'তিন দশক আগ থেকে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের বীজ বপণ করা হয়'
'তিন দশক আগ থেকে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের বীজ বপণ করা হয়'

সংগৃহীত ছবি

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন 

'তিন দশক আগ থেকে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের বীজ বপণ করা হয়'

অনলাইন ডেস্ক

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ দখলে ঝাঁপিয়ে পড়েছে রুশ সেনারা। শনিবার ইউক্রেনের রাজধানী লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ বাড়িয়েছে পুতিন বাহিনী। রুশ গোলাবর্ষণ অব্যাহত রয়েছে অবরুদ্ধ বন্দর নগরি মারিওপোলে। রাতভর হামলায় ধ্বংস হয়েছে বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা।

সংবাদমাধ্যম রয়টার্স জানিয়েছে, প্রতি ৩০ মিনিটে শহরটির কোথাও না কোথাও হচ্ছে গোলাবর্ষণ বা বিমান হামলা।  

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাঈদ খাতিবজাদে জানিয়েছেন, তিন দশক আগে থেকে ইউক্রেনের চলমান যুদ্ধের বীজ বপণ করা হলেও এর গোলাগুলি এতদিনে শুরু হয়েছে।

শনিবার বিদেশে অধ্যয়নরত ইরানি শিক্ষার্থী ও অধ্যাপকদের পনেরতম বার্ষিক সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার চলমান সামরিক অভিযানের প্রতি ইঙ্গিত করে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, বিশ্ব ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে এবং বিশ্ব নতুন খোলসে আবৃত।

ইরান

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের ব্যাপারে ইরান নিজের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুযায়ী অবস্থান গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি।

খাতিবজাদে বলেন, ইরান যেকোনো যুদ্ধের বিরোধী এবং গোটা বিশ্বকে গিলে ফেলার যে পরিকল্পনা আমেরিকা ও ন্যাটো নিয়েছে তা মেনে নিতে রাজি নয়।

তিনি বলেন, তার দেশ যথেষ্ট শক্তিমত্তার অধিকারী এবং নিজের স্বার্থ, স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতা রক্ষা করতে সব রকম চেষ্টা চালাবে।

ইরানের স্বার্থ নিয়ে যেমন কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেয়া হবে না তেমনি ইরান কারো তাবেদারে পরিণত হবে না বলেও জানান খাতিবজাদে।

রাশিয়া গত কয়েক মাস ধরে পূর্ব ইউরোপে ন্যাটো জোটের বিস্তারের ব্যাপারে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে আসছিল। একইসঙ্গে আমেরিকা ও ন্যাটোর কাছে নিরাপত্তার গ্যারান্টি চেয়ে রাশিয়া বলেছিল, ইউক্রেনকে ন্যাটোর অন্তর্ভুক্ত করা হবে না বলে লিখিত নিশ্চয়তা দিতে হবে।

কিন্তু আমেরিকা ও ন্যাটো জোট সেকরম কোনো গ্যারান্টি দিতে রাজি হয়নি বরং ইউক্রেনকে এই জোটে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে অনড় ছিল পাশ্চাত্য। এ অবস্থায় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনের বিরুদ্ধে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করে মস্কো। রাশিয়ার ক্রমাগত হামলার ফলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে ইউক্রেন। দেশ ছেড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। বাড়ছে মৃত্যুও সংখ্যাও। সূত্র : পার্স টুডে

news24bd.tv রিমু