ফোনে হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন নিহত আ.লীগ নেতা 

ফোনে হত্যার হুমকি পেয়েছিলেন নিহত আ.লীগ নেতা 

মাসুদা লাবনী

কয়েকদিন আগেই মুঠোফোনে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল নিহত আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুল ইসলাম টিপুকে। নিহতের স্ত্রী ডলি এমনটাই উল্লেখ করেছেন মামলার এজাহারে।  পুলিশ বলছে, টার্গেটের খুব কাছ থেকে পর পর ১২ রাউন্ড গুলি করা হয়েছে। খুনী পেশাদার, পরিকল্পনা করেই এই হত্যা করা হয়েছে।

এদিকে, দুর্ঘটনাবশত গুলিতে মৃত্যু হয় কলেজ শিক্ষার্থী সামিয়া আফনান প্রীতির।  

বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা ২২ মিনিট। সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায় রাজধানীর শাহজাহানপুর আমতলা মসজিদের কাছে খিলগাঁও রেলগেটের সিগনালে দাঁড়িয়ে থাকা সাদা মাইক্রোবাসের বিপরীতে এক মোটরসাইকেল আরোহী গুলি করছে আওয়ামী লীগ নেতা জাহিদুলের উপর।

এ সময় গুলিবিদ্ধ হন বদরুন্নেছা কলেজের শিক্ষার্থী সুমাইয়া আক্তার প্রীতি। ২২ বছর বয়সী প্রীতি খিলগাঁওয়ে গিয়েছিলেন বান্ধবীর বাসায়। সেখান থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফিরছিলেন বাসায়। মেয়ে হত্যার বিচারের বিষয়ে ক্ষোভ ও হতাশা বাবা মো. জামাল উদ্দিনের।

শুক্রবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রীতি ও টিপুর ময়নাতদন্তের পর মরদেহ নিয়ে যান স্বজনরা। পুলিশ বলছে, পালিয়ে যাওয়ার সময় ঘাতকের এলোপাতাড়ি গুলিতে দুর্ঘটনাবশত নিহত হন প্রীতি।

এদিকে, ঘাতক একজন ছিল বলে জানিয়েছে টিপুর গাড়িতে থাকা তার বন্ধু।

খুনি খুবই পেশাদার জানিয়ে পুলিশ বলছে, মাত্র ৩০ সেকেন্ডেরও কম সময়ে শেষ হয়েছে পুরো হত্যাকাণ্ড। এই ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করেছে টিপুর স্ত্রী ফারজানা ইসলাম ডলি। এজাহারে জানা যায়, কয়েকদিন আগে কে বা কারা মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল।

যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক রিয়াজুল হক খান মিল্কী হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ছিলেন নিহত জাহিদুল ইসলাম টিপু।

news24bd.tv/ কামরুল