নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের অনীহা প্রধান চ্যালেঞ্জ
নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের অনীহা প্রধান চ্যালেঞ্জ

নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের অনীহা প্রধান চ্যালেঞ্জ

অনলাইন ডেস্ক

ইরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা অকার্যকর করাকে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ইব্রাহীম রাইসি। নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে যুক্তরাষ্ট্রের অনীহা প্রধান চ্যালেঞ্জ বলে জানান তিনি। সেইসঙ্গে পরমাণু সমাঝতো পুনর্বহালে ভিয়েনায় তোলা দাবি থেকে তেহরান সরবে না বলেও সতর্ক করেন রাইসি।

এদিকে, ইরানকে পারমাণবিক চুক্তি লঙ্ঘনের চড়া মূল্য দিতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসরায়েল।

২০১৮ সালে ইরানের সাথে করা ৬ জাতির পারমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনা্ড ট্রাম্প। একই সাথে দেশটির উপর পারমাণবিক এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন তিনি। এরপর থেকেই ইরান সবসময় বলে আসছে, ভিয়েনা সংলাপের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে তেহরানের ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার।

আরও পড়ুন:

নাটোরে ট্রাক-ট্রেন সংঘর্ষ : ৪ ঘন্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু

র‌্যাবের সঙ্গে কথিত 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ২

এবারে ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত সপ্তম দফা আলোচনায় একই দাবি জানায় তেহরান। সেখানে ইরানের প্রতিনিধি জানান, পরমাণু সমাঝতো পুনর্বহালের বিষয়ে তেহরানের শর্ত পুরোপুরি মানতে হবে বাকি সদস্যদের।  

ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি বলেছেন, তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রের নিপীড়নমূলক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার বা অকার্যকর করতে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি রোববার রাতে ইরানের টিভিতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন।

রাইসি বলেন, ভিয়েনা সংলাপে  নিজের পূর্ণ প্রস্তুতি প্রদর্শনের লক্ষ্যে সংকট সমাধানে দু’টি খসড়া প্রস্তাবও প্রতিপক্ষগুলোকে দিয়েছে। এর মাধ্যমে গোটা বিশ্বের প্রমাণিত হয়েছে যে, ইরান সম্মানজনক ও শক্তিশালী অবস্থানে থেকে ভিয়েনা সংলাপকে এগিয়ে নিতে চায়।  তবে   জো বাইডেন প্রশাসনের অনিচ্ছা ও অনীহায় ভিয়েনা সংলাপ সফল হওয়ার পথে বড় অন্তরায় বলে জানান রাইসি।

এদিকে, ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবনে ইরানের সঙ্গে বিশ্ব পরাশক্তিদের চলমান আলোচনা উদ্বিগ্ন ইসরায়েল।  এই বিষয়ে ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে পরাশক্তি দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত । সেই সঙ্গে হুঁশিয়ারি দেন পরমাণু সমঝোতার শর্ত অমান্য করায়  ইরানকে অবশ্যই কঠিন মাশুল দিতে হবে।

 news24bd.tv/এমি-জান্নাত