যুদ্ধের মধ্যে বাইডেনের ইউরোপ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
যুদ্ধের মধ্যে বাইডেনের ইউরোপ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

সংগৃহীত ছবি

কূটনীতিক বিশ্লেষকরা বলছেন

যুদ্ধের মধ্যে বাইডেনের ইউরোপ সফর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ

আসমা তুলি

একদিকে নিজেদের আধিপত্য রক্ষা, অন্যদিকে রাশিয়ার হুমকি।  ইউক্রেনে রাশিয়া যুদ্ধের মধ্যে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ইউরোপ সফরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন কূটনীতিক বিশ্লেষকরা। যদিও কূটনৈতিক উপায়ে এই সংকট সমাধানের এখনো কোনো আশা দেখছে না বিশ্ব। তবে পশ্চিমাদের সঙ্গে ঐক্য প্রদর্শন ও ইউক্রেনে সামরিক সহায়তা জোরদারসহ এই সফরে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছেন বাইডেন।

আপাত দৃষ্টিতে ইউক্রেন রাশিয়ার যুদ্ধ হলেও এর সবচেয়ে বড় খেসারত দিতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। কারণ একদিকে বিশ্ব রাজনীতিতে আধিপত্য হারানোর শঙ্কা, অন্যদিকে মিত্রদেশগুলোর বিশ্বাস পুনস্থাপনে বড় সংকটের মুখোমুখি বিশ্ব মোড়লরা।  বিশ্ব পরিমণ্ডলে রাজনীতির নতুন বাঁক তৈরিতে ইউরোপ সফর করছেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

যুদ্ধে এখন পর্যন্ত তার মিত্রদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলছে যুক্তরাষ্ট্র। যুদ্ধের ব্যাপ্তি যত বাড়বে এবং দীর্ঘায়িত হবে, মতবিরোধের আশঙ্কাও ততো বাড়বে বলে  মনে করা হচ্ছে।

বলা হচ্ছে, বিশ্বের সাথে ঐক্য আরো জোরদারের বাইডেনের এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য। এই সফরে ন্যাটোকে শক্তিশালী করতে ইউরোপীয় মিত্রদের আস্থাও অজর্ন করতে হবে বাইডেনকে।   

ইউক্রেনে যুদ্ধে ইউরোপে শরণার্থীর ঢল নেমেছে। শুধুমাত্র পোল্যান্ডেই গেছে ২০ লাখের বেশি শরণার্থী। এই অবস্থায় পোল্যান্ডকে নির্ভরযোগ্য ন্যাটো সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে নিশ্চিত করা বাইডেনের আরেকটি চ্যালেঞ্জ।

বাইডেন বলেন, ইউক্রেনের যুদ্ধে সৃষ্ট মানবিক সংকটে পোল্যান্ড  গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পোল্যান্ডের ওপর চাপ কমাতে ন্যাটোর অন্যান্য দেশগুলি  আরো এগিয়ে আসা উচিৎ।

এছাড়াও ইউক্রেনকে যুদ্ধাস্ত্র পাঠাতে ইউরোপীয় মিত্রদের উপরে নির্ভর করতে হবে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। চীনের বিরুদ্ধে কী ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন তাও খোলাসা করতে হতে পারে তাকে। তাইতো চলমান সংকট নিরসনে বাইডেনের সফরের দিকেই নজর সবার।

news24bd.tv রিমু