উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপেই গড়ে তোলা হচ্ছে বসতি
উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপেই গড়ে তোলা হচ্ছে বসতি

উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পুড়ে যাওয়া ধ্বংসস্তূপেই গড়ে তোলা হচ্ছে বসতি

আয়ুবুল ইসলাম, কক্সবাজার

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের পর পোড়া ধ্বংসস্তূপেই গড়ে তোলা হচ্ছে নতুন বসতি। এ ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি ‘আন্তঃতদন্ত কমিটি’ গঠন করেছে শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়।  

বুধবারের মধ্যেই সকল ঘরহারা রোহিঙ্গাদের আশ্রয়কেন্দ্র থেকে নতুন ঘরে স্থানান্তর করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কক্সবাজারের উখিয়ার শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ১৬ নম্বর রোহিঙ্গা শিবিরের বি-ব্লকে গত রোববার বিকেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রায় দুই ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুড়ে যায় বহু ঘর। তবে কেউ হতাহত না হলেও রোহিঙ্গারা জানায়, আগুনে তাদের সহায়-সম্বলসহ সবকিছু পুড়ে গেছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের ১০টি ঘরসহ পুড়ে গেছে ৪৬৯টি বসত ঘর। এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪০ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থদের খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং দ্রুত সময়ে আশ্রয়ের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে।


আরও পড়ুন:  
ওমিক্রন সংক্রমিত হবে ইউরোপের অর্ধেক মানুষ: ডব্লিউএইচও
সিলেটে মাছ বিক্রেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা


বুধবারের মধ্যেই কিছু ঘরহারা রোহিঙ্গাদের নতুন ঘরে স্থানান্তর প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে এবং ৪/৫ দিনের মধ্যেই সবাইকে স্থানান্তর সম্ভব হবে মনে করেন শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার। অগ্নিকাণ্ডের কারণ অনুসন্ধানে পাঁচ সদস্যের একটি আন্তঃতদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এর আগে গত ২ জানুয়ারি উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গাক্যাম্পে জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা পরিচালিত করোনা হাসপাতালে আগুন লাগে। এতে হাসপাতালের আইসোলেশন সেন্টারের ১৬টি কেবিন পুড়ে যায়। গত বছরের ২২ মার্চ উখিয়ার বালুখালীতে আগুনে পুড়ে যায় প্রায় ১০ হাজার ঘর, মারা যান ১৫ রোহিঙ্গা।

news24bd.tv/ নাজিম