যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে
যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে

সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের মানবাধিকার পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট

গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বড় পরিচয় যুক্তরাষ্ট্রের। বাস্তবিক অর্থেই দেশটির পরিস্থিতি দিন দিন বেগতিক হচ্ছে। গুম, খুন, পুলিশি নির্যাতন যেন নিত্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন মুলুকে। বিশ্বে মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার নিজ দেশে বিচার ব্যবস্থা গুমরে মরছে।

পূর্ণাঙ্গ গণতন্ত্রিক চর্চার দেশ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাষ্ট্র। নাগরিকদের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার দেশটির দিন দিন মানবাধিকার পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। প্রতিদিনিই ঘটছে গুম, খুন, পুলিশি নির্যাতনের মত ঘটনা। বিশ্বকে মানবাধিকারের সবক দেওয়া দেশটিতেই নড়বড়ে মানবাধিকার পরিস্থিতি।

এক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে গুম হন সাড়ে ৫ থেকে ৬ লাখ মানুষ। কোনো কোনো বছর এ সংখ্যা ৭ লাখের উপরে থাকলেও ১৯৯৭ সালে ছিল ৯ লাখ ৮০ হাজারেরও বেশি। ১৯৯০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকা বিশ্লেষণে তা স্পষ্ট। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ মার্কিন নাগরিকরাই।  

শুধু তাই নয়, পুলিশি নির্যাতনের মাত্রাও চরমে পৌঁছেছে। সারাবিশ্বে মানবাধিকার রক্ষায় মার্কিনরা অত্যন্ত সোচ্চার অথচ তাদের দেশেই ২০১৩ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ৭ বছরে পুলিশের গুলিতে সাড়ে ৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যার কোনো নির্দিষ্ট বিচার নেই।  

জর্জ ফ্লয়েডের মতো আরও কয়টি ঘটনা আলোচনায় আসে। ২০২০ সালের ২৫ মে মিনেসোটা শহরের মিনিয়াপোলিসে আফ্রিকান আমেরিকান ওই ব্যক্তির পুলিশের হাতে আটকের পর নির্মম মৃত্যুর ভিডিও ভাইরাল না হলে হয়ত এরও কোনো বিচারই হতো না। শেষ পর্যন্ত ফ্লয়েড হত্যার ঘটনায় নিহতের পরিবারকে ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার অর্থ দিয়ে সমাধান হলেও, অন্যন্যদের ক্ষেত্রে ঘটেছে কতখানি?

আরও পড়ুন:

ফ্লোরিডা উপকূলে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৯ জন নিখোঁজ

চীনের জিনজিয়াংয়ে আবার শত মিলিয়ন টনের নতুন তেল ও গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান

এছাড়া গত ৬ই জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থকদের ইউএস ক্যাপিটলে হামলার ঘটনা ঘটে। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিনিয়র কর্মকর্তারা ওই হামলার জন্য গোয়েন্দা ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন।  

কুইনিপিয়াক ইউনিভার্সিটির (Quinnipiac University) সমীক্ষায় জরিপে উঠে এসেছে  যুক্তরাষ্ট্রে গণতন্ত্র দিনে দিনে ধ্বংসের ঝুঁকিতে রয়েছে মনে করেন দেশটির প্রায় ৫৮ শতাংশ মানুষ।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত 

;