দুই গারো কিশোরীকে গণধর্ষণ: মূল আসামির পর গ্রেপ্তার আরও ৫
দুই গারো কিশোরীকে গণধর্ষণ: মূল আসামির পর গ্রেপ্তার আরও ৫

গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা

দুই গারো কিশোরীকে গণধর্ষণ: মূল আসামির পর গ্রেপ্তার আরও ৫

সৈয়দ নোমান, ময়মনসিংহ

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে আধিবাসী দুই গারো স্কুলশিক্ষার্থীকে গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় মূল আসামির পরে এবার আরও ৫ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা ডিবি পুলিশ।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ময়মনসিংহ ও গাজীপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কাতলমারী গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে শরীফ মিয়া (২০), কাটাবাড়ী গ্রামের আ: মতিনের ছেলে মিজানুর রহমান (২২), কচুয়াপাড়া গ্রামের আ: হামিদের ছেলে মিয়া হোসেন (২০), কাটাবাড়ি গ্রামের শহীদুল ইসলামের ছেলে আব্দুল হামিদ (১৯) ও কচুয়াপাড়া গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে রুকন মিয়া। তারা সকলেই হালুয়াঘাটের বাসিন্দা।

ডিবি পুলিশের ওসি মো: সফিকুল ইসলাম জানান, এরা সকলেই অপরাধ স্বীকার করেছে। আজই এদের আদালতে পাঠানো হবে।

এর আগে ওই দুই কিশোরীকে গণধর্ষণ মামলার মূল আসামি সোলায়মান হোসেন ওরফে রিয়াদকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

শনিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানান র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর রাতে হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী ৫নং গাজিরভিটা ইউনিয়নের ডুমনিকুড়া গ্রামের দুই কিশোরী পাশের গ্রামে আত্মীয়ের বাড়িতে বিয়ের অনুষ্ঠান গিয়েছিল। বাড়ি ফেরার পথে হত্যার ভয় দেখিয়ে তাদের সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে স্থানীয় একদল বখাটে।

ভুক্তভোগীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে পরিবারের সদস্যরা তাদেরকে খুঁজতে বের হয়। পরে তাদের দুজনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

ভুক্তভোগী কিশোরীদের পরিবারের অভিযোগ, ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে হত্যার হুমকি দেওয়ায় আদিবাসী পরিবারের লোকজন ভয়ে মুখ খুলতে পারছিলেন না।

ঘটনাটি জানাজানি হলে ২৯ ডিসেম্বর হালুয়াঘাট থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এরপর গত ৩০ ডিসেম্বর ১০ জনকে আসামি করে হালুয়াঘাট থানায় একটি মামলা করেন নির্যাতিতা এক কিশোরীর বাবা।

মামলায় অভিযুক্তরা হলেন- সোলায়মান হোসেন রিয়াদ (২২), শহীদ মিয়ার ছেলে শরিফ (২০), এজাহার হোসেন (২০), রমজান আলী (২১), কাউছার (২১) আছাদুল (১৯) শরিফুল ইসলাম (২১), মিজান (২২), রুকন (২১) ও মামুন (২০)।

এদিকে, দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় গত ৩ জানুয়ারি বিকেলে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার ও সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে উপজেলার সীমান্ত এলাকায় বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন আদিবাসীরা।

আরও পড়ুন


ছাত্রলীগের নারায়ণগঞ্জ মহানগর শাখা কমিটি বিলুপ্তি ঘোষণা

news24bd.tv এসএম

;