রাত করে বাড়ি ফিরলে মার তো খাবেই: মিথিলা 
রাত করে বাড়ি ফিরলে মার তো খাবেই: মিথিলা 

রাফিয়াত রাশিদ মিথিলা

রাত করে বাড়ি ফিরলে মার তো খাবেই: মিথিলা 

রাফিয়াত রাশিদ মিথিলা

দুই বাংলার এখন জনপ্রিয় মুখ সৃজিত পত্নী রাফিয়াত রাশিদ মিথিলা। বরাবরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব তিনি। মিথিলার প্রতিবাদী রূপ এবার মুখ খুললেন সমাজের মেয়েদের কথিত জীবন নিয়ে।  গতকাল বুধবার নিজের ইন্সট্রাগ্রামে এক ভিডিও বার্তায় মিথিলা বলেন, 'মেয়েদের মানিয়ে নিতেই হয়’।

কিংবা ‘রাত করে বাড়ি ফিরলে তো মার খাবেই!’ অথবা ‘স্বামীর রাগই তো ভালবাসা। ‘ ‘কী, গায়ে হাত তোলে? একটা থাপ্পড়ে কী হয়! টাকা-পয়সা তো দেয়। ’

মিথিলা

এসব বলে মিথিলা বোঝাতে চেয়েছেন ওই কথাগুলো যেন মেয়েদের জীবনের একটা অংশ। শহর থেকে শহরতলি হয়ে দেশ বা বিদেশ, এ কথা গুলোই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মেয়েদের শেখানো হয়। একুশ শতকেও তার কোনও পরিবর্তন হয়নি। বরং জন্ম থেকে শুনতে শুনতে কথাগুলো যেন ‘অভ্যেস’ হয়ে দাঁড়িয়েছে নারী জীবনে। হাজার নিয়ম, নীতির বেড়াজালে বন্দি নারী যখনই ছটফটিয়ে উঠে নতুন কিছু শুনতে চায় এই কথা গুলো যেন আরও বেশি করে শোনানো হয় তাকে। যাতে নিয়ম-বিরুদ্ধ, নীতি-বিরুদ্ধ কোনও কাজ, কোনও পদক্ষেপ সে না নিয়ে ফেলে।

আরও পড়ুন: 


আজ ৪০'এ পা রাখলেন এই মিষ্টি হাসির মেয়ে!   


স্বামী বা পুরুষ সঙ্গীর রাগ বড্ড বেশি, তাই সে রেগে গিয়ে হাত তোলে। তাই স্ত্রীকে বা সেই মেয়েকেই সাবধানে থাকতে হবে, সেই পুরুষ যাতে রেগে না যান। এই সমীকরণে অভ্যস্থ হয়েও সমাজে গার্হস্থ্য হিংসা কি কমেছে? বরং উল্টোটাই হচ্ছে। কারণ, শুধু সমাজ বা পুরুষ নয়, পিতৃতন্ত্রের দাপটে এই কথাগুলো এক নারী অবলীলায় আর এক নারীকেই বলতে থাকে।

একুশ শতকেও কি এই ধারা বদলাবে না? অবশ্যই বদলাবে। তারই ডাক দিয়েছেন মিথিলা। যুগ যুগ ধরে বলে আসা কথাগুলোর সঙ্গেই ছিল তাঁর জোরাল প্রতিবাদ। তাঁর দাবি, ‘এই সব কথা আমাদের সমাজে পারিবারিক নির্যাতনকে আরও যেন স্বাভাবিক করে তুলছে। আমি এই ধরনের সমস্ত কথা বর্জন করছি। ’

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে 

news24bd.tv রিমু