নির্বাচন নিয়ে হাতুড়ি পেটা ও আঙ্গুল কেটে ফেলার অভিযোগ
Breaking News
নির্বাচন নিয়ে হাতুড়ি পেটা ও আঙ্গুল কেটে ফেলার অভিযোগ

হামলায় আহত ব্যক্তি

নির্বাচন নিয়ে হাতুড়ি পেটা ও আঙ্গুল কেটে ফেলার অভিযোগ

Other

মাদারীপুর সদর উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যানের কর্মী হবি মাতুব্বরকে (৫৫) হাতুড়ি দিয়ে বেধড়ক ভাবে পিটিয়ে আহত ও চন্দ্রবান বেগমকে (৫০) আঙ্গুল কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (২৭ নভেম্বর) সন্ধ্যয় কালিকাপুর ইউনিয়নের হোসনাবাদ গ্রামে ঘটেছে। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতল ও আহতর স্বজনরা জানায়, শুক্রবার তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ হয়।

পরে সন্ধ্যার দিকে কালিকাপুর ইউনিয়নের হোসনাবাদ গ্রামের বর্তমান ইউপি চেয়ারম্যান ও ঘোড়া মার্কার স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী এজাজুর রহমান আকনের কর্মী হোসনাবাদ গ্রামের লতিফ মাতুব্বরের ছেলে হবি মাতুব্বর (৫৫) নিজ এলাকায় ঘোড়া মার্কায় পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছিল। সে সময় নির্বাচনে অংশ নেয়া আনারস প্রতীকে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আবু তালেব বেপারীর কর্মী সমর্থক কালু বেপারী, বেলায়েত হোসেন ও দেলোয়ার খানসহ বেশ কয়েকজন মিলে হবি মাতুব্বরকে ধাওয়া করে। হবি দ্রুত দৌড়ে পাশের মৃত সোহরাব মাতুব্বরের ঘরে আশ্রয় নেয়।

এসময় ঘরের ভেতরে ঢুকে আবু তালেব বেপারীর কর্মী সমর্থকরা ব্যাগে করে আনা হাতুড়ি দিয়ে হবি মাতুব্বরকে বেধড়ক ভাবে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে। এসময় ঘরে থাকা চন্দ্রবানু বেগম মারধর ফেরাতে গেলে অন্যদের হাতে থাকা ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চন্দ্রবান বেগমের ডান হাতের কনিষ্ঠ আঙ্গুল প্রায় সম্পূর্ণ কেটে যায়।

আহত হবি মাতুব্বরের ভাই বাচচু মাতুব্বর বলেন, আমরা বর্তমান চেয়ারম্যান এজাজ আকনের নির্বাচন করি। সেই কারণেই আমার ভাইকে আবু তালেব বেপারীর লোকজন হামলা করে হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়েছে। সেই সাথে চন্দ্রবান ভাবীও আমাদের সমর্থক সেও গুরুতর ভাবে আহত। তার একটি আঙ্গুল কেটে গেছে। হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় মামলা করতে যাব।

এদিকে আহত চন্দ্রবান বেগম বলেন, ‘আমি ঘরের ভেতরে বসে পান খাচ্ছিলাম। হঠাৎ আমাদের ঘরে হবি মাতুব্বর এসে ঢুকলে সাত-আট জন লোক আমাদের ঘরে ঢুকে হবেিক হাতুড়ি দিয়ে পেটাতে শুরু করে। আমি ছাড়াতে গেলে আমাকেও কোপ দেয়। আমার একটি আঙ্গুল প্রায় কেটে গেছে। আমি নিরাপদ মানুষ আমি এই ঘটনার সঠিক বিচার চাই।

মাদারীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল ইসলাম মিঞা জানিয়েছেন, কালিকাপুর ইউনিয়নে একটি মারামারির খবর পেয়েছি। তবে এখনো পর্যন্ত থানায় কেউ অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

আরও পড়ুন


বুয়েট ছাত্র আবরার হত্যা মামলার রায় রোববার

news24bd.tv এসএম

;