স্থানীয়রা ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে
স্থানীয়রা ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে

প্রতীকী ছবি

স্থানীয়রা ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে

কক্সবাজার সদরের ঝিলংজায় মাদ্রাসা পড়ুয়া তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রীকে দুই বন্ধু মিলে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর-উল-গীয়াস জানিয়েছনে, গত মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে দুইজনকে আসামি করে মামলাটি নথিভূক্ত হয়েছে।

আসামিরা হলেন- কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের মহুরী পাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে কেফায়েত উল্লাহ (২০) এবং একই ইউনিয়নের কোনার পাড়ার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মো. ইমরান (১৯)।

মঙ্গলবার রাতে মামলা দায়ের হলেও গত বুধবার (১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সংলগ্ন উঠনি নামক এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটেছে।

অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুনীর-উল-গীয়াস বলেন, গত বুধবার ( ১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মাদরাসায় পড়ুয়া তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীটি বাড়ি থেকে বের হয়ে পার্শ্ববতী ঝিলংজা ইউনিয়নের পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট সংলগ্ন উঠনি নামক এলাকার জনৈক ফরিদের দোকানে নাস্তা কিনতে যায়। নাস্তা কিনে ফেরার পথে স্থানীয় দুই যুবক জোরপূর্বক তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে স্থানীয় এক পরিত্যক্ত ঝুঁপড়ি ঘরে নিয়ে মেয়েটিকে দুইজন মিলে ধর্ষণ করে। এসময় মেয়েটির শোর-চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা মেয়েটিকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে স্বজনদের খবর দেয় বলেন ওসি।

ভূক্তভোগী মেয়েটির মা বলেন, স্থানীয়রা আমার মেয়েকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করার পর ঘটনার দিন রাতেই কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করি। পরদিন চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি নিয়ে আসি।

আমি ও আমার দুই মেয়ে প্রতিবন্ধী। স্বাভাবিক থাকা মেয়েটি মাদরাসার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ালেখা করে। আমার স্বামী দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ হয়ে বাড়িতে শয্যায়ী। আমি ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসারের হাল টানছি।

আরও পড়ুন


ভূমিহীন হওয়ায় পঞ্চম স্থানে থেকেও পুলিশে চাকরি হচ্ছে না আসপিয়ার

news24bd.tv তৌহিদ