প্রায় আড়াইশ পুলিশ আমাকে ১ ঘণ্টা আটকে রাখে: রুমিন ফারহানা
প্রায় আড়াইশ পুলিশ আমাকে ১ ঘণ্টা আটকে রাখে: রুমিন ফারহানা

ফাইল ছবি

প্রায় আড়াইশ পুলিশ আমাকে ১ ঘণ্টা আটকে রাখে: রুমিন ফারহানা

অনলাইন ডেস্ক

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও সুচিকিৎসার জন্য বিদেশ পাঠানোর দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আজ এক সমাবেশের আয়োজন করা হয়। সেই সমাবেশে যোগ দিতে যাওয়ার বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানাকে এক ঘণ্টা রাস্তায় আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে।

বিষয়টি নিয়ে আজ দুপুরে দেশের শীর্ষস্থানীয় একটি জাতীয় পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেন রুমিন ফারহানা।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, সভা প্রথমে হওয়ার কথা ছিল ফুলবাড়ীয়াতে।

সেটা বদলে এখন পৌর সভার বাইরে বটতলীতে হবে। পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করার পর আমাদের নতুন জায়গায় সমাবেশ করার জন্য নতুন করে অনুমতি নিতে হয়েছে।

রাস্তায় আটকে রাখার বিষয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, আশুগঞ্জ ভৈরব ব্রিজের মুখে প্রায় আড়াইশ পুলিশ আমাকে প্রায় একঘণ্টা রাস্তায় আটকে রাখে। তারা আমাকে ব্রিজে উঠতে দেবে না। সেখানে তাদের সঙ্গে আমার বাক-বিতণ্ডা, কথা কাটাকাটি হয়েছে। তাদেরকে বলেছি, আমাকে যেতে না দিলে আমি রাস্তায় বসে পরব। তারা বলেন, আপনি রাস্তা বন্ধ করতে পারবেন না। তখন আমি বলি, আপনি তাহলে আইন যা বলে তা করেন।


আরও পড়ুন: 

বাংলাদেশের নতুন কোচ হ্যাভিয়ের ক্যাবরেরা

ফের বাস, ট্রেন ও লঞ্চে অর্ধেক যাত্রী বহনের সিদ্ধান্ত


সেখানে ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও উপস্থিত ছিলেন জানিয়ে বিএনপির এই সংসদ সদস্য  বলেন, ম্যাজিস্ট্রেট আমাকে আইনের কথা বলেছে। তাকে আমি বলেছি, পুরো পেনাল কোড আমার মুখস্ত। আমাকে আইন দেখিয়ে তো লাভ নেই। এক পর্যায়ে তারা আমাকে বলেন, ঠিক আছে, আপনি প্রেসের সঙ্গে মিট করলে উজান-ভাটি রেস্টুরেন্ট পর্যন্ত যেতে পারবেন। এরপরে আর যেতে পারবেন না। তারপর উজান-ভাটিতে গিয়ে বসি, নারী পুলিশসহ প্রায় দুই থেকে আড়াইশ পুলিশ আমাকে ঘিরে রাখে। আমির খসরু মাহমুদ চাচা সেখানে আসেন। তার সঙ্গে সেখানেই কিছু সময় বসেছি। এরপর ৩টার দিকে আমরা রওনা দেই। পুলিশ আমাদের কর্ডন করে নিয়ে যাচ্ছে।

এভাবে সমাবেশ স্থল পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হবে কি না জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, আমি তাই মনে করছি।

এদিকে, একই স্থানে একই সময়ে বিএনপি ও ছাত্রলীগ সমাবেশ আহ্বান করায় ‘নিরাপত্তার স্বার্থে’ শনিবার ভোর ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত পৌর এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে জেলা প্রশাসন। এর ফলে শহরে সব ধরনের সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ।

বিএনপি জানায়, দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্থায়ী মুক্তি ও বিদেশে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার দাবিতে শনিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ফুলবাড়িয়া কনভেনশন সেন্টারের সামনে তারা মহাসমাবেশের ডাক দিয়েছিলেন।

আর জেলা ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সেখানেই ছাত্রসমাবেশের ডাক দেয়। এরপরই শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা জারির ঘোষণা দেয়।

news24bd.tv/ নাজিম

;