্যাকডোনাল্ডকে বরখাস্ত করেছে। যৌন হয়রানির অভিযোগে গত ফেব্রুয়ারি মাসে  মিলিটারি পুলিশ তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করলে  তিনি পক্ষপাতহীন তদন্তের স্বার্থে প্রতিরক্ষা বাহিনীর  প্রধানের পদ থেকে সরে দাড়ান। 

আগষ্ট মাসে মিলিটারি পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয় তাদের তদন্তের  কারনে প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান ম্যাকডোনাল্ডস এর বিরুদ্ধে কোনো শৃংখলামূলক ব্যবস্থা নেয়া বা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ গঠন করা হবে না। কিন্তু লিবারেল সরকার অভিযোগ পর্যালোচনার স্বার্থে তাকে ছুটিতে থাকতে নির্দেশ দেয়। 

এই সময় তিনি তার পদ ফিরে পেতে ‘পাবলিক ক্যাম্পেইন’ শুরু করেন এবং সেনা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে চিঠি লিখে তাঁর পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।  এতে সরকার অত্যন্ত বিরক্ত হয়। 

নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অনিতা আনন্দ  প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রধানের এই আচরণকে অগ্রহণযোগ্য হিসেবে মন্তব্য করেন। তারপর পরই তাকে চাকুরী থেকে বরখাস্তের আদেশ ইস্যূ করা হয়।

কানাডীয়ান সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন শীর্ষপর্যায়ের জেনারেলকে যৌন হয়রানির অভিযোগের মুখে পড়ে চাকুরী হারিয়ে বিচারের মুখোমুখি হতে হয়েছে। 

প্রায় সবকটি ঘটনাই ক্যাপ্টেন বা মেজর পদমর্যাদায় থাকার সময়কার। কিন্তু পেশাগত জীবনের শীর্ষ পর্যায়ে এসে তাদের অতীতের কর্মকান্ডের  জন্য আইনের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। 

প্রতিরক্ষা মন্ত্রী অনিতা আনন্দ অবশ্য জানিয়েছেন, সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পর্যালোচনাসহ তাদের শৃঙখলা দেখভাল করতে ‘বেসরকারি তদারকি কাঠামো’ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা।

আরও পড়ুন:

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পাকিস্তানে আটক ৪


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

বেগম জিয়া বিদেশে গেলে আওয়ামী লীগের লাভ: গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

অনলাইন ডেস্ক

বেগম জিয়া বিদেশে গেলে  আওয়ামী লীগের লাভ: গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল

গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল, চিকিৎসক

বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও চিকিৎসা আলোচনা চলছে নানা মহলে। অনেকে আবার মতামত প্রকাশ করছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। চিকিৎসক গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল ফেইসবুকে দেওয়া এক পোস্টে লিখেছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠালে আওয়ামী লীগই রাজনৈতিকভাবে লাভবান হবে।

নিউজটোয়েন্টিফোরের পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো। তিনি লিখেছেন,

‘আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা করতে পাঠালে আওয়ামীলীগ রাজনৈতিক দিক থেকেও গেইনার হবে।

খালেদা জিয়া দীর্ঘ সময় জেলে ছিলেন। এই সময়ে সামান্য আন্দোলন বা চোখে পড়ার মত কোন প্রতিবাদ গড়ে ওঠেনি। মৃত্যুতে খুব বড় কিছু হবে তাও মনে করছিনা।
 
খালেদা জিয়া বিদেশে চিকিৎসা করতে গেলে আওয়ামীলীগের খুব ক্ষতি হবে সেরকমও না। এই মুহুর্তে বিএনপির রাজনীতি কার্যত নেই। খালেদা জিয়া গুলশানে থেকেও রাজনীতিতে তেমন ঢেউ জাগাতে পারেননি। বিদেশ গেলে পারবেন সেরকমও না।

আরও পড়ুন

হোটেলে ফ্রিজে পাশাপাশি কাঁচা মাংস ও পচা তরকারি!

গুরুত্বপূর্ণ ৭০ স্পটে ৪১১ সিসি ক্যামেরা

বিচারের দাবিতে নটর ডেম শিক্ষার্থীদের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

 
নিয়ম বা আইনের কিছু বাধ্যবাধকতা হয়ত আছে। আবার সরকার চাইলে সবই হতে পারে। অতীতেও হয়েছে অনেক কিছু। রাষ্ট্রপতির প্রমার্জনায় ফাঁসির আসামীর দন্ড মওকুফ হয়েছে।
 
বরং বেগম খালেদা জিয়া দেশে মৃত্যু বরণ করলে কিছু বাড়তি চাপ আসবে। এই মুহুর্তে বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ যেতে দিলে আওয়ামীলীগ একটা অহেতুক চাপ থেকে গা বাঁচাতে পারে৷

২১ শে আগস্টের গ্রেনেড হামলা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া শেখ হাসিনা তাঁরই রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে যে অনুকম্পা দেখাতে পারছেন এটাই প্রতিষ্ঠিত হতে পারতো। শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ফেনোমেননশিপে বাড়তি পালক যোগ হতো।’

লেখাটি গুলজার হোসাইন উজ্জ্বল- এর ফেসবুক থেকে নেওয়া (সোশ্যাল মিডিয়া বিভাগের লেখার আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়।)

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত    

পরবর্তী খবর

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা প্রসঙ্গে যা বললেন তসলিমা

অনলাইন ডেস্ক

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা প্রসঙ্গে যা বললেন তসলিমা

খালেদা জিয়া-তসলিমা নাসরিন

ভারতে অবস্থান করা বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন এবার মুখ খুললেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে। নিজের ভেরিফাইড পেইজবুক পেইজে নির্বাসিত লেখিকা একটি পোস্টে বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেছেন। 

তসলিমা নাসরিন লিখেছেন, 'খালেদা জিয়ার সরকার ১৯৯৪ সালে লোকের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দিয়েছি এ অভিযোগ করে আমার বিরুদ্ধে মামলা করেছিল। গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। আমার লেখা লজ্জা, উতল হাওয়া, ক, সেইসব অন্ধকার নিষিদ্ধ করেছিল। ছলে বলে কৌশলে আমাকে দেশ থেকে বের করেছিল। দেশে আর প্রবেশ করতে দেয়নি।' 

আরও পড়ুন:


কাউন্সিলরসহ জোড়া খুন: সিসিটিভির ফুটেজ ভাইরাল


'তারপরও আমি চাই, খালেদা জিয়াকে যদি বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে চায় শুভাকাঙ্ক্ষীরা, নিয়ে যাক। তারপরও আমি চাই তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠুন।'

news24bd.tv রিমু  

 

পরবর্তী খবর

প্রতিদিন কতবার মা মা বলে ডাকি কিন্তু মায়ের কোন সাড়া নেই

মনিরুল ইসলাম

প্রতিদিন কতবার মা মা বলে ডাকি কিন্তু মায়ের কোন সাড়া নেই

মনিরুল ইসলাম

এরশাদ সরকারের শেষ দিকের কথা। আমি তখনও প্রথমবর্ষের ছাত্র। ইউনিভার্সিটির হল খালি করা হয়েছে, কারফিউ চলছে। শুক্রবার জুম্মার নামাজ উপলক্ষে বারোটা থেকে কারফিউ শিথিল করা হলো।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গাবতলী বাস টার্মিনালে চলে এলাম। দূরপাল্লার বাস বন্ধ, কিন্তু বাড়ীতে যেতেই হবে। লোকাল বাসে আরিচা পৌঁছতে সন্ধ্যা, লঞ্চে পদ্মা পার হয়ে দৌলতদিয়া পৌঁছতেই রাত হয়ে গেল। বাস না পাওয়ায় অনেকের মত আমিও ট্রাকে চড়ে ফরিদপুর। অতঃপর ফরিদপুর থেকে লোকালবাসে রাত অনুমান একটার পরে বরইতলা পৌঁছালাম।

সেখানে অপেক্ষমান কয়েক যাত্রীর সাথে বেশী ভাড়ায় একটা বাস রিজার্ভ করে রাত দু’টো নাগাদ বাটিকামারী পৌঁছলাম। সেখান থেকে আমাদের বাড়ী প্রায় তিন কিলোমিটার। অনেক ভেবে চিন্তে একাই রওয়ানা দিলাম। মাটির রাস্তা, দুদিকে জঙ্গল, মাঝে মধ্যে হঠাৎ দু’একটা বাড়ী। ভূতের ভয় উপেক্ষা করে বাড়ীর উঠোনে দাঁড়ালাম রাত তখন তিনটার কাছাকাছি। বারান্দার দরজার সামনে মা বলে দ্বিতীয় ডাক দিতেই মায়ের সাড়া পেলাম। মা আমার কণ্ঠ শুনে দরজা খুলে বিষ্ময়ে হতবাক। একেতো গভীর রাত তথাপি আমি একা-অবাক হওয়ারই কথা।

গত ১৭ তারিখ থেকে আমার সেই মা আইসিইউতে অচেতন। প্রতিদিন দু’বেলা মায়ের কানের কাছে কতবার মা মা বলে ডাকি, স্পর্শ করি, পায়ে হাত রাখি কিন্তু মায়ের কোন সাড়া নাই। মা আমার গভীর ঘুমে, কোনভাবেই তার ঘুম ভাঙ্গছে না। সকলের কাছে মায়ের জন্য দোয়া প্রার্থী।

আরও পড়ুন


কাউন্সিলরসহ জোড়া খুন: সিসিটিভির ফুটেজ ভাইরাল

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর