ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না: প্রধানমন্ত্রী
ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না: প্রধানমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

জনগণের ভোট চুরি করে কেউ পার পায়নি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মন্তব্য করে বলেছেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া কেমন নির্বাচন করেছিল, কত শতাংশ ভোট পড়েছিল। সব জায়গায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করে দিয়ে, ভোটের বাক্স সিল দিয়ে খালেদা জিয়া তিন বারের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত। খালেদা জিয়া জনগণের ভোট চুরি করেছিল বলে গণঅভ্যূথান হয়েছিল, সংগ্রাম, আন্দোলন হয়েছিল। সেই সংগ্রামের মধ্যে নাকে খর দিয়ে ৩০ মার্চ খালেদা জিয়া বাধ্য হয়েছিল পদত্যাগ করতে।

রাষ্ট্রপতি ভবনে পদত্যাগ করতে যাওয়ার সময় জনগণের অনুমতি নিয়ে তাকে যেতে হয়েছিল। ভোট চুরি করলে জনগণ ছেড়ে দেয় না।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

‘‌জাতির পিতাকে হত্যা করে যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারা দেশকে কী দিয়েছে? ৭৫ এর পর সংবিধান ভঙ্গ করে ক্ষমতা দখল করা হয়েছিল। সেনাবাহিনীতে একবার না ১৯-২০ বার কু হয়েছে। আর তার ফলাফল কি, মুক্তিযোদ্ধাকে হত্যা করা হয়েছে, সেনাবাহিনীকে হত্যা করা হয়েছে, রাজনৈতিক নেতাদের হত্যা করা হয়েছে, গুম করা হয়েছে। তখন ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে দল গঠন করা। সেই দলেরই নাম বিএনপি’ বলেন প্রধানমন্ত্রী ।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ ভালো কাজ করলে পেছনে লেগে থাকা এটা এক শ্রেণির মানুষের অভ্যাস। যারা এদেশের স্বাধীনতা চাইনি, যারা খুনিদের নিয়ে যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে সরকার গঠন করে রাষ্ট্রপরিচালনা করে বাংলাদেশের উন্নয়নকে ধ্বংস করতে চেয়েছিল তাদের কিছু প্রেতাত্মা এখনো সমাজে আছে, রাজনৈতিক অঙ্গনে আছে এবং তারাই এগুলো করে বেড়াচ্ছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ যেন ঘুরে দাঁড়াতে না পারে সে জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে হত্যা করে হয়। পরাধীন বাংলাদেশের মানুষকে শোষণ থেকে মুক্ত করার কাজ করেছেন বঙ্গবন্ধু।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতা অর্জন, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক মুক্তি লক্ষ্যে সেই ছাত্র জীবন থেকে সংগ্রাম করেছেন। এদেশের মানুষকে স্বাধীনতার চেতনায় উদ্ভুদ্ধ করেছেন। একই সঙ্গে একটি জাতির রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কাজটি তিনি করে গেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধে আমাদের বিজয় অর্জন হয়। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আমাদের মিত্র বাহিনী ও শক্তির কাছে আত্মসমার্পণ করতে বাধ্য হয়। আটকা পড়ে প্রায় ৯৬ হাজার পাকিস্তানি। যে কারণে, ফাঁসির আদেশ হওয়া সত্বেও পাকিস্তানিদের পরাজয়ের কারণে ইয়াহিয়া খানের পরাজয় ঘটে ভুট্টো ক্ষমতায় আসে। তখন ভুট্টো নিজের চামড়া বাঁচাতে ও এই ৯৬ হাজার পাকিস্থানি ফিয়ে নিতে এবং আন্তর্জাতিক চাপে জাতির পিতা শেখ মুজিব-কে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়।

আরও পড়ুন:

বসুন্ধরার কম্বল পেল শেরপুরের দরিদ্র মানুষ

বাণিজ্যমেলা চলবে কিনা জানা গেল

news24bd.tv তৌহিদ

;