কাজাখস্তানের জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার
কাজাখস্তানের জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার

ফাইল ছবি

কাজাখস্তানের জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার

অনলাইন ডেস্ক

কাজাখস্তানের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হওয়ায় প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমাত তোকায়েভ দেশটির চার এলাকা থেকে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করেছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে তুরস্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি। এদিকে, রুশ নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট সিএসটিও -এর শান্তিরক্ষীরা মিশন শেষ করার পর ফিরে গেছে রাশিয়ায়।

কাজাখস্তান জুড়ে পরিস্থিতি ক্রমেই স্থিতিশীল হয়ে আসায় শুক্রবার দেশটির আরও চার এলাকা থেকে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করেছেন প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ত তোকায়েভ।

কাজাখ প্রেসিডেন্টের দফতর জানিয়েছে, ওই চারটি এলাকা হলো শ্যামকেন্ট, পূর্ব কাজাখস্তান, কারাগান্ডা ও তুর্কেস্তান।   

এর আগে পশ্চিম কাজাখস্তান, পাভলোদার এবং উত্তর কাজাখস্তান অঞ্চল থেকে জরুরি অবস্থা তুলে নেওয়া হয়।  

কাজাখস্তানের স্টেট সেক্রেটারি এরলান কারিন জানায়, একটি নতুন, ভিন্ন, আক্রোশজনক দেশের বিরুদ্ধে চক্রান্ত স্বরুপ ভারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলিকে ব্যবহার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সাম্প্রতিক মারাত্মক সহিংসতার পেছনে রয়েছে সশস্ত্র চরমপন্থী গোষ্টি।  কাজাখস্তানে যা ঘটছে তা সন্ত্রাসবাদ। সন্ত্রাসীরা কাজাখকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পরিকল্পনা করেছে। >> 

তবে, দেশজুড়ে পরিস্থিতি ক্রমেই স্থিতিশীল হয়ে আসছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহারের ঘোষণা আসায় যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি সংস্থা কালেক্টিভ সিকিউরিটি ট্রিটি অর্গানাইজেশন CSTO শান্তিরক্ষা সৈন্যরা কাজাখস্তানে একটি মিশন শেষ করার পর সামরিক বিমানে রাশিয়ায় ফিরে গেছে।

আরও পড়ুন:

ভারতের কাছ থেকে মিসাইল সিস্টেম কিনবে ফিলিপাইন

কানাডার রাজধানীতে বাণিজ্যিক ভবনে বিস্ফোরণ

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সের্গেই শোইগু বলেছেন,  মস্কোর নেতৃত্বাধীন CSTO সামরিক জোট  কাজাখস্তান থেকে শান্তিরক্ষা সৈন্যদের পর্যায়ক্রমে প্রত্যাহার ১৯ জানুয়ারি সম্পন্ন হবে। তার আগে ঘাঁটিতে ফিরে গেছে সেনারা। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছিলেন কাজাখস্তানে তার উদ্দেশ্য অর্জনের পর CSTO সেন্যদের স্বদেশে ফিরবেন।    

মধ্য এশিয়ার কাজাখ দেশটি সোভিয়েত-পরবর্তী ইতিহাসে সপ্তাহব্যাপী অস্থির সময় পার করেছে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের এলপিজি দাম বৃদ্ধির পর। বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ব্যাপক সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে দেশটিতে। পরিস্থিতি সামাল দিতে  রাশিয়ার সাহায্য চান কাজাখ প্রেসিডেন্ট।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত