বান্দরবানে ঝিড়ি-ঝর্ণা ও পাহাড় কেটে অবাধে পাথর উত্তোলন
বান্দরবানে ঝিড়ি-ঝর্ণা ও পাহাড় কেটে অবাধে পাথর উত্তোলন

অবাধে পাথর তুলছে অসাধু চক্র

বান্দরবানে ঝিড়ি-ঝর্ণা ও পাহাড় কেটে অবাধে পাথর উত্তোলন

কবির হোসেন সিদ্দিকী, বান্দরবান

বান্দরবানে বেআইনিভাবে ও কোন প্রকার নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে ঝিড়ি-ঝর্ণা ও পাহাড় কেটে অবাধে বোল্ডার পাথর উত্তোলনের করে চলেছে কয়েকটি অসাধু চক্র। অবৈধভাবে এসব পাথর উত্তোলন ও প্রকাশ্যে পাচার করলেও অজ্ঞাত কারণে নিরব ভূমিকায় স্থানীয় প্রশাসন।

স্থানীয় আদিবাসীদের অভিযোগ প্রশাসনের সহযোগিতায় ও লোক দেখানো অনুমতিপত্র সংগ্রহ করেই চক্রটি ঝিরি-ঝর্ণা, পাহাড়ের পর পাহাড় ও বনাঞ্চল ধ্বংস করে যত্রতত্রভাবে চালিয়ে যাচ্ছে পাথর উত্তোলনের কাজ। ফলে বান্দরবানে বনাঞ্চল উজাড় ও পাহাড় ধস, পানি সংকটসহ নানা পরিবেশ বিপর্যয়ের ঘটনা ঘটেছে।

বান্দরবানে বিশেষ করে রুমা, থানছি, রোয়াংছড়ি, লামা ও আলীকদম উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে অবাধে পাথর উত্তোলন করে পাচারের কাজ চালিয়া যাচ্ছে কয়েকটি অসাধু চক্র।

কোন প্রকার অনুমতিপত্র না থাকলেও প্রকাশ্যে বেআইনিভাবে পাথর উত্তোলন ও পাচার করলেও প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন করছে বলে স্থানীয় আদিবাসী ও বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন।

আদিবাসীরা জানান, ঝিড়ি-ঝর্ণা থেকে অবাধে পাথর উত্তোলনের কারণে পানির উৎসগুলো শুকিয়ে যাওয়ায় তারা তীব্র পানির সংকটে মধ্যে রয়েছেন। এছাড়াও পাহাড় কেটে পাথর উত্তোলনের ফলে বর্ষা মৌসুমে পাহাড় ধসসহ নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক  দিলীপ কুমার বণিক জানান, প্রকাশ্যে পাহাড় কেটে, বনাঞ্চল, ঝিড়ি-ঝর্ণা ধংস করে পাথর উত্তোলন কর্মকান্ড চললেও প্রশাসন পরিবেশের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এধরণের কিছু চলতে থাকলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাহাড় ধসসহ নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও পানি সংকট রোধে দ্রুত পাথর উত্তোলন বন্ধের দাবী জানিয়েছেন আদিবাসী এবং স্থানীয়রা।

আরও পড়ুন


ঐতিহ্যবাহী সাকরাইনে ফানুস-আতশবাজি নিষিদ্ধ!

news24bd.tv এসএম

;