সোহেলকে তিনি করেন ৫টি গুলি
সোহেলকে তিনি করেন ৫টি গুলি

কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেল

সোহেলকে তিনি করেন ৫টি গুলি

অনলাইন ডেস্ক

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তার সহযোগী হরিপদ সাহা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন মো. সোহেল ওরফে জেল সোহেল। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মো. সোহেল ওরফে জেল সোহেল একাই কাউন্সিলরকে পাঁচটি গুলি করেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র সরবরাহ করেছেন ফেনী থেকে আসা যুবক নিশাত।

রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে জেল সোহেল এসব কথা বলেছেন তিনি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে মো. সোহেল ওরফে জেল সোহেলসহ সায়মন ওরফে মুহুরি সায়মনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তিনি কাউন্সিলর সোহেলের ভাই সৈয়দ মো. রুমনের করা মামলার ২ নম্বর আসামি।

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাতে দুজনকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তিনি নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের নবগ্রাম এলাকার শাহ আলমের ছেলে।  

পুলিশ সূত্র জানায়, ডিবি পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামলার বিষয়ে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিচ্ছেন জেল সোহেল। তিনি পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম বাহিনীর ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ হিসেবে পরিচিত।

জিজ্ঞাসাবাদে জেল সোহেল পুলিশকে জানান, কাউন্সিলর সোহেলকে তিনি একাই টানা পাঁচটি গুলি করেন। বাকি চারটি গুলি করেন অন্যরা। হত্যাকাণ্ডের নেতৃত্বে ছিলেন শাহ আলম আর জেল সোহেল। হত্যাকাণ্ডে অস্ত্র সরবরাহ করা ফেনীর যুবক মামলার প্রধান আসামি শাহ আলমের পূর্বপরিচিত।

পুলিশ আগে জানিয়েছিল, সহযোগীসহ কাউন্সিলর হত্যাকাণ্ডে ছয়জন অংশ নিয়েছিলেন। এঁরা হলেন মামলার আসামি শাহ আলম, মো. সোহেল ওরফে জেল সোহেল, মো. সাব্বির হোসেন, আসামি সাজন, এজাহারবহির্ভূত স্থানীয় যুবক নাজিম এবং ফেনী থেকে আসা নিশাত। পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ শাহ আলম, সাব্বির ও সাজন নিহত হয়েছেন। নাজিম ওরফে পিচ্চি নাজিম ও নিশাতকে এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ।

এ ব্যাপারে গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিমল দাস বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ কী, এর পেছনে কারা রয়েছে, এত অস্ত্র ও অর্থের জোগান কারা দিল—আমরা এখন এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি। হত্যাকাণ্ডে সরাসরি অংশ নেওয়া বাকি দুজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ’

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে দেওয়া জেল সোহেলের তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তাঁকে প্রাধান্য দিয়েই তদন্তকাজ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদে জেল সোহেল স্বীকার করেছেন, তিনিই প্রথম কাউন্সিলর সোহেলকে গুলি করেন। সব কিছুই যাচাই করে দেখা হচ্ছে। আশা করা যায়, তদন্তে সব কিছু সামনে আসবে।  

আরও পড়ুন: 


 

রায়ে খুশি আবরারের বাবা


গত ২২ নভেম্বর বিকেলে নগরীর পাথরিয়াপাড়ায় নিজ কার্যালয়ে খুন হন ১৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সোহেল এবং তাঁর সহযোগী হরিপদ সাহা।

news24bd.tv রিমু