‘আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে কিছুতো কম্প্রোমাইজ করতে হবে’

‘আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে কিছুতো কম্প্রোমাইজ করতে হবে’

অনলাইন ডেস্ক

‘আন্তর্জাতিক বাজারে যখন দাম বেড়ে যায় তখন খুব বেশি কিছু করার থাকে না। এ ক্ষেত্রে কিছুতো কম্প্রোমাইজ করতে হবে। ’

গণভবনে ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সরকার প্রধান জানান, রোজার সময় দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সচেষ্ট সরকার।

বলেন, এক কোটি মানুষের জন্য ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে স্পেশাল কার্ডের ব্যবস্থা করছে সরকার। সরকারের কাছে যথেষ্ট খাদ্য মজুদ আছে জানিয়ে ফসল উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

পেঁয়াজ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘পেঁয়াজ নিয়ে যে সমস্যা ছিল, আমার মনে হয় পেঁয়াজ আমরা উৎপাদন করতে পারি। আমাদের সেই ব্যবস্থা নিতে পারি। আমাদের বিজ্ঞানীরা, বিশেষ করে কৃষি বিজ্ঞানীরা খুব ভালো কাজ করেন। সঙ্গে সঙ্গে রিসার্চ করে এখন আমরা বীজ উৎপাদন করতে পারছি। ’

তিনি বলেন, ‘আশা করি আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বাংলাদেশে পেঁয়াজ আর বাইরে থেকে আনতে হবে না। আমরা রপ্তানি করতে পারব। সেভাবে আমরা কৃষকদের সব রকম সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছি। ’

ভোজ্যতেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তেল নিয়ে যে সমস্যা, সেটা নিয়ে কালকেও মিটিং করেছি ভার্চ্যুয়ালি। সেখানে আমি বলে দিয়েছি, একটা টাস্কফোর্স করা, মজুদ তেলের কোথাও ‘হোল্ডিং’ হচ্ছে কিনা, তা দেখা হচ্ছে। আর প্রত্যেকটা জায়গায় খোঁজ নেওয়া। ’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘হ্যাঁ, দাম আন্তর্জাতিক বাজারে খুব বেড়ে গেছে, আমরা যেমন সয়াবিন তেলটা আমাদের বেশির ভাগই আসে ব্রাজিল থেকে। আর পাম ওয়েলটা আসে মালয়েশিয়া থেকে। তো এই যুদ্ধের কারণে যাতায়াত খরচ, অতিরিক্ত কার্গো ভাড়া বেড়ে গেছে। আনতে অসুবিধা। এই সমস্ত সমস্যা আছে। কিন্তু আমাদের মজুদ যেটুকু আছে বা এখানে যেটা হচ্ছে সেটা আমরা খোঁজ নিচ্ছি। ’

news24bd.tv তৌহিদ