মৃতদেহের ‌‘যৌনাঙ্গ খেকো’শিক্ষকের যাবজ্জীবন 
মৃতদেহের ‌‘যৌনাঙ্গ খেকো’শিক্ষকের যাবজ্জীবন 

ফাইল ছবি

মৃতদেহের ‌‘যৌনাঙ্গ খেকো’শিক্ষকের যাবজ্জীবন 

অনলাইন ডেস্ক

২০২০ সালে এক ব্যাক্তিকে দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে এনে ঠাণ্ডা মাথায় খুন করেন এক শিক্ষক। খুনের পর মৃতদেহের যৌনাঙ্গ এবং দেহের অন্য কিছু অংশ খায় ওই শিক্ষক। সেই হত্যার ঘটনায় এবার সাবেক এই শিক্ষককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে জার্মানির একটি আদালত। খবর বিবিসি।

শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) জার্মানির বার্লিনের একটি আদালত এই আদেশ দেন।  

বিচারিক আদালতে স্টেফান নামে ৪২ বছরের ওই শিক্ষকের অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় বার্লিনের  ওই আদালত তাকে  যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

আসামির আইনজীবী আদালতে বলেন, স্টেফান এবং নিহত ব্যক্তি দু’জনেই সমকামী ছিলেন এবং ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে তাদের পরিচয় হয়েছিল।

স্টেফান খুনের কথা অস্বীকার করলেও মৃত ব্যক্তির মাংস খাওয়ার কথা স্বীকার করেছে। তার দাবি, ওই ব্যক্তি তার বাড়িতে এসে হঠাৎ মারা গিয়েছিলেন। তারপর তিনি তার যৌনাঙ্গ এবং দেহের অন্য কিছু অংশ কেটে খেয়েছিলেন। খুনের খবর যাতে কেও না জানে সেজন্য সে নিহতের দেহ টুকরো টুকরো করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে দিয়েছিলেন এই মানুষখেকো।  আদালতের বিচারক তার আত্মপক্ষ সমর্থনে তার এই বক্তব্য খারিজ করে দেন।

আরও পড়ুন : ঠোঁট ফাটছে? জেনে নিন  মুক্তির উপায়

আরও পড়ুন : শীতে গায়ে সরিষা তেল মাখলে কী হয়?

পুলিশি তদন্তে জানা গেছে, একটি ডেটিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচয়ের পর স্টেফান ওই সমকামী ব্যক্তিকে নিজের বাড়িতে ডেকে মাদক খাইয়ে গলা কেটে খুন করেন। ধারনা করা হচ্ছে, মানুষের যৌনাঙ্গ খেলে যৌনক্ষমতা বাড়বে এমন চিন্তা থেকেই এই ঘটনা ঘটিয়েছে স্টেফান।

news24bd.tv/আলী

;