আমি আসলে সৎ চিকিৎসকদের পক্ষেই লিখেছি
আমি আসলে সৎ চিকিৎসকদের পক্ষেই লিখেছি

একই রোগীর একই হাঁটুর দুটি এমআরআই রিপোর্ট

আমি আসলে সৎ চিকিৎসকদের পক্ষেই লিখেছি

আমিনুল ইসলাম

মাত্র চার দিনের ব্যবধানে একই চিকিৎসকের অ্যাডভাইস করা একই রোগীর একই হাঁটুর দুটি এমআরআই রিপোর্ট। এমন নয় যে এই চারদিনের মধ্যে তাকে সার্জারি বা অন্য কিছু করা হয়েছে। আমি অবাক হয়ে বলি, মাত্র চার দিনের মধ্যে দুটি এমআরআই কেন? কিশোর রোগীর মা বলেন প্রথম এমআরআই-এর রিপোর্ট নাকি ভুল, আর সাথে ডাক্তার নাকি বলেছেন আমি তো ওখান থেকে করতে বলিনি।  

এমআরআই-এর রিপোর্ট ভুল? তাতে কি, এমআরআই ফিল্ম তো সাথেই আছে।

আর যে চিকিৎসক রিপোর্টে ভুল ধরে ফেলেছেন তিনি নিশ্চয়ই ফিল্ম বুঝেন- তাহলে পুনরায় করা কেন? এক্সরে, সিটি, এমআরআই এগুলির ফিল্ম সাথে থাকে, আর যদি কেউ এই বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হয় রিপোর্ট কি তার কাছে মেটার হওয়া উচিত? যেমন একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ কি বলতে পারে বুকের এক্সরে রিপোর্টটা ভুল আবার এক্সরে করে নিয়ে আসেন?

মাত্র চার দিনের ব্যবধানে একই চিকিৎসকের অ্যাডভাইস করা একই রোগীর একই হাঁটুর দুটি এমআরআই রিপোর্ট

কার্ডিয়লজিস্ট কি বলতে পারে ইসিজি রিপোর্টটা ভুল, আবার ইসিজি করে নিয়ে আসেন? হয় তিনি ভুয়া বিশেষজ্ঞ অথবা তিনি লোভী ও অসৎ। আর প্রথমবার (২৫.০৮.২১) যেখান থেকে এমআরআই করিয়েছে সেটাতো দ্বিতীয়বার (২৯.০৮.২১) করা সেন্টার থেকে অভিজাত ই বলতে হবে। আর ডাক্তারের ডিগ্রি (এমফিল, এমএসসি, পিএইচডি) দেখেও বুঝার উপায় নেই তিনি আসলেই কিসের বিশেষজ্ঞ। বসেন ধানমন্ডির একটি নামকরা সেন্টারে।

আসল কথা হল, রোগীকে যেখান থেকে করতে বলা হয়েছে সেখানে করেননি তাই পুনরায় করতে বলা হয়েছে। তিনি অর্থোপেডিক্স বা হাঁটুর বিশেষজ্ঞ না হয়েও সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞ দাবি করে প্র্যাকটিস করছেন এটা একটা অন্যায়, অযথা রোগীর পয়সাটুকু খরচ করালেন সেটা আরেকটা অন্যায়।

আরও পড়ুন:


সিরাজগঞ্জে বাস উল্টে অটোভ্যানের ওপর, নিহত ৪

চরম ব্যর্থতাই বিএনপির একমাত্র প্রাপ্তি: ওবায়দুল কাদের

মাদারীপুরে দ্রুতগামী বাসের ধাক্কায় যুবক নিহত, বাসে আগুন

৮ জানুয়ারি থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরু


(আগে হলে এটা আমি ডাক্তারদের নিজস্ব ফেসবুক গ্রুপে লিখতে পারতাম। কিন্তু এখন এমন একটা ট্রেন্ড হয়ে গেছে যে এমনটি লিখলে অন্য ডাক্তাররা ধরেই নেয় আমি ডাক্তারের বিপক্ষে দাঁড়িয়েছি।  অথচ গভীরভাবে ভাবলে দেখবেন আমি আসলে সৎ চিকিৎসকদের পক্ষেই লিখেছি- যাদের সংখ্যা অনেক। )

লেখাটি চিকিৎসক আমিনুল ইসলামের ফেসবুক থেকে সংগৃহীত ( লেখাটির আইনগত ও অন্যান্য দায় লেখকের নিজস্ব। এই বিভাগের কোনো লেখা সম্পাদকীয় নীতির প্রতিফলন নয়। )

news24bd.tv/ নাজিম

;