চিন্তার সময় রাসুল (সা.) যে দোয়া পড়তেন

অনলাইন ডেস্ক

চিন্তার সময় রাসুল (সা.) যে দোয়া পড়তেন

আমাদের প্রিয়নবী হযরত মোহাম্মদ (সা:) চিন্তা ও পেরেশানির সময় একটি বিশেষ দোয়া পড়তেন। দোয়াটি হলো:-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِكَ مِنَ الهَمِّ وَالحَزَنِ، وَالعَجزِ وَالكَسَلِ، وَالبُخلِ وَالجُبنِ، وَضَلَعِ الدَّينِ وَقَهْرِ الرِّجَالِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজু বিকা মিনাল হাম্মি ওয়াল হুযনি, ওয়া আউজু বিকা মিনাল আজযি ওয়াল-কাসালি, ওয়া আউজু বিকা মিনাল বুখলি ওয়াল জুবনি, ওয়া আউজু বিকা মিন গালাবাতিদ দাইনি ওয়া কাহরির রিজাল।’

আরও পড়ুন:


জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ থেকে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য সরিয়ে নিতে চিঠি

এবার অন্যরকম পুরস্কার পেলেন জয়া

ইঁদুর মারার ফাঁদে প্রাণ গেল কৃষকের


অর্থ : হে আল্লাহ! নিশ্চয়ই আমি আপনার আশ্রয় নিচ্ছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ থেকে, অপারগতা ও অলসতা থেকে, কৃপণতা ও ভীরুতা থেকে, ঋণের ভার ও মানুষদের দমন-পীড়ন থেকে। আনাস (রা.) বর্ণনা করেন, রাসুল (সা.) চিন্তাগ্রস্ত অবস্থায় এই দোয়া পড়তেন। (বুখারি, হাদিস : ২৮৯৩)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া বিশ্ব নবীর সুমহান আদর্শ

অনলাইন ডেস্ক

অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া 
বিশ্ব নবীর সুমহান আদর্শ

প্রতীকী ছবি

রোগী দেখা, তার সেবা-যত্ন করা, খোঁজ-খবর নেওয়া, সান্ত্বনা দেওয়া আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুমহান আদর্শ ও সুন্নাত। প্রিয় নবী অসুস্থ ব্যক্তির সেবা করাকে নেক আমল ও ইবাদত হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

হজরত আবু সাঈদ খুদরি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন, ‘তোমরা অসুস্থদের দেখতে যাও এবং আবার কেউ মারা গেলে তার জানাজায় অংশগ্রহণ করো; কেননা তা পরকালের কথা স্মরণ করিয়ে দেবে।’ (মুসনাদে আহমদ)।


আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


হাদিস শরিফে এসেছে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন বলবেন, হে বনি আদম! আমি অসুস্থ ছিলাম। তুমি আমাকে দেখতে আসোনি। সে বলবে, হে আমার রব! আমি আপনাকে কীভাবে দেখতে যাব? আপনি তো বিশ্বজাহানের রব! আল্লাহ বলবেন, তুমি কি জানতে না যে, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ ছিল? তুমি তাকে দেখতে যাওনি। তুমি কি জানতে না যে, তুমি যদি তাকে দেখতে যেতে, আমাকে অবশ্যই তার কাছে পেতে।’ (মুসলিম : ২৫৬৯)।

রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেন, ‘কোনো মুসলিম ব্যক্তি তার অসুস্থ মুসলিম ভাইকে দেখতে গেলে সে (যতক্ষণ তার কাছে অবস্থান করে ততক্ষণ) যেন জান্নাতের ফল আহরণ করতে থাকে।’ (তিরমিজি : ৯০৯)।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আত্মহত্যার শাস্তি

অনলাইন ডেস্ক

আত্মহত্যার শাস্তি

ফাইল ছবি

ইসলামে আত্মহত্যা হারাম ও কবিরা গুনাহ। আত্মহত্যাকারীর গন্তব্য জাহান্নাম। পবিত্র কোরআনে আল্লাহতায়ালা এ ঘৃণ্য কাজ থেকে বিরত থাকার আদেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হচ্ছে, ‘তোমরা নিজেদের হাতে নিজেদের জীবন ধ্বংসের মুখে ফেলো না।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)।

মহান আল্লাহ আরও বলেছেন, আমার বান্দা নিজেকে হত্যা করার ব্যাপারে বড় তাড়াহুড়ো করে ফেলেছে। তাই আমি তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিলাম।’ (বুখারি, হাদিস : ৩২৭৬; মুসলিম, হাদিস : ১১৩)


আরও পড়ুন:

দেশে করোনায় ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া সবাই পুরুষ

খালেদা জিয়ার মেডিকেল বোর্ডের বক্তব্যকে গুরুত্ব দিন: সরকারকে রিজভী

ফাঁকিবাজ সরকার বলেই সত্য বললেও মানুষ বিশ্বাস করেনা: মান্না


আত্মহত্যার ভয়ানক পরিণতি সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি নিজেকে পাহাড়ের ওপর থেকে নিক্ষেপ করে আত্মহত্যা করে, সে জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ওইভাবে লাফিয়ে পড়ে নিজেকে নিক্ষেপ করতে থাকবে। যে ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করে, সে-ও জাহান্নামের মধ্যে সর্বদা ওইভাবে নিজ হাতে বিষ পান করতে থাকবে। আর যেকোনো ধারালো অস্ত্র দ্বারা আত্মহত্যা করে, তার কাছে জাহান্নামে সেই ধারালো অস্ত্র থাকবে, যা দ্বারা সে সর্বদা নিজের পেট ফুঁড়তে থাকবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যে দোয়া পড়বেন

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যে দোয়া পড়বেন

প্রতীকী ছবি

আল্লাহর কাছে সুস্থ থাকার জন্য যেমন দোয়া করা উচিত তেমনি অসুস্থ হলেও তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করা উচিত। সুস্থ থাকাটা হচ্ছে আল্লাহর নেয়ামত। আবার অসুস্থতার মাধ্যমে মুমিনদের পাপ মোচন হয়। 

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শরীরের সাদকাহ আদায়ের কথা বলেছেন। মানবদেহে অনেক জোড়া রয়েছে, প্রতিটি জোড়ার হক আদায় করার কথাও বলেছেন তিনি। শরীরের এ সাদকাহ বা জোড়ার হক আদায়ে প্রতিদিন সালাতুজ জোহা বা চাশতের নামাজ পড়তে বলেছেন।

যারা চাশতের ২ কিংবা ৪ রাকাআত নামাজ পড়বে, ওই ব্যক্তি শরীরের সাদকাহ বা জোড়ার হক আদায় হয়ে যাবে। আবার ভালো কাজ ও ভালো আচরণেও শরীরের হক আদায় হয় বলেছেন বিশ্বনবী।

বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে শরীরকে সুস্থ রাখতে সকাল সন্ধ্যা দোয়ার আমল করতে বলেছেন। বিশ্বনবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সকাল-সন্ধ্যায়

উচ্চারণ: ‘আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি সাম-ই, আল্লাহুম্মা আ-ফিনি ফি বাসারি, লা-ইলাহা ইল্লা আনতা।’

অর্থ: ‘হে আল্লাহ, আমার দেহ সুস্থ রাখুন। হে আল্লাহ, আমাকে সুস্থ রাখুন আমার শ্রবণ ইন্দ্রিয়ে। হে আল্লাহ, আমাকে সুস্থ রাখুন আমার দৃষ্টিশক্তিতে। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।’

উপকার: আবদুর রহমান ইবনে আবু বকর (রা.) থেকে বর্ণিত, আমি আমার পিতাকে বললাম, আব্বাজান, আমি আপনাকে প্রতিদিন ভোরে ও সন্ধ্যায় তিনবার বলতে শুনি যে আপনি এই দোয়া পাঠ করছেন। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে এ বাক্যগুলো দ্বারা দোয়া করতে শুনেছি। সে জন্য আমিও তাঁর নিয়ম অনুসরণ করতে ভালোবাসি। (আবু দাউদ, হাদিস: ৫০৯০)

------------------------------------------------------------

চাকরির জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়া পড়বেন

যে দোয়া পড়লে মনের আসা কবুল হয়

যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে

যে দোয়া পড়লে কখনো বিফলে যায় না!

যে সময় দোয়া পড়লে দ্রুত কবুল হয়

কঠিন বিপদ থেকে রক্ষা পেতে যে দোয়া পড়বেন!

জ্বর ও ব্যথা হলে যে দোয়া পড়বেন!

সন্তানের মঙ্গলের জন্য যে দোয়া করবেন

-----------------------------------------------------------------

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

হাক্কুল্লাহ'র অর্থ ও ব্যাখ্যা

অনলাইন ডেস্ক

হাক্কুল্লাহ'র অর্থ ও ব্যাখ্যা

হাক্কুল্লাহ অর্থ আল্লাহর হক। আরবি হাক্ক শব্দটিকে বাংলায় হক বলা হয়। অর্থ কয়েক রকম আছে, তার মধ্যে এক অর্থ হলো অধিকার, হক, দাবি, পাওনা। এখানে হাক্কুল্লাহ অর্থ আল্লাহর হক, আল্লাহর পাওনা।

আমরা সচরাচর যে ক্ষমা প্রসঙ্গে জানি তা হলো, হাক্কুল্লাহ বা আল্লাহর হক। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শরিক করাকে ক্ষমা করবেন না, আর এ ছাড়া অন্যান্য পাপ যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরিক করল অবশ্যই সে চরম ভ্রষ্টতায় পথভ্রষ্ট হলো।(সুরা : আন-নিসা, আয়াত : ১১৬)

অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁর সঙ্গে শরিক করাকে ক্ষমা করবেন না, আর এ ছাড়া অন্যান্য পাপ যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শরিক করল, অবশ্যই সে মহাপাপ রচনা করল।’ (আন-নিসা, আয়াত : ৪)

উল্লিখিত আয়াতে গুনাহ হচ্ছে সালাত, সিয়াম, হজ, জাকাত, যেগুলো আল্লাহর হক সেগুলো পালন না করা যা আল্লাহ ইচ্ছা করলে ক্ষমা করতে পারেন আবার নাও করতে পারেন, কারণ এগুলো আল্লাহর এখতিয়ারভুক্ত। আল্লাহ বলেন, ‘আর আসমান ও জমিনের কর্তৃত্ব আল্লাহরই; তিনি যাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন, আর যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।’ (সুরা : ফাতহ, আয়াত : ১৪)

হাদিসে এসেছে, মুআজ ইবনে জাবাল (রা.) বলেন, আমি একটি গাধার পিঠে রাসুলের সঙ্গী ছিলাম। যে উটকে ‘উফাইর’ বলা হয়। রাসুল (সা.) জিজ্ঞেস করেন, ‘হে মুআজ, তুমি কি জানো বান্দার ওপর আল্লাহ তাআলার কী কী হক রয়েছে? এবং আল্লাহ তাআলার ওপর বান্দার কী কী হক রয়েছে? আমি উত্তর দিলাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) ভালো জানেন। তিনি বলেন, বান্দার ওপর আল্লাহ তাআলার হক হচ্ছে, তারা তাঁর ইবাদত করবে, তাঁর সঙ্গে অন্য কাউকে শরিক করবে না।’

আরও পড়ুন:


তাইজুল ম্যাজিকে লিড পেলো বাংলাদেশ

হেফাজত মহাসচিব মাওলানা নুরুল ইসলাম আইসিইউতে

অন্তঃসত্ত্বা নারীকে হত্যা করে পেট চিরে বাচ্চা চুরি!


আল্লাহ তাআলার ওপর বান্দার হক হচ্ছে, যে তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক করবে না, তাকে তিনি শাস্তি দেবেন না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসুল (সা.) আমি কি সবাইকে এর সুসংবাদ জানিয়ে দেব না? তিনি বলেন, তাদের সুসংবাদ দিয়ো না, তাহলে তারা এর ওপরই ভরসা করে থাকবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

‘ইন্না লিল্লাহ’র বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

অনলাইন ডেস্ক

‘ইন্না লিল্লাহ’র বাংলা অর্থ ও উচ্চারণ

 

‘ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন’ পড়ার অনেক ফজিলত রয়েছে। অনেকে মনে করেন, মানুষের মৃত্যুসংবাদ পেলে কেবল এটি পড়তে হয়। অথচ এই পবিত্র বাক্য আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ রাখার বড় উপায়। 

একটি হাদিসে উম্মে সালামা (রা.) বলেন, আমি রাসুল (সা.) কে বলতে শুনেছি, ‘কোনো মুমিন ব্যক্তি যখন কোনো বিপদ-আপদে আক্রান্ত হয় এবং আল্লাহ তাকে যা বলতে বলেছেন (নিচে উল্লেখিত) তা বলে, তখন আল্লাহ তাকে ওই মুসিবতের উত্তম বদলা এবং আগের চেয়ে উত্তম বিকল্প দান করেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ৯১৮)।

দোয়াটির আরবি :

إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللَّهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَأَخْلِفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا

উচ্চারণ : ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন, আল্লাহুম্মা আজিরনি ফি মুসিবাতি; ওয়া আখলিফ-লি খাইরাম মিনহা।

আরও পড়ুন:


দ. আফ্রিকার করোনার নতুন ধরন খুবই ভয়ঙ্কর : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

একই ইউপিতে বাবা-ছেলে ও আপন দুই ভাই চেয়ারম্যান প্রার্থী!

বেগম জিয়ার জন্য আলাদা আইন করার সুযোগ নেই: হানিফ


অর্থ : আমরা আল্লাহর এবং নিশ্চয় আল্লাহর কাছেই ফিরে যাব। হে আল্লাহ! আমাকে আমার এই বিপদে বিনিময় দান করুন এবং আমার জন্য এরচেয়ে উত্তম ব্যবস্থা করে দিন।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর