ঘুড়ির শক্তিতে ২৫ দিনেই আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি
ঘুড়ির শক্তিতে ২৫ দিনেই আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি

ছবি: রয়টার্স

ঘুড়ির শক্তিতে ২৫ দিনেই আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি

নিবিড় আমিন

শুধুমাত্র ঘুড়ির শক্তিতে ছোট্ট নৌকা চালিয়ে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিলেন পর্তুগিজ এক কাইটসার্ফার। মহাসাগরে প্রায় ৪ হাজার মাইল সফলভাবে পাড়ি দিতে তার সময় লেগেছে ২৫ দিন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে এরইমধ্যে ভাইরাল হয়েছে দুঃসাহসী এই অভিযান।

নভেম্বরের ৩ তারিখে পর্তুগালের লিসবনের ক্যাসকাইস থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন ফ্রান্সিসকো লুফিনহা।

৩৮ বছর বয়সী এই অভিযাত্রীর সম্বল ছিল ছোট্ট একটি ঘুড়ি চালিত নৌকা।  

ফ্রান্সিসকো লুফিনহা বলেন, 'এটা একটা দুর্দান্ত চ্যালেঞ্জ। পানি নিয়ে একটু সমস্যা হয়েছে। নৌকার ভিতরেও ঢুকে পড়ছে পানি।

কিন্তু সবকিছুই সামলিয়ে নিচ্ছি আমি। '  

আটলান্টিক মহাসাগরে ৬ হাজার ৪শ কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন লুফিনহা। মোট যাত্রাপথে ৪৭ দিন লাগলেও তিনি সাগরে ছিলেন শুধুমাত্র ২৫ দিন। কারণ প্রতিকূল বাতাসের কারণে ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জে নভেম্বরের ৮ থেকে ৩০ পর্যন্ত যাত্রাবিরতি দিতে হয় তাকে। যাত্রাপথে একটি হ্যান্ড পাম্প ব্যবহার করে সাগরের লোনা জলকে বিশুদ্ধ পানীয়তে পরিণত করেন তিনি।  

জানান, 'আমি পান করার জন্য মাত্র ১৫ লিটার বিশুদ্ধ জল নেই। তাও জরুরি অবস্থার ক্ষেত্রে বা শেষ দিনগুলোর অন্য। বিশুদ্ধ পানি তৈরী করতে আমার ওয়াটারমেকার ব্যবহার করতে হয়। আমার এটি দুটো রয়েছে। '

আরও পড়ুন


 

বিবাহবিচ্ছেদ: দুবাইয়ের শাসককে গুণতে হবে ৬ হাজার কোটি টাকা  


ছোট্ট একটি ককপিট আকৃতির কেবিনেই দিন পার হয়েছে এই কাইটসার্ফারের। তার নৌকার প্রয়োজনীয় সমস্ত শক্তি এসেছিলো সৌর শক্তি মাধ্যমে। রিমোট কন্ট্রোলের মাধ্যমে ঘুড়ি নিয়ন্ত্রণ করে নৌকা পরিচালনা করেছিলেন তিনি। যার সর্বোচ্চ গতি ছিল ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার। অবশেষে মার্টিনিকের ক্যারিবীয় দ্বীপে এসে পৌঁছালেন ২০ ডিসেম্বর।

জানান, 'এই চ্যালেঞ্জ আমার শেখার জন্য একটি বড় অভিজ্ঞতা ছিল। অনেককিছুই শিখতে পেরেছি আমি। '

ঘুড়ির নৌকায় দ্রুততম সময়ে আটলান্টিক পাড়ি দেয়ার জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম লেখাতে চান এই কাইটসার্ফার।  

সূত্র: রয়টার্স  

news24bd.tv রিমু