রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

অনলাইন ডেস্ক

রিজভীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

ফাইল ছবি

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর বিরুদ্ধে বাড্ডা থানায় দায়ের করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক কেএম ইমরুল কায়েশের আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এ আদেশ দেন।

গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর তাপস কুমার পাল।

তিনি বলেন, ‘আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল প্রতিবেদনের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।’

২০১৫ সালের জানুয়ারিতে রাজধানীর বাড্ডা থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলাটি দায়ের করে পুলিশ। মামলার অভিযোগপত্র গ্রহণের জন্য আজ দিন ধার্য ছিল। কিন্তু রিজভী আদালতে উপস্থিত হননি। বিচারক অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

আরও পড়ুন


বিচারের দাবিতে নটর ডেম শিক্ষার্থীদের ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

আমিনবাজারে ৬ ছাত্রকে হত্যা মামলার রায় আজ

অনলাইন ডেস্ক

আমিনবাজারে ৬ ছাত্রকে হত্যা মামলার রায় আজ

মারা যাওয়া ৬ ছাত্র

রাজধানী সংলগ্ন সাভারের আমিনবাজারে ডাকাত সন্দেহে ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার মামলার রায় আজ বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর)। দীর্ঘ ৯ বছর পর এই হত্যা মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ বৃহস্পতিবার (২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইসমত জাহানের আদালত এই মামলার রায় ঘোষণা করবেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আশা আসামিদের আইনানুযায়ী সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ডই হবে। ঢাকার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আনন্দ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, অভিযোগ প্রমাণে রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আমরা সব ধরনের চেষ্টা করেছি। যেসব সাক্ষ্যপ্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হবে বলেই আশা করছি।

২২ নভেম্বর এই মামলায় রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়। ওইদিনই রায়ের জন্য ২ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত।

২০১১ সালের ১৭ জুলাই শবে বরাতের রাতে সাভারের আমিনবাজারের বড়দেশী গ্রামের কেবলারচরে ডাকাত সন্দেহে ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

নিহতরা হলেন- ধানমন্ডির ম্যাপললিফ স্কুলের ‘এ’ লেভেলের ছাত্র শামস রহিম শাম্মাম, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ইব্রাহিম খলিল, বাঙলা কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র তৌহিদুর রহমান পলাশ, তেজগাঁও কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্র টিপু সুলতান, মিরপুরের বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজির (বিইউবিটি) বিবিএ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র সিতাব জাবীর মুনিব এবং বাঙলা কলেজের উচ্চ মাধ্যমিক বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র কামরুজ্জামান।

নিহতদের সঙ্গে থাকা বন্ধু আল-আমিন গুরুতর আহত হলেও প্রাণে বেঁচে যান। ওই ঘটনার পর ডাকাতির অভিযোগে আল-আমিনসহ নিহতদের বিরুদ্ধে সাভার মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন স্থানীয় এক বালু ব্যবসায়ী আবদুল মালেক।

এরপর ছাত্র অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরোধিতার মুখে পুলিশ বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় গ্রামবাসীকে আসামি করে সাভার মডেল থানায় আরেকটি মামলা করে। পরে মামলাটি তদন্ত শেষে ২০১৩ সালের ৭ জানুয়ারি র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শরীফ উদ্দিন আহমেদ ঢাকার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

এ অভিযোগপত্রের পরে মামলাটি বিচারের জন্য এই আদালতে আসে। ২০১৩ সালের ৮ জুলাই ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ৬০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত। এছাড়া ওই ঘটনায় বেঁচে যাওয়া একমাত্র ভিকটিম আল-আমিনকে একই ঘটনায় করা ডাকাতি মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

হত্যা মামলার ৬০ আসামির মধ্যে ছয়জন পলাতক এবং দুই আসামি মারা যাওয়ায় অব্যাহতি দেওয়া হয়। বাকি ৫২ আসামির একজন বাদে সবাই জামিনে ছিলেন। ২২ নভেম্বর তাদের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।  

এ মামলায় ১৪ আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার বিচারকালে রাষ্ট্রপক্ষে ৫৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত।

আরও পড়ুন


প্রকাশ্যে কাউন্সিলর হত্যা: এবার ‘বন্দুকযুদ্ধে’ প্রধান আসামি নিহত

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

অনলাইন ডেস্ক

ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টায় মাদ্রাসাশিক্ষক গ্রেফতার

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে একই মাদ্রাসার শিক্ষক মো. রাকিবুল ইসলামকে (২১) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  আসামিকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুন্নাহার ইয়াসমিনের আদালত এ আদেশ দেন। 

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

মামলা সূত্রে জানা যায়, বন্দর পৌরসভার কাছাকাছি ছদকার বাড়ি এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এলাকার লোকজন ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ভুক্তভোগীর পরিবারকে ডেকে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করছে। ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হতে পারে এমন আশঙ্কায় ৯৯৯-এ ফোন দিয়ে তাৎক্ষণিক বিষয়টি বন্দর থানায় জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বলে। খবর পেয়ে বন্দর ফাঁড়ি পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। তারা ভুক্তভোগীকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন এবং ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে মাদ্রাসার শিক্ষককে আটক করেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ঠাট্টার ছলে অণ্ডকোষে লাথি, এরপর শমসেরের মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

ঠাট্টার ছলে অণ্ডকোষে লাথি, এরপর শমসেরের মৃত্যু

ঠাট্টার ছলে মো. মোস্তফা শমসের আলীর অণ্ডকোষে লাথি মারেন। এতে সঙ্গে সঙ্গে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন শমসের। পরে মোস্তফা তার নাকে হাত দিয়ে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে না বুঝতে পেরে পাশের একটি সবজির মাচা থেকে দড়ি এনে নিহত শমসেরের দুই হাত পেছনে বেঁধে এবং গলায় গামছা পেঁচিয়ে নদীর ধারে ফেলে পালিয়ে যান। পরে লাশ উদ্ধার হওয়ার পর আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিনদিন পর শমসের এর দাফন করা হয়। দাফনেও অংশ নেন মোস্তফা।

এভাবেই বগুড়ায় দিনমজুর শমসের আলী হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের বর্ণনা দেন পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন।এ ঘটনায় জড়িত প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে হত্যা রহস্য উদঘাটনের বিষয়ে জানান বগুড়া পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন।

তিনি বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামি মো. মোস্তফাকে নীলফামারী থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বাইশপুকুর গ্রামের সাহাবুল্ল্যাহর ছেলে। হত্যাকাণ্ডের শিকার দিনমজুর শমসের আলী একই উপজেলার মৃত নহর উদ্দীনের ছেলে।

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন আরও বলেন, মামলাটি একেবারেই ক্লুলেস ছিল। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এবং গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আসামিকে গ্রেফতার এবং রহস্য উদঘাটন করা হয়।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৯ জুন বগুড়া সদরের পাঁচ তারকা হোটেল মম ইন পার্কের পেছনে করতোয়া নদীর ধারে হাত বাঁধা এবং গলায় গামছা পেঁচানো লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে লাশ শনাক্ত করে নিহতের ছোট ভাই সিরাজুল ইসলাম বাদী হয়ে বগুড়া সদর থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় পিবিআইকে। 

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ধর্ষণের দায়ে ‘জিনের বাদশার’ যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক

ধর্ষণের দায়ে ‘জিনের বাদশার’ যাবজ্জীবন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে মা ও মেয়েকে ধর্ষণ মামলার রায়ে ‘জিনের বাদশা’ প্রতারক চক্রের ৩ সদস্যকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১ লাখ করে টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। এ ছাড়া এই মামলায় আদালত ২ জনকে খালাস দিয়েছেন। 

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে গাইবান্ধার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মোহাম্মদ আবদুর রহমান এ রায় প্রদান করেন। রায় প্রদানের সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। 

সাজাপ্রাপ্ত ৩ আসামি হলেন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার গোসাইপুর গ্রামের মমতাজ উদ্দিনের ছেলে বেলাল হোসেন (৪০), একই গ্রামের বদিউজ্জামানের ছেলে এমদাদুল হক (৪০) ও পার্শ্ববর্তী শ্যামপুর পার্বতীপুর গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে খাজা মিয়া (৩৮)। 

খালাসপ্রাপ্তরা হলেন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা আসাদুল ইসলাম (২৫) ও আজিজুল ইসলাম (৩৫)। 

মঙ্গলবার বিকেলে রায় প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মহিবুল হক সরকার জানান, খাজা মিয়াকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা ছাড়াও তাকে আরও ৮ বছর কারাদণ্ড দেন আদালত। 

আরও পড়ুন:

গণপরিবহনে শিক্ষার্থীদের হাফ ভাড়া কার্যকর

হাফ পাস শুধুমাত্র ঢাকায় কার্যকর হবে বললেন এনায়েত উল্লাহ

কুমিল্লায় কাউন্সিলর হত্যা: ৬ হামলাকারী শনাক্ত


 

এদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম বাবু বলেন, তারা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে যাবেন।

news24bd.tv/আলী

পরবর্তী খবর

ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ: শিক্ষকের যাবজ্জীবন

অনলাইন ডেস্ক

ছাত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ: শিক্ষকের যাবজ্জীবন

ফাইল ছবি

ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণের দায়ে সাইফুল ইসলাম নামের এক মাদরাসা শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মামলায় রাশেদা বেগম নামের এক নারীকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) বরগুনা জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে তাকে ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

সাইফুল ইসলাম বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুরি ইউনিয়নের মাওলানা মো. ইব্রাহীম খলিলের ছেলে।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মাহবুবুল বারী আসলাম মামলার বরাত দিয়ে জানান, গাইড দেওয়ার কথা বলে ২০১৯ সালের ২০ জানুয়ারি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে মাদরাসার পাশের নিজ বাড়ির দোতলায় নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন শিক্ষক। এতে সে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ঘটনার দিন বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অবস্থার অবনতির হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

একই দিন বিকেলে সাইফুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে দুজনের বিরুদ্ধে বরগুনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতার বাবা। পরে একই বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি পলাতক সাইফুল ইসলামকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

তিনি আরও বলেন, আমরা এ রায়ে খুশি। এতে ভবিষ্যতে অপরাধীরা এমন ঘৃণ্য কাজ থেকে বিরত থাকবে।

আরও পড়ুন


রামপুরায় মারা যাওয়া শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে মায়ের মামলা

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর