আজ দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন হাদিসুর
আজ দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন হাদিসুর

হাদিসুর রহমান

আজ দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন হাদিসুর

অনলাইন ডেস্ক

ইউক্রেনে ‘বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজে রকেট হামলায় নিহত বাংলাদেশি নাবিক হাদিসুর রহমানের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। জানা গেছে, আজ মঙ্গলবার সকালে জানাজা শেষে দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে হাদিসুরকে।

এবার দেশে ফিরেই বিয়ের পিঁড়িতে বসার কথা ছিলো হাদিসুর রহমানের। কিন্তু তার কফিনবন্দি হয়ে এই ফিরে আসায় শোকার্ত পুরো দেশ।

স্বজনদের আহাজারি যেন তারই প্রতিচ্ছবি।

সোমবার দুপুর সোয়া ১২টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হাদিসুরের মরদেহবাহী তার্কিশ এয়ারের ফ্লাইটটি ঢাকায় পৌঁছে। সেখান থেকে দুপুর ১টায় তাঁর বাড়ি বরগুনার বেতাগীর কদমতলার উদ্দেশে রওনা হয় মরদেহবাহী বিশেষ অ্যাম্বুল্যান্স। মরদেহটি বাড়িতে রাতে এসে পৌঁছে। অ্যাম্বুল্যান্সে লাশের সঙ্গে ছিলেন হাদিসুরের ছোট ভাই প্রিন্স, ছোট চাচা মিজানুর রহমান এবং চাচাতো ভাই ক্যাপ্টেন তসলিম আহমেদ।

এর আগে, রোববার দুপুরে টার্কিশ এয়ারলাইন্সের কার্গো বিমানে হাদিসুর রহমানের মরদেহ দেশে আসার কথা থাকলেও ইস্তাম্বুলে তুয়ারপাতের কারণে ফ্লাইটটি বাতিল হয়।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে আটকা পড়ে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজ ‘বাংলার সমৃদ্ধি’।

২ মার্চ রাত ৯টা ২৫ মিনিটে জাহাজটিতে রকেট হামলা হয়। এতে জাহাজটিতে আগুন ধরে যায়।
হামলায় জাহাজটির থার্ড ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মাদ হাদিসুর রহমান আরিফ মারা যান। এর পরপরই জাহাজে থাকা নাবিকরা ভিডিও বার্তায় তাদের নিরাপদে উদ্ধারে আকুতি জানায়।

পরদিন ৩ মার্চ বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জাহাজের জীবিত ২৮ নাবিককে ইউক্রেনের একটি বাংকারে নেওয়া হয়। পরে তাদের নিরাপদে রোমানিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়।

বুধবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২টায় ইউক্রেনে আটকে পড়া জাহাজ ‘বাংলার সমৃদ্ধির’ ২৮ নাবিক দেশে পৌঁছান।

news24bd.tv রিমু