দেশের টাকা বিদেশে পাচারকারীদের তালিকা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী
Breaking News
দেশের টাকা বিদেশে পাচারকারীদের তালিকা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী

ফাইল ছবি

দেশের টাকা বিদেশে পাচারকারীদের তালিকা চেয়েছেন অর্থমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সংসদে বিরোধীদলের এমপিদের কাছে দেশের টাকা বিদেশে পাচারকারীদের তালিকা চেয়েছেন। তিনি জানান, তালিকা পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) ব্যাংকার সাক্ষ্য বহি বিল-২০২১ এর ওপর সংশোধনী প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদলের সদস্যরা বিদেশে অর্থপাচারের অভিযোগ করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটা দেশের অর্থনীতির মূল বিষয় হচ্ছে ব্যাংকিং খাত।

সবাই বলছে, আমরা অর্থনীতিতে ভালো করছি। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে আমাদের অর্থনীতিতে এগিয়ে আছি। যদি কেউ বলতে পারেন পিছিয়ে আছি, তবে দায়িত্ব নিয়ে বলছি, এর দায় নেবো। আমরা অর্থনীতির একটি চ্যালেঞ্জিং সময় পার করছি। আমাদের অর্জনগুলো বাদ দিলে আমরা এগুলো কীভাবে করতে পারলাম। কারা টাকা পাচার করছে তালিকা দিলে ব্যবস্থা নেবো। আপনারা পাচারকারীদের তালিকা দিন। অর্থপাচার আমি করি না, আপনারা তো করেন না। কারা পাচার করছে তালিকা না দিলে জানবো কীভাবে?

আরও পড়ুন:


আবারও আইসিইউতে রওশন এরশাদ

ছেলেকে হত্যা করে সেফটিক ট্যাঙ্কে লুকিয়ে রাখা বাবা-মা আটক

মুশফিকের আউট নিয়ে সমালোচনা (ভিডিও)


তিনি বলেন, আমরা যখন ক্ষমতায় আসি তখন গ্রাহকের সংখ্যা ছিল শতকরা ২৬ ভাগ। এখন গ্রাহকের সংখ্যা বেড়ে শতকরা ৭১ ভাগ হয়েছে। আমাদের এই সরকার যখন ২০০৮ সালে দায়িত্বভার গ্রহণ করে তখন আমানতের পরিমাণ ছিল ২ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা। এখন সেই পরিমাণ সাড়ে ৬ গুণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ১৪শ’ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণ নিয়ে কথা হয়েছে, খেলাপি ঋণ আমাদের দেশ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে এখন সবচেয়ে কম। আমাদের আগের সরকার যখন দায়িত্বে ছিল, ২০০৬ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ১৩ দশমিক ১৫ শতাংশ। আমাদের বিদ্যমান খেলাপি ঋণের পরিমাণ সেপ্টেম্বর ২০২১ কোয়ার্টারে ১ লাখ ১ হজার ১৫০ কোটি টাকা, এটা ৮ দশমিক ১২ শতাংশ, সবচেয়ে নিচে আছে।

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের প্রত্যেকটা ব্যাংক এখন লাভে আছে। লাভ বাড়ার কারণে করপোরেট ট্যাক্স যেখানে ২০০৬-২০০৭ সালে আমরা পেয়েছিলাম ২ হাজার ১৫ কোটি টাকা, এখন আমাদের করপোরেট টাক্স আসে শুধু ব্যাংকিং খাত থেকে আট হাজার ৫শ’ কোটি টাকা। ব্যাংকিং খাতে যারা অনিয়ম করেছে তাদের বিরুদ্ধে আমরা মামলা করেছি। ই-কমার্সের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে। আমরা যখনই জানতে পারি তখনই মামলা করি। চলমান মামলার সংখ্যা দুই লাখ ৪৩ হাজার ৫১৮টি। এই মামলা আগে আরও অনেক বেশি ছিল, এখন সেটা কমানো হয়েছে। আমি মনে করি যে, আপনারা যা বলছেন, যদি ব্যবস্থা নেওয়ার মতো হয় আমরা ব্যবস্থা নেবো, আমি তো নিশ্চযপ থাকবো না। আপনারা আমাদের সাহায্য করেন।

news24bd.tv/ কামরুল 

;