চার প্রকার ইস্তেগফার
চার প্রকার ইস্তেগফার

প্রতীকী ছবি

চার প্রকার ইস্তেগফার

অনলাইন ডেস্ক

আল্লাহ তাআলার দয়া-মায়ার কোনো সীমা নেই। বান্দার প্রতি আল্লাহ পাকের দয়া-মায়া, করুণা অনন্ত অসীম। আল্লাহ তাআলঅ নিজেই ঘোষণা করেছেন, নিশ্চয় তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অতিশয় দয়াময়। আল্লাহর করুণা, দয়া লাভের অনত্যম মাধ্যম হচ্ছে তাওবা।

নিচে চার ধরনের তওবা নিয়ে আলোচনা করা হলো:

আরবি: أَسْتَغْفِرُالله 

উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লা-হ।  
অর্থ: আমি আল্লাহ্'র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি।

পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ সালাতে সালাম ফিরানোর পর রাসূলুল্লাহ্ (সা.) এই দোয়া ৩বার পড়তেন। (মিশকাত- ৯৬১) 

আরবি: - أَسْتَغْفِرُ اللهَ وَأَتُوْبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।

অর্থ: আমি আল্লাহ্'র কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি ও তাঁর দিকে ফিরে আসছি।

রাসূলুল্লাহ্ (সা.) প্রতিদিন ৭০ বারের অধিক তওবা ও ইস্তেগফার করতেন। (সহীহ্ বুখারী- ৬৩০৭)।

আরবি:  رَبِّ اغْفِرْ لِيْ وَتُبْ عَلَيَّ إِنَّكَ (أنْتَ) التَّوَّابُ الرَّحِيْمُ

উচ্চারণ: রব্বিগফিরলী ওয়াতুব ‘আলাইয়া ইন্নাকা আনতাত্ তাওয়াবুর রহিম।  

অর্থাৎ ‘হে আমার রব, আমাকে ক্ষমা করুন। আমার তাওবা গ্রহণ করুন। নিশ্চয় আপনি তাওবা গ্রহণকারী, অতি দয়ালু। ’ (আবু দাউদ : ১৫১৬)

সাইয়্যিদুল ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনার সর্বশ্রেষ্ঠ দোয়া। আন্তরিক বিশ্বাসের সঙ্গে কেউ যদি প্রতিদিন সকাল (ফযরের পরে) ও সন্ধ্যায় (আসর বা মাগরিবের পরে) পড়ে আর সে ঐদিন মারা যায় ইন শা’ আল্লাহ সে জান্নাতে যাবে। এই গ্যারান্টি দিয়ে গেছেন স্বয়ং রাসূলুল্লাহ (সা.)। (বুখারী, তিরমিযী ৫/৪৬৬)।

আরবি: اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ وَأَبُوءُ لَكَ بِذَنْبِي فَاغْفِرْ لِي فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আংতা রাব্বি লা ইলাহা ইল্লা আংতা খালাক্কতানি ওয়া আনা আবদুকা ওয়া আনা আলা আহ্দিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতাতু আউজুবিকা মিন শাররি মা সানাতু আবুউলাকা বিনিমাতিকা আলাইয়্যা ওয়া আবুউলাকা বিজাম্বি ফাগ্ফিরলি ফা-ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুজ জুনুবা ইল্লা আংতা। '

অর্থ: হে আল্লাহ! তুমি আমার প্রতিপালক, তুমি ছাড়া আর কোনো উপাস্য নেই। তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো আর আমি তোমার বান্দা। আমি আমার সাধ্যানুযায়ী তোমার সঙ্গে যে ওয়াদা করেছি তা পূরণ করার চেষ্টায় রত আছি, আমি আমার কর্মের অনিষ্ট থেকে পানাহ্ চাই, আমি স্বীকার করছি আমার প্রতি তোমার প্রদত্ত নিয়ামতের কথা এবং আমি আরো স্বীকার করছি আমার পাপে আমি অপরাধী, অতএব তুমি আমাকে ক্ষমা করো, তুমি ছাড়া ক্ষমা করার আর কেউ নাই।

news24bd.tv/ নাজিম