৫ বছরের শিশু ধর্ষণ, হুজুরের কারাদণ্ড
৫ বছরের শিশু ধর্ষণ, হুজুরের কারাদণ্ড

৫ বছরের শিশু ধর্ষণ, হুজুরের কারাদণ্ড

তানভীর আজাদ মামুন, জামালপুর

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে মসজিদের ভেতর শিশু ধর্ষণের অপরাধে মাদ্রাসা শিক্ষককে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এ রায় দেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার একটি গ্রামের আব্দুর রশিদের ছোট মেয়ে স্বপ্না বেগম ও তার জামাতা শাসছুদ্দিন ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করায় তাদের ৫ বছর বয়সী কন্যাশিশু হামজা শেখ নানী ছকিনা বেগমের কাছে থাকত। শিশু হামজা শেখকে পার্শ্ববর্তী ভাঙ্গারগ্রাম জামে মসজিদে ইসলামিক ফাইন্ডেশন পরিচালিত মসজিদ ভিত্তিক শিশু শিক্ষালয়ে ভর্তি করা হয়।

২০১৯ সালের ২ অক্টোবর সকালে শিক্ষালয়ের নিয়োগপ্রাপ্ত হুজুর মনিরুল ইসলাম সব ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ছুটি দিয়ে শিশু হামজা শেখকে মসজিদের ভেতর ধর্ষণ করে। পরে বাড়ি ফিরে গেলে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পরের দিন শিশুর নানী ছকিনা বেগম বাদী হয়ে ভাঙ্গারগ্রাম এলাকার শুক্কুর আলীর ছেলে মনিরুল ইসলামকে (৪২) আসামি করে দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে ১৪ জন স্বাক্ষীর মধ্যে ১০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম আসামি মনিরুল ইসলামের উপস্থিতিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ১০ ধারায় তাকে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৩ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন স্পেশাল পিপি মোহাম্মদ আকরাম হোসেন ও আসামি পক্ষের আইনজীবী ছিলেন মো. রেজাউল আমিন শামীম।

আরও পড়ুন: 

‌‘টিকার সনদ দেখিয়ে রেস্তোরাঁয় খাবার’, প্রতিবাদ রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির

বাণিজ্যমেলা চলবে কিনা জানা গেল

news24bd.tv তৌহিদ