সাগরিকা এখন বাস কন্ডাক্টর

অনলাইন ডেস্ক

সাগরিকা এখন বাস কন্ডাক্টর

আফিক হোসেনকে বল ছুঁড়ে মারার দৃশ্য।

চাকরি না পেয়ে স্নাতক পাস করা সাগরিকা পল্লবী এখন দূরপাল্লার বাসে কন্ডাক্টর। ভারতের চন্দ্রকোনা ঘটনা এটি। সগরিকা রসায়নের স্নাতক সম্পন্ন করেছেন।

তিনি চাকরি না পেয়ে নিজেই স্বনির্ভর হওয়ার পথ বেঁছে নিয়েছেন।

কয়েক মাস আগে স্বাবলম্বী হওয়ার লক্ষ্যে একটি বাস কেনেন সাগরিকা। শুরু করেন পরিবহন ব্যবসা।

এখন ওই বাসটি চন্দ্রকোনা থেকে কলকাতা স্টেশন পর্যন্ত চলাচল করছে। তাতেই কন্ডাক্টরি করেন সাগরিকা। এই কাজে তিনি পাশে পেয়েছেন তার স্বামীকেও। খবর আনন্দবাজারের।

সাগরিকা বলেন, ‘শুরুতে এই কাজ মেনে নিতে পারেননি পরিবারের অনেকেই। কিন্তু পরে তারা বুঝতে পেরেছেন কোনো কাজই ছোট নয়। তা ছাড়া সৎ পথে উপার্জন তো কোনো অন্যায় নয়।’

আরও পড়ুন: 


পরীক্ষার হলেই মৃত্যু হলো পরীক্ষার্থীর

ঢাকায় এলেন আরও ১৪ পাক ক্রিকেটার


 

প্রতিদিন রাত ৩টার সময় ঘুম থেকে উঠে প্রস্তুত হতে হয়। কাঁধে কন্ডাক্টরি ব্যাগ নিয়ে ভোর ৫টার আগে পৌঁছে যেতে হয় চন্দ্রকোনা টাউন কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ডে। তারপর ভোর সোয়া ৫টা নাগাদ বাস রওনা হয় কলকাতার উদ্দেশে। তখন থেকেই শুরু হয় সাগরিকার কাজ।

বাস কেনার শুরুতে অবশ্য সাগরিকা এই কাজ করতেন না। অন্য কন্ডাক্টর দিয়ে কাজ করানোয় খরচও হতো বেশি। এখন নিজের হাতে সবটা দেখভাল করেন সাগরিকা।

news24bd.tv/ তৌহিদ

পরবর্তী খবর

না ফাটিয়ে যেভাবে বুঝবেন ডিম নষ্ট কিনা

অনলাইন ডেস্ক

না ফাটিয়ে যেভাবে বুঝবেন ডিম নষ্ট কিনা

সিদ্ধ ডিম

ডিম আমাদের খাদ্যতালিকার একটি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। ফলে সময় বাঁচাতে অনেকেই একসঙ্গে বেশি পরিমাণে ডিম কিনে সংরক্ষণ করেন। এ ক্ষেত্রে প্রায় ডিম নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে। না ফাটিয়ে ডিম নষ্ট নাকি ভালো, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না।

কিন্তু লবণের সাহায্যে খুব সহজেই জেনে নেওয়া যায় ডিম নষ্ট কিনা-

ডিম ভাঙার আগে সেটি ভালো নাকি নষ্ট তা বুঝতেও সাহায্য করতে পারে লবণ। এক গ্লাস পানিতে আধা চা-চামচ লবণ ভালোভাবে মেশাতে হবে। এরপর গ্লাসে ডিমটি দিতে হবে। যদি ডিমটি তাজা হয় তবে সেটি ডুবে যাবে আর যদি নষ্ট হয় তবে ভেসে থাকবে।

এছাড়া ডিমের খোসা ছাড়াতে সমস্যা হলে ডিম সিদ্ধ করার সময় পানিতে এক চিমটি লবণ দিয়ে দিলে খুব সহজেই খোসা ছাড়ানো যাবে।

পরবর্তী খবর

বিশ্বের দ্রুততম বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ রোলস-রয়েসের

চন্দ্রানী চন্দ্রা

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি গতির এক নতুন যুগে প্রবেশ করছে আকাশ যোগাযোগব্যবস্থা। যুক্তরাজ্যের প্রতিষ্ঠান রোলস-রয়েস নতুন তৈরি করেছে বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ স্পিরিট অব ইনোভেশন। যার গতি ঘণ্টায় ৬২৩ কিলোমিটার। 

রোলস-রয়েসের তৈরি এই বৈদ্যুতিক উড়োজাহাজ। নাম দেওয়া হয়েছে স্পিরিট অব ইনোভেশন। প্রতিষ্ঠাটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা বিশ্বাস করে, বিশ্বের দ্রুতগতির উড়োজাহাজটি স্পিরিট অব ইনোভেশন। এই উড্ডয়নের তথ্য ওয়ার্ল্ড এয়ার স্পোর্টস ফেডারেশনে পাঠানো হয়েছে।

ওয়ার্ল্ড এয়ার স্পোর্টস ফেডারেশন অ্যারোনটিক্যাল ও অ্যাস্ট্রোনটিক্যাল-সংক্রান্ত রেকর্ডের স্বীকৃতি দিয়ে থাকে। তথ্য অনুসারে, গত ১৬ নভেম্বর স্পিরিট অব ইনোভেশনের গতি পরীক্ষা করা হয়। এই উড্ডয়নের সময় ৩ কিলোমিটার উড়েছে ৫৯৯ দশমিক ৯ কিলোমিটার গতিতে এবং ১৫ কিলোমিটার চলেছে ৫৩২ দশমিক ১ কিলোমিটার গতিতে। যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা দপ্তরের টেস্টিং সাইটেও এর পরীক্ষা চালানো হয়। এই উড়োজাহাজের পরীক্ষা যে পাইলট চালিয়েছেন, তার নাম ফিল ও’ডেল। তিনি ফ্লাইট অপারেশনের পরিচালকও। 


আরও পড়ুন:

ঢাবির গ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ৭৮ শতাংশই ফেল

বুলগেরিয়ায় বাসে আগুন লেগে নিহত ৪৬

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিসহ আটক ১২৯


রোলস-রয়েসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, পূর্বের যে রেকর্ড ছিল, তার চেয়ে এবারের উড়োজাহাজের গতি ২১৩ কিলোমিটার বেশি। এর আগে ২০১৭ সালে এই রেকর্ড করেছিল সিমেন্স ই-এয়ারক্র্যাফট।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ফোন আপনার হাতে কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করছে হ্যাকাররা, কী করবেন?

অনলাইন ডেস্ক

ফোন আপনার হাতে কিন্তু নিয়ন্ত্রণ করছে হ্যাকাররা, কী করবেন?

হ্যাকারদের হাত থেকে ফোনকে নিরাপদ রাখতে আমরা কতভাবেই না সতর্ক থাকি। তবে আপনার অজান্তেই চুরি হয়ে যাচ্ছে ব্যক্তিগত সব তথ্য সেদিকে কি সতর্ক আছেন? হ্যাঁ। সত্যই শুনেছেন। সম্প্রতি এমনই একটি ম্যালওয়ারের খোঁজ মিলল। যে 'ফোনস্পাই' ম্যালওয়ার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের গোপনীয়তা ধ্বংস করছে। ইতিমধ্যে ২৩টি অ্যাপে চিহ্নিত করা হয়েছে সেই 'ফোনস্পাই' ম্যালওয়ার।  

গুগল প্লে স্টোরে অবশ্য অ্যাপগুলো নেই। তা সত্ত্বেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কোরিয়ায় রীতিমতো দাপট দেখাচ্ছে। 

এ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোবাইল নিরাপত্তা সংক্রান্ত সংস্থা জানিয়েছে, অন্যান্য ম্যালওয়ার ফোনের ফাঁকফোকরের সুবিধা নেয়। তারপর তথ্য চুরি করে নেয়। কিন্তু 'ফোনস্পাই' একেবারে সাধারণ অ্যাপের মতো লুকিয়ে থাকে। কার্যত খালি চোখে ধরা যাবে না।

মেসেজ, ছবির মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে নিতে পারে 'ফোনস্পাই'। এমনকি দূর থেকে আপনার ফোনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে সাইবার অপরাধীরা। অর্থাৎ ফোন নামেই আপনার কাছে থাকবে। কিন্তু তা নিয়ন্ত্রণ করবে হ্যাকাররা।

এছাড়া বিভিন্ন লগইন আইডি, পাসওয়ার্ডের জিনিস চুরি হয়ে যেতে পারে।

তবে চলুন জেনে নিই, কীভাবে ফোনস্পাইয়ের হাত থেকে রক্ষা পাবেন- 

১) তৃতীয়-পার্টি অ্যাপ স্টোর থেকে কোনও অ্যাপ ডাউনলোড এবং ইনস্টল করবেন না। গুগল প্লে স্টোর থেকেই অ্যাপ ডাউনলোড করা যাবে।

আরও পড়ুন:


সেই তিন বোনের পালানোর রহস্য জানা গেল


২) মেসেজ বা ইমেলের মাধ্যমে কোনও সন্দেহজনক লিঙ্ক এলে তাতে ক্লিক করবেন না। ডাউনলোড এবং ইনস্টল করবেন না। গুগল প্লে স্টোর থেকেই অ্যাপ ডাউনলোড করা যাবে।

৩) মেসেজ বা ইমেলের মাধ্যমে কোনও সন্দেহজনক লিঙ্ক এলে তাতে ক্লিক করবেন না। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর

আজ বিশ্ব পুরুষ দিবস

পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার দিন আজ

অনলাইন ডেস্ক

পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার দিন আজ

আজ ১৯ নভেম্বর, আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস। প্রতি বছর এই দিনে বিশ্বব্যাপী পুরুষদের মধ্যে লিঙ্গ ভিত্তিক সমতা, বালক ও পুরুষদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা এবং পুরুষের ইতিবাচক ভাবমূর্তি তুলে ধরার প্রধান উপলক্ষ হিসেবে এই দিবসটি উদযাপন করা হয়।

আন্তর্জাতিক পুরুষ দিবস পালন শুরু হয় নব্বইয়ের দশকে। এই দিবস পুরুষদের সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক কৃতিত্বকে স্বীকৃতি দিয়ে উদযাপন করা হয়ে থাকে।

পুরুষ দিবসের ইতিহাস বেশ পুরনো। ১৯৯৪ সালে পুরুষ দিবস পালনের প্রথম প্রস্তাব করা হয়। তবে ১৯২২ সাল থেকে সোভিয়েত ইউনিয়নে পালন করা হতো রেড আর্মি অ্যান্ড নেভি ডে। এই দিনটি পালন করা হতো মূলত পুরুষদের বীরত্ব আর ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে।

২০০২ সালে দিবসটির নামকরণ করা হয় ডিফেন্ডার অফ দ্য ফাদারল্যান্ড ডে। রাশিয়া, ইউক্রেনসহ তখনকার সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে এই দিবসটি পালন করা হতো। নারী দিবসের অনুরূপভাবেই দিবসটি পালিত হয়।

পরবর্তী খবর

‘গোপন রোগ’ সারাতে ছাগলের অণ্ডকোষ মানুষে প্রতিস্থাপন!

অনলাইন ডেস্ক

‘গোপন রোগ’ সারাতে ছাগলের অণ্ডকোষ মানুষে প্রতিস্থাপন!

অস্ত্রোপচার।

যৌন দুর্বলতা কাটাতে রোগীর শরীরে ছাগলের অণ্ডকোষ প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন এক চিকিৎসক। তাই দেখতে জ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটছিল কানসাস স্টেট মেডিকেল বোর্ডের একটি দল। সেই সঙ্গে ছুটছিলেন সাংবাদিকরাও। ১৯৩০-এর সেপ্টেম্বরে কানসাসের মিলফোর্ডের ঘটনা এটি।

কানসাস স্টেট মেডিকেল বোর্ডের দলটি ঘরের এক কোনে দাঁড়িয়ে দেখল কীভাবে জীবন্ত ছাগলের নিম্নাংশ অসাড় করে তার দুটি অণ্ডকোষ কেটে বের করে আনলেন ওই চিকিৎসক।

তারপর পাশের টেবিলে শুয়ে থাকা রোগীর শরীরে খুব সন্তর্পনে সেগুলো প্রতিস্থাপন করলেন।

এই অস্ত্রোপচার নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই। কিন্তু এই একটি অস্ত্রোপচারই সারা বিশ্বে পরিচিতি এনে দিয়েছিল তাঁকে। ‘গোট গ্ল্যান্ড ডাক্তার’ হিসেবে এক নামে সকলে চেনেন তাঁকে।

১৯০৮ সালে স্ত্রীকে নিয়ে শিকাগোয় চলে যান তিনি। সেখানে বেনেট মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। সেখানেই ব্রিঙ্কলে মানব শরীর সম্পর্কে বিবিধ জ্ঞান অর্জন করেন। কিন্তু তিন বছর পর মাইনে না দেওয়ায় তাঁকে কলেজ থেকে বের করে দেওয়া হয়। ফলে তাঁর কাছে কোনও চিকিৎসকের শংসাপত্র ছিল না। এরপর তিনি নিজের জন্য একটি নকল প্রশংসাপত্র জোগার করেন।

তারপর তিনি গ্রিনভিলেতে চলে যান এবং সেখানে আরও এক সহযোগীর সঙ্গে বিশেষ এক তেল বিক্রি করতে শুরু করেন। মানুষকে বোকা বানিয়ে যৌনসঙ্গমের সময় পুরুষাঙ্গ শক্তিশালী করার কথা বলে এই ওষুধ বিক্রি করতেন তাঁরা।

কিন্তু কয়েক মাস এভাবে চলার পর তাঁদের প্রতারণা ধরা পড়ে। ব্যবসা গুটিয়ে দুজনেই সেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে গ্রেফতারও হয়েছিলেন দুজনে।

এরপরই তাঁর কানসাসে আসা। ওষুধ বিক্রির জন্য নকল শংসাপত্র কাজে লাগিয়েছিলেন এখানে। নিজেকে নারী এবং শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ হিসাবে তুলে ধরেছিলেন। কানসাসের সেনা রিজার্ভ মেডিকেল বিভাগের চিকিৎসক হিসেবে কাজ পেয়ে যান। মাইনের টাকাতেই স্বপ্নপূরণ করেন ব্রিঙ্কলে। সে শহরের ইলেক্টিক মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিজে স্নাতক হন।

এরপর তিনি বিভিন্ন প্রাণীর শরীর নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। তখনই নাকি তিনি জেনেছিলেন সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর প্রাণী ছাগল। ১৯১৭ সালে কানসাসে নিজের ১৬ ঘরের একটি ক্লিনিক খুলে ফেলেন তিনি। স্থানীয়দের সবরকম রোগেরই চিকিৎসা করতেন এই ক্লিনিকে। কিন্তু পরে একজন সার্জেন হিসাবে তিনি নাম এবং অর্থ উপার্জন করেছিলেন।

১৯১৮ সালেই বিল স্টিটসওয়ার্থ নামে এক ব্যক্তি তাঁর ক্লিনিকে এসেছিলেন। নিজের যৌন দুর্বলতা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন বিল। ব্রিঙ্কলে নেহাত মজা করেই তাঁকে বলেছিলেন, ছাগলের এক জোড়া অণ্ডকোষেই তাঁর মুক্তি লুকিয়ে রয়েছে। এরপর ব্রিঙ্কলের পেছনে পড়ে যান বিল। ছাগলের অণ্ডকোষ নিজের শরীরে প্রতিস্থাপনের জন্য একপ্রকার নাছোড়বান্দা হয়ে পড়েছিলেন। তাঁর জোরাজুরিতেই এ রকম একটা অস্ত্রোপচার করতে সম্মত হয়েছিলেন ব্রিঙ্কলে।

তবে এর ভিন্ন মতও রয়েছে। বিলের পরিবারের দাবি, ব্রিঙ্কলেই নিজের টাকার বিনিময়ে বিলকে এমন একটি সিদ্ধান্ত নিতে রাজি করিয়েছিলেন। অস্ত্রোপচার সফল হয়। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন বিল। তারপর ঝড়ের গতিতে ব্রিঙ্কলের কথা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছিল।

ব্রিঙ্কলের ক্লিনিকের বাইরে রোগীদের লাইন পড়ে যেতে শুরু করে। প্রচুর উপার্জন করেন তিনি। তাঁর কাছে প্রতিনিয়ত ছাগল সরবরাহ করতেন এক ব্যক্তি। এক নারীর দেহে ছাগলের ডিম্বাশয়ও প্রতিস্থাপন করেছিলেন। উপার্জিত অর্থে শহরের উন্নয়নেরও কাজে লাগিয়েছিলেন তিনি। একটি ডাকঘর, একটি ব্যাঙ্ক, রাস্তায় বৈদ্যুতিন আলো লাগিয়েছিলেন তিনি। একটি চিড়িয়াখানা খোলার চেষ্টাও করেছিলেন।

১৯২৩ সালে নিজের রেডিয়ো স্টেশন চালু করেন। তার মাধ্যমে নিজের আরও প্রচার করতেন। প্রতিদিনের অস্ত্রোপচারের কথা এবং নিজের অভিজ্ঞতা এর মাধ্যমে সকলের কাছে পৌঁছে দিতেন তিনি।

খুব বেশি দিন এভাবে কাটাতে পারেননি। প্রাথমিকভাবে অস্ত্রোপচার সফল মনে হলেও তাঁর রোগীরা ক্রমে অসুস্থ হয়ে পড়তে শুরু করেন।

কারও সঙ্গী হলো ভয়ঙ্কর সংক্রমণ, কারও মৃত্যু ঘটল। ১৯৩০ সালে চিকিৎসকের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হয় তাঁর। এর ছ’মাস পর রেডিয়ো লাইসেন্সও বাতিল হয়ে যায়।

এরপর রাজনীতিতে হাত পাকাতে শুরু করেন ব্রিঙ্কলে। একাধিক বার কানসাসের গভর্নর হওয়ার ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন। প্রতি বারই পরাজিত হন।

এরপর টেক্সাসে গিয়েও লুকিয়ে তিনি ছাগলের গ্রন্থি মানব শরীরে প্রতিস্থাপনের কাজ করতে শুরু করেন।

প্রচুর উপার্জন করেন সেখান থেকেও। তাঁর এবং স্ত্রীর জন্য ১৬ একর জমির উপর একটি প্রাসাদ বানিয়ে থাকতে শুরু করেন। বিলাসবহুল ছিল সেই প্রাসাদ।

টেক্সাসেও লোক ঠকানোর এই কাজ বেশি দিন চালাতে পারেননি। জানাজানি হতেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়। ৩০ লাখ ডলার জরিমানা নেওয়া হয় তার কাছ থেকে। ১৯৪১ সাল নাগাদ নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন তিনি।

জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছে ফের ধুলোয় মিশে যাওয়া মেনে নিতে পারেননি ব্রিঙ্কলে। তিন বার হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। ক্রমে স্বাস্থ্যের অবনতি হতে শুরু করে। ১৯৪২ সালের ২৬ মে সান অন্টোনিয়োতে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই মৃত্যু হয় তার।

আরও পড়ুন: 

‌‌‘শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া’ ইস্যুতে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর