বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনা পরম সম্পদ : আব্দুর রহমান 
বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনা পরম সম্পদ : আব্দুর রহমান 

বাংলাদেশের জন্য শেখ হাসিনা পরম সম্পদ : আব্দুর রহমান 

নিজস্ব প্রতিবেদক

বঙ্গবন্ধুর কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের জন্য পরম সম্পদ বলে মন্তব্য করেছেন  আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান।

তিনি বলেন,শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে থাকবেন ততদিন ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে বেঁচে থাকবে।

বুধবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশনে ছাত্রলীগের ৭৪ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।  

আব্দুর রহমান বলেন,শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের নেতৃত্ব দিয়েছেন।

দেশের দুর্যোগের সময়ে দেশের হাল ধরেছেন। শতবাধা বিপত্তি অতিক্রম করেই বাংলাদেশেকে উন্নত দেশে পরিণত করেছে করেছেন তিনি। যে দেশ ছিল পশ্চাৎ পদদেশ সেই দেশকে তিনি বিশ্বের কাছে আধুনিক দেশ হিসেবে গড়ে তুলেছেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা বলেই এতো কিছু সম্ভব হয়েছে।  আজ বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বের বুকে মাথা উচু করে দাঁড়িয়েছেন।

তিনি বলেন,বিশ্বের যে কয়েকজন সৎ প্রধানমন্ত্রী আছে, তাদের মধ্যে শেখ হাসিনা একজন। এটা বাঙালিদের জন্য গর্বের বিষয়। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে  না আসলে কখনো এদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন হতো না।

আব্দুর রহমান বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে এক ধরনের যড়যন্ত্রের রাজনীতি করেছে বিএনপি। পৃথিবীতে এমন কোনো নজির নেই যে কারাগারের একজন দণ্ডিত আসামি যেখানে থাকতে চান সেখানেই থাকতে দেওয়া হয়েছে। শেখ হাসিনাই মানবিক বলেই খালেদা জিয়াকে এতো সুযোগ সুবিধা দিয়েছেন।  এছাড়া পৃথিবীর ইতিহাসে কোথাও নেই। তারপরেও খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নামে দেশ বিরোধী ষড়যন্ত্র করছে একটি শ্রেণী। বিএনপি কখনো বলেননি যে খালেদা জিয়ার ভালো চিকিৎসা লাগবে, তারা শুধু বলছে খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে দিতে হবে। তাদের এই কথা থেকে ষড়যন্ত্রের গন্ধ আসে,বিভিন্ন প্রশ্ন জাগে। দেশের মধ্যে আরো উন্নত চিকিৎসার জন্য সাহায্যের প্রয়োজন হলে সেটা শেখ হাসিনা অবশ্যই করবেন। কিন্তু খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার নামে যদি  ষড়যন্ত্র করা হয় তাহলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী তা কঠোর হাতে দমন করবে। বিএনপি যদি খালেদা জিয়ার চিকিৎসার নামে আবার ষড়যন্ত্রের অন্ধকার গলি পথ খুঁজতে যায় সেই উদ্যোগে বাঁধা দেবে আওয়ামী লীগ।

সাবেক এই ছাত্রলীগের নেতা বলেন,করোনা মধ্যে ছাত্রলীগ যে মানবিকতার পরিচয় দিয়েছে তা ইতিহাস হয়ে থাকবে। ছাত্র রাজনীতির পাশাপাশি ছাত্রলীগ নেতাকর্মীকে শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। ২০৪১ সালের উন্নত বাংলাদেশের জন্য ছাত্রলীগকে ভূমিকা রাখতে হবে। দেশের অনেক উন্নয়ন অর্জন করেছেন শেখ হাসিনা, তারপরও  যখন তিনি ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানে আসেন তখন তার প্রাণভরে যায়। শেখ হাসিনা যতদিন বেচে থাকবেন ততদিন ছাত্রলীগের নেত্রী হিসেবে বেচে থাকবে,তিনি আমাদের পরম সম্পদ।  

আরও পড়ুন: 

নির্বাচনী সংঘর্ষের কবলে পড়ে নারী নিহত

এসময় আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য রাখেন।  

এসময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ,জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী এনামুল হক শামীম, সাবেক ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ,সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়,সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যসহ ছাত্র লীগের নেতাকর্মী।  

news24bd.tv/আলী​​​​​​​