খুলনায় বিএনপির সমাবেশে পুলিশের লাঠিচার্জ আহত ২৫

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনা:

খুলনায় বিএনপির সমাবেশে পুলিশের লাঠিচার্জ আহত ২৫

বিএনপির সমাবেশে পুলিশের লাঠিচার্জ

বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সু-চিকিৎসার দাবিতে খুলনায় বিএনপির সমাবেশ কর্মসূচিতে লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এতে মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমীর এজাজ খানসহ কমপক্ষে ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। 

এছাড়া পুলিশের লাঠিচার্জে দৈনিক জন্মভূমি পত্রিকার ফটো সাংবাদিক দেবব্রত রায় ও কয়েকটি টিভি চ্যানেলের চিত্র সাংবাদিকও আহত হয়েছেন।

পরে বিক্ষুদ্ধ বিএনপির নেতাকর্মী পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে সমাবেশস্থলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে। 

সোমবার বেলা পৌনে ১২ টার দিকে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ চলাকালে এসব ঘটনা ঘটে। 

মহানগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশ চলছিল। পুলিশ সকাল থেকেই দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। সমাবেশ চলাকালে তারা নেতার্মীদের ওপর পুলিশ চড়াও হয় এবং লাঠিচার্জ করে তাদেরকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এতে কমপক্ষে অর্ধশত নেতাকর্মী আহত হয়েছে। পুলিশ কয়েকজনকে মারধর করে থানায় নিয়ে গেছে। 

আরও পড়ুন:


২ সালের ৩০ জুন খুলে দেওয়া হবে পদ্মাসেতু: মন্ত্রিপরিষদ সচিব

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির সমাবেশ


তিনি বলেন, হামলা-মামলা করে পুলিশ বিএনপির কর্মসূচি বন্ধ করতে পারবে না। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সু-চিকিৎসার দাবি না মানা পর্যন্ত এ কর্মসূচি চলবে।

বিএনপির কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন, নগর বিএনপি সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মনি, মহানগর বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ তরিকুল ইসলাম, বিএনপি নেতা আমির এজাজ খান, মীর কায়সেদ আলী, মোশাররফ হোসেন, সেকেন্দার জাফর উল্লাহ খান সাচ্চু, এসআর ফারুক, আবু হোসেন বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মনিরুজ্জামান মন্টু, মোল্লা খায়রুল ইসলাম, শেখ আব্দুর রশীদ প্রমুখ।

news24bd.tv/ কামরুল 

পরবর্তী খবর

সাবেক এমপি এসহাকের ছেলে গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

সাবেক এমপি এসহাকের ছেলে গ্রেফতার

নরসিংদীতে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক ও আঞ্চলিক ব্যান্ড চাতক’র ভোকালিস্ট শাহরিয়ার শামস কেনেডিকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানে হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) রাত ৮টার দিকে সদর উপজেলার বৌয়াকুড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

শাহরিয়ার শামস কেনেডি লালন ঘরনার ব্যান্ড চাতক’র প্রধান ভোকালিস্ট, নরসিংদী জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক এবং নরসিংদী সদরের সাবেক এমপি প্রয়াত শামসুদ্দিন আহমেদ এসহাকের ছেলে।

জানা যায়, গত ২২ নভেম্বর সোমবার বিকেলে খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা করতে দেওয়ার দাবিতে সমাবেশ ছিল নরসিংদী জেলা বিএনপি কার্যালয়ে। সেখানে বিকেল ৪টার দিকে পুলিশ কার্যালয়ের আশপাশ ঘেরাও করে। পরে তিনি গেট দিয়ে বের হলেই পুলিশ আটক করে বলে দাবি করছিলেন বিএনপি নেতারা। অন্যদিকে এ অবরুদ্ধের বিষয়টি শুরু থেকেই করে অস্বীকার করে আসছিল পুলিশ।

পর দিন ২৩ নভেম্বর বিকেলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবির খোকন, শাহরিয়ার শামস কেনেডিসহ ৭২ জন বিএনপি নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত আরও ১৫০-২০০ জনকে আসামি করে পুলিশি কাজে বাধা সৃষ্টি, ইটপাটকেল ছুড়ে পুলিশকে আক্রমণ এবং অটো ভাঙচুরের অভিযোগ এনে মামলা করে পুলিশ।

মামলার এজাহার অনুসারে, সোমবার বিকেলে বিএনপি নেতাকর্মীরা নরসিংদী সদরের চিনিশপুর এলাকায় রাস্তা বন্ধ করে দলীয় অনুষ্ঠান করছিল। পুলিশ তাদের রাস্তা থেকে সরে যেতে বললে তারা পুলিশের ওপর ইটপাটকেল ছুড়ে এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ সময় ইটের আঘাতে আবু সাইদ ও সবুজ মিয়া নামে দুজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) রাতে সদর উপজেলার বৌয়াকুড় এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

আরও পড়ুন


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


 

নরসিংদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সওগাতুল আলম বলেন, রাত ৮টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার (২৭ নভেম্বর) আদালতে তোলা হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

হঠাৎ বিএনপির মশাল মিছিল

অনলাইন ডেস্ক

হঠাৎ বিএনপির মশাল মিছিল

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

রাজধানীর মিরপুর এলাকায় মশাল মিছিল করেছে বিএনপি। অসুস্থ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবিতে শুক্রবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে মিরপুর শেওড়াপাড়া থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ১০ নম্বর গোল চক্করের কাছাকাছি গিয়ে শেষ হয়।

দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর নেতৃত্বে এই মশাল মিছিলে কাফরুল এলাকার বিএনপি এবং বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

আরও পড়ুন: 


রিজওয়ানের বাংলা বলায় হাসলেন লিটন (ভিডিও)


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

যা কমু, পুলিশ তাই করব : আ.লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী

অনলাইন ডেস্ক

যা কমু, পুলিশ তাই করব : আ.লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী

এই ওসির আমার কথায় চলতে হবে। যা করা লাগে পুলিশ করব। পুলিশরে যা কমু তাই করব। বাংলাদেশে সব এসপি আমার। এভাবেই এক নির্বাচনী সভায় প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দেন শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী  শহীদ উল্লাহ তালুকদার মুকুল।

গত ৬ নভেম্বর সোহাগপুর গ্রামে এক নির্বাচনী সভায় প্রকাশ্যে এমন বক্তব্য দেন। তার এই বক্তব্যে এলাকায় আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।

নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শহীদ উল্লাহ তালুকদারকে ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে বলতে শোনা যায়, এইবার সুযোগ আমারও আইছে। আমিও দেহামু। বাংলাদেশে একটা এসপি থাকলে আর লাগে না, সব এসপি আমার।

শহীদ উল্লাহ তালুকদার আরও বলেন , এসপি আমার বাড়িতে আইছিল , আমার মায়ের পায়ে ধইরা সালাম করছে। আমার ছোট বইন এসপি। এই এসপির বেসমেন্ট। তার সঙ্গে ফোনে কথা হইছে। তিনি বলেছেন, বড় ভাই যা করার আমার পুলিশই করবে। শহীদ উল্লাহ বেশ জোর দিয়েই বলেন, যা কমু, পুলিশ তাই করব। পিটনার উশুল তুইল্যা দিমু এইবার। 

স্থানীয়রা জানায়,  কাকরকান্দি ইউনিয়নের দুই মেয়াদের সরকারি দলের চেয়ারম্যান শহীদ উল্লাহ তালুকদার একসময় 

উল্লেখ্য,ঝালকাঠি জেলার পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াছমিন ওই প্রার্থীর সহোদর ছোট বোন।

নালিতাবাড়ী উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হেলেনা পারভীন বলেন, ইতিমধ্যে ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীকে জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে। এসব কথায় কোনো  কাজ হবে না। নির্বাচন হবে নিরপেক্ষতার সঙ্গে।

জেলা পুলিশ  সুপার হাসান নাহিদ চৌধুরী বলেন,  বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। এসব বক্তব্য ও পরিচয় নির্বাচনে কোনো  কাজে আসবে না। নির্বাচন হবে আইনের ভিত্তিতে। ব্যক্তিগত পরিচয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না। আগামী রোববার নালিতাবাড়ী উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ হবে।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

‘খালেদা জিয়া ক্ষমা চাইবে’ বলা মানসিকভাবে চাপ: গয়েশ্বর

অনলাইন ডেস্ক

‘খালেদা জিয়া ক্ষমা চাইবে’ বলা মানসিকভাবে চাপ: গয়েশ্বর

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

‘আমরা বিশ্বাস করি খালেদা জিয়া জনগণের জন্যই বেঁচে থাকবেন। সুতরাং আমার মনে হয়, খালেদা জিয়ার চিকিৎসার দাবির চেয়ে সরকার পতনের দাবিই মূল হওয়া দরকার।’

শুক্রবার (২৬ নভেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) নসরুল হামিদ মিলনায়তনে সম্মিলিত ছাত্র যুব ফোরাম আয়োজিত এক এক সমাবেশে এ কথা বলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।

তিনি আরও বলেন, আজ একটি পত্রিকায় বলা হয়েছে- বেগম খালেদা জিয়া যদি রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চান তাহলে মানবিক দিক থেকে বিবেচনা করা হবে। ক্ষমা চাইলেই রাষ্ট্রপতি ক্ষমা করবেন কী করবেন না সেটা বলা যায় না। আবার ক্ষমা করতেও পারেন। এখানে মানবিক কোনো দিক সরকারের হাতে থাকে না।

তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি সাধারণ মানুষেরই চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার আছে। রাষ্ট্রের মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে চিকিৎসা একটি। বেগম খালেদা জিয়া ক্ষমা চাইবে, এটা বলে তাকে আরও মানসিকভাবে চাপ দেওয়া হলো। দেশে যদি আইন থাকতো তাহলে এটার বিচার হতো। পৃথিবীর এমন কোনো দেশ আছে, যেখানে চিকিৎসার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাতে হয়।

আরও পড়ুন: 


রিজওয়ানের বাংলা বলায় হাসলেন লিটন (ভিডিও)


news24bd.tv তৌহিদ

পরবর্তী খবর

নৌকার বিপক্ষে একটা ভোট কাটলে ৫টা লাশ পড়বে : ছাত্রলীগ সভাপতি

অনলাইন ডেস্ক

নৌকার বিপক্ষে একটা ভোট কাটলে ৫টা লাশ পড়বে : ছাত্রলীগ সভাপতি

আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে যদি একটা ভোটও কাটা হয়, তাহলে পাঁচটা লাশ পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ছাত্রলীগের এক নেতা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ফিরোজ মিয়ার সমর্থনে অনুষ্ঠিত সভায় এমন হুশিয়ারি দেন ওই ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) রাতে স্থানীয় লাপাং স্কুল মাঠে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থনে অনুষ্ঠিত সভায় নিজের বক্তব্যে এমন হুঁশিয়ারি দেন তিনি। ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী মোর্শেদ হোসেন কামাল।

নির্বাচনে আনারস প্রতীকে লড়া স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নূর আলম ও তার সমর্থকদের ইঙ্গিত করে এই হুঁশিয়ারি দেন আশরাফুল। তার বক্তব্যের একটি ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

আশরাফুল তার বক্তব্যে বলেন, প্রশাসন কাজ করুক বা না করুক- নৌকার বিরুদ্ধে যদি একটা ভোটও কাটে, ওই ওয়ার্ডে পাঁচটা লাশ পড়বে ইনশাহাল্লাহ। লিডার ছাত্রলীগ তো, আবেগে চইলা আসছে। ইনশাল্লাহ নৌকার বিপক্ষে কেউ ভোট কাটতে পারবে না। আমরা শক্ত হাতে প্রতিবাদ করব।

লাশ ফেলার বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চাইলে নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি আশরাফুল আলম বলেন, আমাদের সভা চলাকালে পাশের চিত্রী গ্রামে নৌকার বিপক্ষে ভোট কাটা হবে বলে খবর আসে। আসলে বয়স অল্প তো, বিবেকের তাড়নায় তখন বলে ফেলেছি- নৌকার বিপক্ষে যদি কেউ ভোট কাটতে আসে দরকার হলে পাঁচটা লাশ ফেলব। আবেগে বলে ফেলেছি। দয়া করে এটি নিয়ে নিউজ কইরেন না।

আরও পড়ুন


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


আগামী ২৮ নভেম্বর নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে চেয়ারম্যান পদে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী নূর আলমও আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন। কিন্তু দলের মনোনয়ন না পেয়ে তিনি স্বতন্ত্র পদে লড়ছেন।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন বলেন, এ ধরনের কোনও খবর শুনিনি। যদি এমন বক্তব্য কেউ দিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভয়ভীতি দেখিয়ে এবং শক্তি প্রয়োগ করে ভোট নিয়ে যাওয়ার কোনও সুযোগ নেই।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর