ঘরে কাঁদছিল শিশু সন্তান, পাশেই ছিল বাবা-মার মরদেহ
ঘরে কাঁদছিল শিশু সন্তান, পাশেই ছিল বাবা-মার মরদেহ

নিহত স্বামী-স্ত্রীর মরদেহ

ঘরে কাঁদছিল শিশু সন্তান, পাশেই ছিল বাবা-মার মরদেহ

জাহিদুজ্জামান, কুষ্টিয়া

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একটি কক্ষ থেকে স্বামী-স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ ডিসেম্বর) রাত দেড়টার দিকে উপজেলার কয়া আবাসন থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত স্বামী-স্ত্রীর নাম সুমন শেখ (২৫) ও সোনিয়া খাতুন (২০)। তারা এই আবাসন প্রকল্পেই বাস করতেন।

কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ একটি কক্ষ থেকে স্বামী স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে। রোববার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলেই প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে। তবে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে তাঁরা আত্মহত্যা করেছেন।

নিহত সুমনের বাবা জামাল শেখ বলেন, রাত পৌনে ১২টার দিকে নাতির কাঁন্নার শব্দ শুনে ঘরের দিকে এগিয়ে যাই। গিয়ে দরজায় ধাক্কাধাক্কি ও তাঁদের ডাকাডাকি করি। ডাকে সাড়া না দেওয়ায় ঘরের জানালা ভেঙে দেখি ছেলে ঘরে রশিতে ঝুলছে আর ছেলের বউ চৌকিতে উপর হয়ে পড়ে আছে। এরপর চিৎকার শুরু করলে আবাসনের লোকজন ছুটে আসে এবং ঘরের দরজা ভেঙে ওদের ঘরের বাইরে নিয়ে আসে। পরে স্থানীয় ডাক্তার এসে তাঁদের মৃত ঘোষণা করে এবং পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।

জামাল শেখ আরও বলেন, তিনদিন আত্মীয়বাড়ি থেকে শনিবার সন্ধ্যায় নিজবাড়ি আবাসনে ফিরে আসে সুমন ও সোনিয়া। স্বাভাবিকভাবেই রাতেই ঘুমিয়ে পড়েন তাঁরা।

এরপর হঠাৎ রাত পৌনে ১২টার দিকে তাঁদের একমাত্র সন্তান সোহানের (৩) কাঁন্না শোনা যায়। স্থানীয়দের ধারণা, পারিবারিক কলহের জেরে সুমন গলায় রশি পেঁচিয়ে এবং তাঁর স্ত্রী সোনিয়া বৈদ্যুতিক শর্ট নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

আরও পড়ুন


ওসির বিরুদ্ধে সাবেক পুলিশ পরিদর্শকের সংবাদ সম্মেলন

news24bd.tv এসএম

;