মার্কিন বাজারে আসতে চলেছে স্মার্ট গান
মার্কিন বাজারে আসতে চলেছে স্মার্ট গান

ফাইল ছবি

মার্কিন বাজারে আসতে চলেছে স্মার্ট গান

অনলাইন ডেস্ক

বহু বিতর্ক আর উদ্বেগ ছাপিয়ে এবার মার্কিন বাজারে আসতে চলেছে স্মার্ট গান। বিশেষ এধরণের বন্দুক ব্যবহার করা যাবে শুধু নির্ধারিত ব্যাক্তির হাত ধরেই। বিভিন্ন ধরণের দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা এবং অপরাধ এড়ানোর ক্ষেত্রে বড়ধরণের ভূমিকা রাখবে এই নতুন প্রযুক্তি, এমনটাই আশা করছে বন্দুকটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লোডস্টার ওয়ার্কস।  

গত সপ্তাহেই নিজেদের অংশীদার এবং বিনিয়গকারীদের সামনে একটি নয় মিলিমিটারের স্মার্ট হ্যান্ডগান প্রদর্শন করে বন্দুক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লোডস্টার ওয়ার্কস।

আরেক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্মার্টগানজ এলএলসি জানায়, তাদের তৈরী একই ধরণের বন্দুক পরীক্ষা করছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এজেন্টরা। দুই প্রতিষ্ঠানই আশাবাদী, চলতি বছরেই বাণিজ্যিকভাবে বাজারে পাওয়া যাবে এসব স্মার্টগান।

আরও পড়ুন:

চরম অর্থ-সংকটে আফগানরা

ফিলিপাইনের জেলে বন্দিদের সংঘর্ষে ৬ জন নিহত

নিজেদের বন্দুকে আঙুলের ছাপ ও চিপ শনাক্তকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে লোডস্টার। ব্যাকআপ হিসেবে রাখা হয়েছে একটি পিন প্যাড।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিয়ে মূহ্র্তেই আনলক করা যাবে বন্দুক। চিপ প্রযুক্তি কাজ করবে ফোনের অ্যাপের মাধ্যমে। আর এই প্রযুক্তিগুলো তাৎক্ষণিকভাবে কাজ না করলে ব্যবহার করা হবে পিনকোড।

লোডস্টারের সহপ্রতষ্ঠাতা গ্যারেথ গ্লেসার জানান, বন্দুক নিয়ে খেতে গিয়ে শিশুরা গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনা শুনেই স্মার্ট গান তৈরিটি অনুপ্রাণিত হয়েছেন তিনি। আত্মহত্যা ঠেকাতে সাহায্য করবে এ প্রযুক্তি। অস্ত্রটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে অকেজো করা যাবে। পুলিশ ও কারারক্ষীদেরও বাড়তি নিরাপত্তা দেবে এ স্মার্ট গান।

গ্লেসার বলেন, বন্দুক নিরাপত্তা, তদবির ও প্রবিধান এবং মামলা সম্পর্কে কিছু করার চেষ্টার জন্য প্রতিটি নীতির চরম ব্যর্থতা দেখেছি আমি। তবে এসব থেকে একটি জীবনও রক্ষা পায়না। আর সেই চিন্তা থেকেই এই কাজ শুরুর জন্য আমি আকৃষ্ট হয়েছিলাম।

২০১৮ সালেও একটি স্মার্ট পিস্তল বাজারে ছেড়েছিলো জার্মান প্রতিষ্ঠান আরমাটিক্স। তবে হ্যাকাররা দূর থেকে বন্দুকের রেডিও সিগন্যাল জ্যাম করে দেয়ার পদ্ধতি আবিষ্কার করে ফেললে তা বাজার থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

ইরানি পরমাণু বিজ্ঞানীদের হত্যাকাণ্ড মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত এবং এসব হত্যকাণ্ডের হোতারা অবশ্যই শাস্তি পাবে বলে জানিয়েছে তেহরান। মঙ্গলবার এক টুইটবার্তায় এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির বিচার বিভাগের উপ প্রধান কাজেম গরিবাবাদি।

ইরানের অন্যতম বিশিষ্ট পরমাণু বিজ্ঞানী শহীদ মোস্তফা আহমাদি রওশানের মৃত্যুবার্ষিকীতে এ হুঁশিয়ারি দেন কাজেম। তিনি আরও বলেন, বেসামরিক পরমাণু প্রযুক্তির উন্নয়ন ও স্থানীয়ভাবে ইরানে এই প্রযুক্তির বিস্তারে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়েছেন রওশান। তিনি তেহরানের অদূরে নাতাঞ্জ পরমাণু স্থাপনা প্রতিষ্ঠার অন্যতম কারিগর ছিলেন। ২০১২ সালের ১১ জানুয়ারি তেহরানে নিজের গাড়িতে পেতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে মাত্র ৩২ বছর বয়সে মারা যান রওশান।
 
news24bd.tv/এমি-জান্নাত