‘ঝুঁকিতে’ পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর দ্য গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ
‘ঝুঁকিতে’ পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর দ্য গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ

সংগৃহীত ছবি

‘ঝুঁকিতে’ পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর দ্য গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ

মাসুদ রানা

অপার বিস্ময়ের এক ভাণ্ডার সমুদ্র। এই সমুদ্রের উপরিভাগ যেমন সুন্দর ঠিক তেমনি এর তলদেশে রয়েছে অবাক দৃশ্য। তবে  জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ খ্যাত প্রবালপ্রাচীর গ্রেট ব্যারিয়ার রিফসহ সমুদ্র তলদেশের জীববৈচিত্র্য আজ বিপদাপন্ন।

অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত প্রায় তিন হাজার একক প্রবাল প্রাচীরের সমন্বয়ে গঠিত, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ দ্য গ্রেট ব্যারিয়ার রিফ পৃথিবীর বৃহত্তম প্রবাল প্রাচীর।

যা মূলত জীববৈচিত্র্যের স্বর্গ। এতসব জীবের পাশাপাশি এখানে আশ্রিত আরো অনেক বিলুপ্তপ্রায় প্রাণী। সব মিলিয়ে যেন গড়ে উঠেছে পৃথিবীর বুকে আরেক পৃথিবী। ১৯৮১ সালে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে তালিকাভুক্ত হয় এই রিফকে।

তবে  জলবায়ু পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক ও মানবসৃষ্ট কারণে ধ্বংসের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে এমন নয়াভিরাম দৃশ্য।  ইউনেস্কো মনে করছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে উষ্ণায়নের জন্য বছরের পর বছর ধরে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফের ক্ষতি হয়েছে। ১৯৯৫ সালের পর থেকে  অর্ধেক প্রবাল নষ্ট হয়ে গেছে। প্রবালগুলো শৈবাল হারিয়ে ধারণ করছে ফ্যাকাসে রং।

আরও পড়ুন:

প্যারাগুয়ের একটি কনসার্টে গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত দুই জন নিহত

জানুয়ারিতে বেলজিয়ামে ৩৯ বছরে সর্বোচ্চ মূল্যস্ফীতি

ইউনেস্কো চায়, গ্রেট ব্যারিয়ার রিফকে হেরিটেজ তালিকা থেকে সরিয়ে ইন ডেঞ্জার তালিকায় রাখতে।

বিপজ্জনক তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে জাতিসংঘ। পরিসংখ্যান বলছে ১৭ শতক থেকে গ্রেট ব্যারিয়ার রিফে ১,৬০০ এর অধিক জাহাজ ও অন্যান্য জলযান ডুবির ঘটনা ঘটেছে। ফলে শুধুমাত্র বিগত ৪০০ বছরে এই অমূল্য প্রাকৃতিক সম্পদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরণীয়।

news24bd.tv/এমি-জান্নাত