স্কুলে যেতে পারছেনা ৬ প্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষার্থীরা    
স্কুলে যেতে পারছেনা ৬ প্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষার্থীরা    

স্কুলে যেতে পারছেনা ৬ প্রতিষ্ঠানের শিশু শিক্ষার্থীরা    

বাগেরহাট প্রতিনিধি 

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজ ভেঙে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ৬টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ। উপজেলার সদর ইউনিয়নের বিশারীগাটা বাজার সংলগ্ন খালের এই ব্রিজটি দুই বছর ধরে ঝঁকিপুর্ণ থাকার পরও সংস্কার না করায় এক মাস আগে ব্রিজটি বিশারীঘাটা খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে। ব্রিজটি ভেঙে পাড়ায় সব থেকে বেশী জনদুর্ভোগে পড়েছেন ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শত-শত প্রাক প্রাথমিক ও শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীরা সাঁতার জানা না থাকায় নৌকায় খাল পারাপরের ঝুকি থাকায় স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে।

 

বাদুরতলা ওয়াজেদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজা খানম বলেন, বিশারীগাটা খালের এই ব্রিজটি ভেঙে পড়ায় তার বিদ্যালয়ে প্রাক প্রাথমিক ও শিশু শ্রেণির শিক্ষার্থীর সংখ্যা অনেক কমেছে। একই কথা বলেন স্থানীয় বিবি আফসার আলী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলামও।

মোড়েলগঞ্জ সদর ইউপি চেয়ারম্যান মোল্লা হুমায়ুন কবির জানান, তার ইউনিয়নে বিশারীঘাটা বাজার সংলগ্ন খালের উপর ব্রিজটি ২৫ বছর আগে নির্মান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি)। বিশারীঘাটা, নিশানবাড়িয়া, খাউলিয়া, বাদুরতলাসহ ৬টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত ব্রিজটি পারাপার হতো।  

ব্রিজটি পারাপার হতো ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো শিক্ষার্থী। দুই বছর ধরে ঝঁকিপূর্ন থাকায় পরও এলজিইডি সংস্কার না করায় এক মাস আগে ব্রিজটি বিশারীঘাটা খালের মধ্যে ভেঙে পড়ে। ব্রিজটি ভেঙে পড়ার পরে সর্বসাধারণের পারাপারের বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে ৫ টাকা দিয়ে খেয়া নৌকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। ব্রিজটি ভেঙ্গে পড়ার জনদুর্ভোগের বিষয়সহ দ্রুত ব্রিজ নির্মানের জন্য উপজেলা প্রশাসনসহ এলজিইডিকে চিঠি দেয়া হয়েছে।  

মোড়েলগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী মো. আরিফুল হক জানান, বিশারীগাটা খালের ব্রিজটি ভেঙে পড়ার পর দ্রুত নতুন ব্র্রিজ নির্মাণের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে ইতিমধ্যেই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। আশা করছি প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে শীঘ্রই ওখানে ব্রিজের টেন্ডার আহবান করা হবে।

news24bd.tv/আলী       

;