হঠাৎ করে সব পণ্যের দাম কমানো সম্ভব নয় : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
হঠাৎ করে সব পণ্যের দাম কমানো সম্ভব নয় : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি

হঠাৎ করে সব পণ্যের দাম কমানো সম্ভব নয় : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের কারণে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের অন্যান্য দেশেও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ইচ্ছে করলেই তো হঠাৎ করে সব পণ্যের দাম কমানো সম্ভব নয়। তারপরেও সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে সরকার।  

শুক্রবার কুমিল্লায় প্রস্তাবিত শেখ কামাল ক্রীড়া পল্লীতে ‌‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে’ বাংলাদেশ ইয়ূথ ক্যাডেট ফোরাম (বিওয়াইসিএফ) এক্স ক্যাডেট ক্যাম্প-২০২২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা জানান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারীর কারণে অনেক শিল্প-কলকারখানায় উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা বন্ধ ছিলো, জ্বালানি তেলের দাম রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ভারত, চীন, ইংল্যান্ড, সিঙ্গাপুরসহ প্রায় বিশ্বের সকল দেশে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বিশ্ব বাজারে। বাংলাদেশ বিচ্ছিন্ন কোনো দেশ নয়। যার ফলশ্রুতিতে দেশেও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের কিছুটা মুল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কথা চিন্তা করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম নাগালে রাখার চেষ্টা করছে সরকার। আমদানিকৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস-পত্রের উপর শুল্ক হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে মানুষ কম মূল্যে ক্রয় করতে পারে।  

তাজুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে, মাথাপিছু আয়ের পরিমানও বেড়েছে। সে হিসেবে পণ্যের চাহিদাও বেড়েছে, তাই মূল্যের উপর প্রভাব পড়েছে। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় পণ্যের দাম বাড়ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা এবং সমাজ পরিবর্তনে ক্যাডেটরা ভূমিকা রাখতে পারে। মানুষের জন্য কিছু করতে পারাই জীবনের স্বার্থকতা। পৃথিবীতে একা ভালো থাকা যায় না। ভালো থাকতে হলে সবাইকে সাথে নিয়ে  থাকতে হবে। ন্যায় ও সত্যের পথে থাকতে হবে। একটি আদর্শ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠনে সুশাসন, ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করা জরুরী।  

কুমিল্লা শহরের উন্নয়নের জন্য বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন এসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কুমিল্লা জেলার ব্যাপক পরিবর্তন আসবে। সিটি কর্পোরেশন আওতাধীন সকল খাল সংস্কার ও খনন করে সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য কাজ করা হবে। যারা খাল দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করেছেন এগুলো উচ্ছেদ করা হবে বলেও জানান তিনি।

বিওয়াইসিএফ এর প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শাহ মজিবুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মনিরুল ইসলাম সাক্কু, জেলা প্রসাশক মোহাম্মদ কামরুল হাছান, পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, আদর্শ সদর উপজেলা চেয়ারম্যান এডভোকেট আমিনুল ইসলাম টুটুল।

news24bd.tv/আলী   

;