জুমার নামাজ না পেলে জোহর পড়া যাবে কি?

অনলাইন ডেস্ক

জুমার নামাজ না পেলে জোহর পড়া যাবে কি?

ফাইল ছবি

শুক্রবার তথা জুমাবার হচ্ছে মুসলিম উম্মাহর সাপ্তাহিক ঈদের দিন। এ দিন যোহরের নামাজের পরিবর্তে দুই রাকাত জুমার নামাজ আদায় করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য অপরিহার্য কর্তব্য

হজরত হাফসা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘প্রত্যেক মুসলমানের জন্য জুমার নামাজ আদায় করা ওয়াজিব তথা অপরিহার্য কর্তব্য।’ (নাসাঈ)।

আরও পড়ুন


স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


হাদিসে এসেছে যদি কোনো ব্যক্তি জুমআর নামাজ না পায় বা মসজিদে গিয়ে দেখে জুমআ নামাজ শেষ হয়ে গেছে তবে ওই ব্যক্তি জোহরের ৪ রাকাআত নামাজ পড়ে নেবে। কারণ জামাআত ছাড়া একা একা জুমআ নামাজ পড়া যায় না।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ

অনলাইন ডেস্ক

শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ

প্রতীকী ছবি

শীতকালে সহজে অনেক আমল করা যায়, আর এসব আমলের মাধ্যমে বিপুল সওয়াব ও পুণ্যও লাভ হয়।

সাহাবি আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘শীতকাল মুমিনের বসন্তকাল।’ (মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ১১৬৫৬)

আরেক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, শীতের রাত দীর্ঘ হওয়ায় মুমিন রাত্রিকালীন নফল নামাজ আদায় করতে পারে এবং দিন ছোট হওয়ায় রোজা রাখতে পারে। (বায়হাকি, হাদিস : ৩৯৪০)

শীতকালে সবার জন্য সুবিধাজনক ও সহজে আদায় করা যায়— এমন কিছু আমল হলো-

অনেকের কাছে শীতের সময়ে অজু করা কষ্টদায়ক। কিন্তু শীতের অজু বড় সওয়াবের কাজ। গরম পানি দিয়ে অজু করলেও সমপরিমাণ সওয়াব লাভ হবে।

রাসুল (সা.) বলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন কিছু শিখিয়ে দেব না; যার কারণে আল্লাহ তাআলা পাপ মোচন করবেন এবং জান্নাতে তোমাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করবেন? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, হ্যাঁ আল্লাহর রাসুল! রাসুল (সা.) বললেন, মন না চাইলেও ভালোভাবে ওজু করা, অধিক পদক্ষেপে মসজিদে যাওয়া এবং এক নামাজের পর আরেক নামাজের জন্য অপেক্ষা করা।’ (মুসলিম, হাদিস : ২৫১)

রাতের গভীরে তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘তাদের পার্শ্ব শয্যা থেকে আলাদা থাকে। তারা তাদের পালনকর্তাকে ডাকে ভয়ে ও আশায় এবং আমি তাদের যে রিযিক দিয়েছি, তা থেকে ব্যয় করে।’ (সুরা সিজদাহ, আয়াত : ১৬)

আরও পড়ুন:

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রতি নামাজের পর সম্পদলাভের দোয়া

প্রতীকী ছবি

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লা মানি‘আ লিমা আ‘ত্বইতা, ওয়ালা মু‘ত্বিয়া লিমা মানা‘তা, ওয়ালা ইয়ানফা‘উ জালজাদ্দি মিনকাল জাদ্দু।

অর্থ: হে আল্লাহ, আপনি কাউকে দান করলে তার কোনো প্রতিরোধকারী নেই এবং আপনি কাউকে দান না করলে কেউ তাকে দান করতে পারে না। সম্পদশালীকে তার সম্পদ আপনার বিপরীতে উপকৃত করতে পারে না।

উপকার: মুগিরা ইবনে শুবাহ (রা.)-এর আজাদকৃত গোলাম ওয়াররাদ (রা.) বলেন, একবার মুয়াবিয়া (রা.) মুগিরাহ ইবনে শুবাহ (রা.)-এর কাছে লিখেছেন, রাসুল (সা.) নামাজের পর যা পাঠ করতেন এ সম্পর্কে তুমি যা শুনেছ আমার কাছে পাঠাও। তখন মুগিরা (রা.) আমাকে তা লিখে দেওয়ার দায়িত্ব দেন। সেখানে এই দোয়াটি ছিল। (বুখারি, হাদিস : ৬৬১৫)

আরও পড়ুন:

গোপন গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার উপায়


news24bd.tv/ নকিব

পরবর্তী খবর

নামাজের সানার অর্থ ও উচ্চারণ

অনলাইন ডেস্ক

নামাজের সানার অর্থ ও উচ্চারণ

ফাইল ছবি

নামাজের প্রতিটি রোকনেই মহান আল্লাহর প্রশংসা ও তারই কাছে সাহায্য চাওয়ার আবেদনে ভরপুর। এর মধ্যে অন্যতম একটি হলে সানা। এটিকে দোয়ায়ে ইসতিফতাহও বলা হয়।

- হজরত আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন নামাজ শুরু করতেন তখন বলতেন-
سُبْحَانَكَ اَللَّهُمَّ وَ بِحَمْدِكَ وَ تَبَارَكَ اسْمُكَ وَ تَعَالِىْ جَدُّكَ وَ لَا اِلَهَ غَيْرُكَ

উচ্চারণ : সুবহানাকা আল্লাহুম্মা ওয়া বিহামদিকা, ওয়া তাবারাকাসমুকা, ওয়া তাআলা জাদ্দুকা ওয়া লা ইলাহা গাইরুকা। (তিরমিজি, আবু দাউদ মিশকাত)

আরও পড়ুন


রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা চেয়ে বিদেশে যেতে হবে খালেদাকে: হানিফ

স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বের হয়ে যাওয়া ও বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ

সিলেট থেকে বিদেশে পণ্য রপ্তানির ব্যবস্থা করা হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী


অর্থ : হে আল্লাহ্! আমি তোমার পবিত্রতা বর্ণনা করছি। তুমি প্রশংসাময়, তোমার নাম বরকতময়, তোমার মর্যাদা অতি উচ্চে, আর তুমি ব্যতীত সত্যিকার কোনো মাবুদ নেই।

news24bd.tv নাজিম

পরবর্তী খবর

ভূমিকম্প হলে যে দোয়া পড়তে বলেছেন বিশ্বনবী

অনলাইন ডেস্ক

ভূমিকম্প হলে যে দোয়া পড়তে বলেছেন বিশ্বনবী

ফাইল ছবি

ইসলাম এমন একটি ধর্ম যেখানে বান্দাদের জন্য সব কিছুর সমাধান রেখেছেন মহান আল্লাহ তাআলা। আর এসব দিক নির্দেশনার জন্য আছে মহাগ্রন্থ আল কোরআন। ভূমিকম্পন, মেঘের গর্জন, ঝড় তুফান মহান আল্লাহ তাআলার মহাশক্তির এক ছোট নিদর্শন। রাসূল (সা.) তার উম্মতকে যেকোনো দুর্যোগের সময় এবং বিপদে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে বলেছে।

রাসূল (সা.) বলেছেন, যে ব্যক্তি এই দোয়া তিনবার পড়বে সে ভূমি ও আকাশের দুর্যোগ থেকে হেফাজতে থাকবে। 

উচ্চারণ: বিসমিল্লাহিল লাজি লা ইয়াদূর`রু মা`আস মিহি শাইয়ুন ফিল আরদি ওয়ালা ফিস সামি`ই ওয়াহুয়া সামি`য়ুল আলিম

ভূমিকম্প হবার সময় মাটির দিকে বা নিচের দিকে তাকিয়ে ” আল্লাহু আকবর আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবর, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, লা শারিকালাহু, ফাবি আইয়্যে আ’লাঈ রাব্বিকুমা তুকাজ্জিবান ” পড়তে থাকবেন যতক্ষন ভূমিকম্প শেষ না হয়। 

ﺃَﻧﺖَ ﻭَﻟِﻴُّﻨَﺎ ﻓَﺎﻏْﻔِﺮْ ﻟَﻨَﺎ ﻭَﺍﺭْﺣَﻤْﻨَﺎ ۖ ﻭَﺃَﻧﺖَ ﺧَﻴْﺮُ ﺍﻟْﻐَﺎﻓِﺮِﻳﻦَ

উচ্চারণ: আন্তা ওয়ালিয়্যুনা ফাগফিরলানা ওয়ার হাম্না , ওয়া আন্তা খইরুল গফিরিন। 

অর্থ – হে আল্লাহ, আপনি যে আমাদের রক্ষক- সুতরাং আমাদেরকে ক্ষমা করে দিন এবং আমাদের উপর করুনা করুন। তাছাড়া আপনি-ই তো সর্বাধিক ক্ষমাকারী।[ সূরা আরাফ আয়াত ১৫৫]

এছাড়াও যে কোনো দূর্যোগ থেকে রক্ষা পেতে পড়তে পারেন এই দোয়া...  

لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلّا بِاللهِ

উচ্চারণ: ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ।’ (বুখারি ও মুসলিম)

لَا إِلَٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ

উচ্চারণ: ‘লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনজ জ্বালিমিন।’ (সুরা আম্বিয়া : আয়াত ৮৭)

রাত্রে ঘুমানোর আগে একবার আয়াতুল কুরসি পড়ে নিতে পারেন। এই আয়াতের ফজিলত আল্লাহর কাছে সব চেয়ে বেশি। যে এই আয়াত পড়ে ঘুমাতে যায়, ঘুমন্ত অবস্থায় আল্লাহ তাকে, তার পরিবারকে ও তার প্রতিবেশীকে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করেন।

আরও পড়ুন


ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দেশ

news24bd.tv এসএম

পরবর্তী খবর

গোপন গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার উপায়

অনলাইন ডেস্ক

গোপন গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার উপায়

প্রতীকী ছবি

বহু মানুষ এমন রয়েছে, যারা অন্যদের কাছে ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। নিয়মিত নামাজ পড়ে, দ্বিনদার, ধার্মিক, আলেম কিংবা আল্লাহওয়ালা হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। প্রকাশ্যে তাকে পাপ কাজ করতে দেখা যায় না। কিন্তু গোপনে গোপনে তিনি নানা ধরনের গোনাহের কাজে লিপ্ত। অনেকে তো প্রকাশ্যে ভালো মানুষ হলেও গোপনে কবিরা গোনাহ করে। এটি একদিকে মুনাফেকি, অন্যদিকে ধীরে ধীরে তার আমল ও ইবাদত নষ্ট করে দেয়। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘তোমরা প্রকাশ্য ও গোপন পাপ বর্জন করো, যারা পাপ করে, অচিরেই তাদের পাপের সমুচিত শাস্তি দেওয়া হবে।’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ১২০)

গোপন গোনাহ থেকে বেঁচে থাকার উপায় জেনে নিন। 

১। আল্লাহ তাআলার কাছে বেশি বেশি কান্নাকাটি করে দোয়া। তিনি যেন তার অবাধ্যতা, নাফরমানি ও সব ধরনের গোনাহ থেকে রক্ষা করেন।

২। নফস তথা আত্মার সঙ্গে মোজাহাদা (লড়াই) করা, মনের কুমন্ত্রণা দূর করা এবং আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমে অন্তরকে পরিশুদ্ধ করার চেষ্টা করা।

৩। কিয়ামতের দিন গোপন গোনাহকারীদের আমলগুলো ধূলিকণার মতো উড়িয়ে দেওয়ার কথা চিন্তা করা। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, মহানবী (সা.) বলেন, ‘আমি আমার উম্মতের কিছু মানুষ সম্পর্কে জানি, যারা কিয়ামতের দিন তিহামার (বিখ্যাত পাহাড়) শুভ্র পর্বতমালা সমতুল্য নেক আমল নিয়ে উপস্থিত হবে। কিন্তু আল্লাহ সেগুলোকে বিক্ষিপ্ত ধূলিকণায় পরিণত করবেন। হজরত সাওবান (রা.) বলেন, হে আল্লাহর রাসুল! তাদের পরিচয় পরিষ্কারভাবে আমাদের কাছে বর্ণনা করুন। যাতে অজ্ঞাতসারে আমরা তাদের অন্তর্ভুক্ত না হই। তিনি বললেন, তারা তোমাদেরই ভ্রাতৃগোষ্ঠী এবং তোমাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। তারা রাতের বেলা তোমাদের মতোই ইবাদত করবে। কিন্তু তারা এমন লোক, যারা একান্ত গোপনে আল্লাহর হারামকৃত কর্মে (গোপন গোনাহ) লিপ্ত হবে।’ (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস : ১৪১৮)

৪। আল্লাহ তাআলার উপস্থিতির কথা চিন্তা করা। তিনি আমাকে সর্বদা দেখছেন এবং এ ব্যাপারে তাঁকে ভয় করা। এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের ওপর পর্যবেক্ষক।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ১)

৫। গোনাহ করার সময় এ কথা চিন্তা করা, কেউ কি দেখলে আমি এমন গোনাহ করতে পারতাম? এভাবে নিজের ভেতরের লজ্জাবোধ জাগ্রত করা। এ বিষয়ে হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘তুমি তোমার পরিবারের কোনো প্রভাবশালী সদস্যকে যেমন লজ্জা পাও, আল্লাহকে (কমপক্ষে) তেমন লজ্জা করো।’ (মুসনাদুল বাজ্জার : ৭/৮৯)

৬। এ চিন্তা করা, গোনাহরত অবস্থায় যদি আমার মৃত্যু হয়, তাহলে কিভাবে আমি আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করব? মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘প্রত্যেক ব্যক্তিকে (কিয়ামতের দিন) ওই অবস্থায় ওঠানো হবে, যে অবস্থায় সে মৃত্যুবরণ করেছে।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস : ২২০৬)

৭। আল্লাহর নিয়ামত ও জান্নাতের সুখ-শান্তির কথা স্মরণ করা এবং জাহান্নামের আজাব ও ভয়ানক শাস্তি কল্পনা করা।

৮। অবসরে জিকির ও ফিকিরে থাকার চেষ্টা করা। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘নিশ্চয়ই আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, দিবস ও রাত্রির পরিবর্তনে নিদর্শনাবলি রয়েছে বোধশক্তিসম্পন্ন মানুষের জন্য। যারা দাঁড়িয়ে, বসে, শুয়ে আল্লাহকে স্মরণ করে এবং আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি সম্পর্কে চিন্তা করে আর বলে, হে আমাদের রব! আপনি এগুলো নিরর্থক সৃষ্টি করেননি। আপনি পবিত্র। আপনি আমাদের জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন।’ (সুরা : আলে ইমরান, আয়াত : ১৯০-১৯১)

আরও পড়ুন:


শয়তান থেকে নিরাপদ থাকার দোয়া

ইসলামে শীতকালের বিশেষ ইবাদত


গোপন গোনাহ থেকে বেঁচে থাকতে একাকী না থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন আলেম-উলামারা। ভালো মানুষের সান্নিধ্যে থাকা, অবসর সময়ে বেশি বেশি কোরআন তিলাওয়াত, জিকির-আজকার ও ইসলামী বই বেশি বেশি অধ্যয়ন করা। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘হে মুমিনরা! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সত্যবাদীদের সঙ্গী হও।’ (সুরা : তওবা, আয়াত : ১১৯)

মহান আল্লাহ আমাদের প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্য পাপ থেকে দূরে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন। 

news24bd.tv রিমু  

পরবর্তী খবর