বগুড়ায় গুলিবিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা অরেঞ্জ আর নেই
বগুড়ায় গুলিবিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা অরেঞ্জ আর নেই

নাজমুল হাসান অরেঞ্জ

বগুড়ায় গুলিবিদ্ধ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা অরেঞ্জ আর নেই

আব্দুস সালাম বাবু, বগুড়া

বগুড়ায় প্রতিপক্ষের হামলায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার ৯ দিন পর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা নাজমুল হাসান অরেঞ্জ (২৫) মারা গেছেন। সোমবার রাত ১১টার দিকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ আব্দুল ওয়াদুদ।

এর আগে গত ২ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে মালগ্রাম ডাবতলার মোড়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন মালগ্রাম দক্ষিণপাড়ার রেজাউল ইসলামের ছেলে অরেঞ্জ এবং একই এলাকার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে আপেল।

অরেঞ্জের চোখের নিচে আর আপেলের পেটে গুলি লাগে। এদের মধ্যে সংগঠনের জেলা কমিটির সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদক অরেঞ্জকে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। সেখানে ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সোমবার রাত ১১টার দিকে অরেঞ্জ মারা যান। এছাড়া এ ঘটনায় আহত আপেল নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এদিকে এ ঘটনায় ৩ জানুয়ারি দুপুর একটার দিকে বগুড়া সদর থানায় সাতজনের নাম উল্লেখ করে মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন অরেঞ্জের স্ত্রী স্বর্নালী আক্তার।

মামলায় উল্লেখ করা আসামীরা হলেন- বগুড়া মালগ্রামের একরাম হোসেনের ছেলে রাসেল আহমেদ (৩২), রাসেলের ছোট ভাই রাছানী (২৭), শহরের ডাবতলা মোড় এলাকার মৃত রহমান ফকিরের ছেলে খাইরুল ইসলাম (৪৮), একই এলাকার খাইরুল ইসলামের ছেলে সুমন (২০), বেলতলা এলাকার মতিন শেখের ছেলে শাকিব (২২), মালগ্রাম এলাকার জাকির হোসেনের ছেলে হাবিব (২৪) এবং একই এলাকার আইনুল কসাইয়ের ছেলে টিপু (২৬)। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জনকে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে গত বৃহস্পতিবার রাতে মামলার ৭ নম্বর আসামী টিপুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  

বগুড়া সদর থানার ওসি সেলিম রেজা জানান,  চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে অরেঞ্জ মারা গেছেন। তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

news24bd.tv রিমু