রোকেয়াকে নিয়ে নাচেন আর আমাকে পায়ে পিষে মারেন: তসলিমা
রোকেয়াকে নিয়ে নাচেন আর আমাকে পায়ে পিষে মারেন: তসলিমা

তসলিমা নাসরিন।

রোকেয়াকে নিয়ে নাচেন আর আমাকে পায়ে পিষে মারেন: তসলিমা

অনলাইন ডেস্ক

আজ রোকেয়া দিবস। বাংলার নারী জাগরণের অগ্রদূত ও সাহিত্যিক রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের জন্ম ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর, তিনি মারা যান ১৯৩২ সালের একই তারিখে। অর্থাৎ ৫২ বছরের ব্যবধানে একই দিনে জন্ম ও মৃত্যু হয়েছে তাঁর।
রোকেয়া দিবস উপলক্ষে সারাদেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

নারী জাগরণের পথিকৃত মহীয়সী এ নারীকে নিয়ে
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন ভারতে নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

তিনি লিখেছেন, বাংলাদেশের লোকেরা রোকেয়াকে মাথায় তুলে নাচেন আর একই রকম সত্য উচ্চারণের জন্য আমাকে পায়ের তলায় পিষে মারেন। কারণটি কী?

১ রোকেয়া ঘোমটা পরতেন। স্বামীকে ত্যাগ করেননি। আমি ঘোমটা পরি না, স্বামীকে ত্যাগ করেছি।

২ রোকেয়া মুসলিম মেয়েদের জন্য ইস্কুল খুলেছিলেন স্বামীর টাকায়, স্বামী তাঁর লেখা পত্র পত্রিকায় ছাপানোর জন্য পাঠাতেন, লেখার জন্য প্রেরণা দিতেন। স্বামীর অধীনে থেকে নিজের স্বাধীন মত প্রকাশ করতেন। আমি স্বনির্ভর, কারো অধীনে থাকি না, নিজের ভিন্ন মত প্রকাশ করি। স্বামী জাতীয় কিছু আমাকে নিরাপত্তা দেয় না। আমার একা চলাকে ঔদ্ধত্য বলে বিবেচনা করা হয়।

৩ পুরুষতান্ত্রিক নিয়ম মেনে চলতেন রোকেয়া কিন্তু পুরুষতন্ত্রের তীব্র সমালোচনা করতেন। আমি পুরুষতন্ত্রের নিয়ম মেনে চলি না, পুরুষতন্ত্রের তীব্র সমালোচনা করি।

৪ রোকেয়া মৃত, আমি জীবিত। নারীবিদ্বেষী সমাজ মৃত নারীবাদীদের ভয় পায় না, মেনে নেয়। জীবিত নারীবাদীদের ভয় পায়, সহ্য করে না।

আরও পড়ুন


ভূমিহীন হওয়ায় পঞ্চম স্থানে থেকেও পুলিশে চাকরি হচ্ছে না আসপিয়ার

news24bd.tv তৌহিদ